
লিজ ট্রাসের আকস্মিক পদত্যাগের পর কে হতে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী, তা নিয়ে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন সাবেক চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করবেন। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
ঋষি সুনাকের সমর্থকেরা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ১০০ জন কনজারভেটিভ এমপির সমর্থন তিনি ইতিমধ্যেই পেয়েছেন। তবে বিবিসি বলেছে, তারা ৯৩ জন সমর্থকের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পেরেছে। এদিকে ঋষি সুনাক এখনো নিশ্চুপ। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রতিযোগিতায় নামবেন কি না, সে ব্যাপারে এখনো স্পষ্ট করে কোনো মন্তব্য করেননি।
এদিকে ক্যারিবিয়ানে অবকাশযাপনে থাকা বরিস জনসন লন্ডনের পথে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি আবারও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রতিযোগিতায় নামবেন বলে বাতাসে জোর গুঞ্জন ভাসছে। বাণিজ্যমন্ত্রী স্যার জেমস ডুড্রিজ বলেছেন, বরিস জনসন তাঁকে জানিয়েছেন যে তিনি এ ধরনের ঘটনার জন্য প্রস্তুত ছিলেন।
আরেকটি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে আসা ঋষি সুনাককে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে চাপ দিচ্ছেন বরিস জনসন। তিনি ঋষি সুনাককে নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে দাঁড়াতে বলেছেন।
এখন পর্যন্ত হাউস অব কমন্সের নেতা পেনি মরডন্ট একামাত্র ব্যক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে নিজের প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়ে লিখেছেন, ‘আমি আমার সহকর্মীদের সমর্থনের কারণেই এক নতুন যাত্রা শুরু করতে উৎসাহিত হয়েছি। তাঁরা জাতীয় স্বার্থেই একটি ঐক্যবদ্ধ দল ও নেতৃত্ব দেখতে চান।’
আগামী সোমবার দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতার ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রতিযোগিতায় নামতে কমপক্ষে ১০০ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এই সময়ের মধ্যে বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদ থেকে সদ্য পদত্যাগ করা সুয়েলা ব্র্যাভারম্যানও প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে নামবেন।

লিজ ট্রাসের আকস্মিক পদত্যাগের পর কে হতে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী, তা নিয়ে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন সাবেক চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করবেন। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
ঋষি সুনাকের সমর্থকেরা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ১০০ জন কনজারভেটিভ এমপির সমর্থন তিনি ইতিমধ্যেই পেয়েছেন। তবে বিবিসি বলেছে, তারা ৯৩ জন সমর্থকের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পেরেছে। এদিকে ঋষি সুনাক এখনো নিশ্চুপ। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রতিযোগিতায় নামবেন কি না, সে ব্যাপারে এখনো স্পষ্ট করে কোনো মন্তব্য করেননি।
এদিকে ক্যারিবিয়ানে অবকাশযাপনে থাকা বরিস জনসন লন্ডনের পথে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি আবারও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রতিযোগিতায় নামবেন বলে বাতাসে জোর গুঞ্জন ভাসছে। বাণিজ্যমন্ত্রী স্যার জেমস ডুড্রিজ বলেছেন, বরিস জনসন তাঁকে জানিয়েছেন যে তিনি এ ধরনের ঘটনার জন্য প্রস্তুত ছিলেন।
আরেকটি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে আসা ঋষি সুনাককে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে চাপ দিচ্ছেন বরিস জনসন। তিনি ঋষি সুনাককে নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে দাঁড়াতে বলেছেন।
এখন পর্যন্ত হাউস অব কমন্সের নেতা পেনি মরডন্ট একামাত্র ব্যক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে নিজের প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়ে লিখেছেন, ‘আমি আমার সহকর্মীদের সমর্থনের কারণেই এক নতুন যাত্রা শুরু করতে উৎসাহিত হয়েছি। তাঁরা জাতীয় স্বার্থেই একটি ঐক্যবদ্ধ দল ও নেতৃত্ব দেখতে চান।’
আগামী সোমবার দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতার ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রতিযোগিতায় নামতে কমপক্ষে ১০০ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এই সময়ের মধ্যে বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদ থেকে সদ্য পদত্যাগ করা সুয়েলা ব্র্যাভারম্যানও প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে নামবেন।

১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
২৮ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
৪৪ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সরাসরি সশস্ত্র আগ্রাসনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে মাদুরোকে অপহরণ করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর...
৩ ঘণ্টা আগে
নজিরবিহীন সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে স্ত্রীসহ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে নেওয়ার পর তাকে মাদক ও অস্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। আজ শনিবার নিউইয়র্কের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয় বলে জানান মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি।
৩ ঘণ্টা আগে