
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আলোচনা ‘অসম্ভব’ উল্লেখ করে একটি আদেশ জারি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তাঁর আদেশের ফলে, ইউক্রেনের কোনো নাগরিক পুতিনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করতে পারবেন না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়া ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল নিজেদের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় গত শুক্রবার জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, পুতিনের সঙ্গে আলোচনার সকল পথ বন্ধ। তাঁর সঙ্গে আর কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। আজকের এই আদেশের মাধ্যমে জেলেনস্কির সেদিনের কথা আইনে পরিণত হলো।
গত শুক্রবার জেলেনস্কি পুতিনের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘তিনি জানেন না মর্যাদা এবং সততা কী জিনিস। তারপরও আমরা রাশিয়ার সঙ্গে সংলাপের জন্য প্রস্তুত। তবে রাশিয়ার অন্য কোনো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে হবে সেই আলোচনা।’ জেলেনস্কির বক্তব্য থেকে এই বিষয়টি স্পষ্ট যে, তিনি পুতিনের সঙ্গে আলোচনার কোনো পথই খোলা রাখতে চান না।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিল কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্রেসিডেন্ট আদেশের একটি ধারায় বলা হয়েছে, ‘ইউক্রেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনা অসম্ভব বলে ঘোষিত হবে।’
এদিকে, ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন এবং জাপোরিঝিয়া রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করার চুক্তি অনুমোদিত হয়েছে রাশিয়ার পার্লামেন্টে। নিম্নকক্ষ দ্য স্টেট ডুমা স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার চুক্তি অনুমোদন করে। ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন এবং জাপোরিঝিয়া অঞ্চলগুলোর রাশিয়ায় যোগদানের বিষয়ে করা চুক্তিটি সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়। অধিবেশনে রাশিয়ার সকল স্টেট ডেপুটি উপস্থিত ছিলেন এবং সবাই এই চুক্তি পাশের পক্ষে রায় দেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আলোচনা ‘অসম্ভব’ উল্লেখ করে একটি আদেশ জারি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তাঁর আদেশের ফলে, ইউক্রেনের কোনো নাগরিক পুতিনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করতে পারবেন না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়া ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল নিজেদের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় গত শুক্রবার জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, পুতিনের সঙ্গে আলোচনার সকল পথ বন্ধ। তাঁর সঙ্গে আর কোনো আলোচনা সম্ভব নয়। আজকের এই আদেশের মাধ্যমে জেলেনস্কির সেদিনের কথা আইনে পরিণত হলো।
গত শুক্রবার জেলেনস্কি পুতিনের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘তিনি জানেন না মর্যাদা এবং সততা কী জিনিস। তারপরও আমরা রাশিয়ার সঙ্গে সংলাপের জন্য প্রস্তুত। তবে রাশিয়ার অন্য কোনো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে হবে সেই আলোচনা।’ জেলেনস্কির বক্তব্য থেকে এই বিষয়টি স্পষ্ট যে, তিনি পুতিনের সঙ্গে আলোচনার কোনো পথই খোলা রাখতে চান না।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিল কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্রেসিডেন্ট আদেশের একটি ধারায় বলা হয়েছে, ‘ইউক্রেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনা অসম্ভব বলে ঘোষিত হবে।’
এদিকে, ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন এবং জাপোরিঝিয়া রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করার চুক্তি অনুমোদিত হয়েছে রাশিয়ার পার্লামেন্টে। নিম্নকক্ষ দ্য স্টেট ডুমা স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার চুক্তি অনুমোদন করে। ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন এবং জাপোরিঝিয়া অঞ্চলগুলোর রাশিয়ায় যোগদানের বিষয়ে করা চুক্তিটি সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়। অধিবেশনে রাশিয়ার সকল স্টেট ডেপুটি উপস্থিত ছিলেন এবং সবাই এই চুক্তি পাশের পক্ষে রায় দেন।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে