
ইউক্রেনের জন্য উন্নত সামরিক ড্রোন কিনতে লিথুয়ানিয়ার শত শত মানুষ একজোট হয়ে তহবিল সংগ্রহ করছেন। রাশিয়ার আক্রমণে পর্যুদস্ত ইউক্রেনকে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে সাহায্য করার উদ্দেশ্যেই তাঁরা এই ড্রোন কেনার উদ্যোগ নিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব জানা গেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লাইসভেস টিভি জানিয়েছে, ড্রোন কেনার জন্য প্রয়োজন কমপক্ষে ৫০ লাখ ইউরো। মাত্র তিন দিনেই প্রায় ৩০ লাখ ইউরো সংগ্রহ হয়ে গেছে।
গত বুধবার থেকে তহবিল সংগ্রহ শুরু হয়। তহবিলে ১০০ ইউরো প্রদানকারী ৩২ বছর বয়সী অ্যাগনে বেলিকাইট বলেন, ‘এই যুদ্ধ (ইউক্রেন-রাশিয়া) শুরু হওয়ার আগে আমরা কেউই ভাবিনি যে বন্দুক কিনতে হবে। কিন্তু এখন এটি খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। আরও ভালো পৃথিবী গড়ার জন্য মাঝে মাঝে এমন অনেক কিছু করতে হয়।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে অ্যাগনে বেলিকাইট বলেন, ‘আমি কয়েক দিন ধরে ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র কিনতে অর্থ দান করছি। ইউক্রেনের বিজয় না হওয়া পর্যন্ত আমি এ কাজ করতেই থাকব।’ রাশিয়া লিথুয়ানিয়ায় হামলা চালাতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। সেই আশঙ্কা থেকে তিনি ইউক্রেনকে আরও বেশি সাহায্য করতে চাইছেন, যাতে ইউক্রেনেই রাশিয়ার পতন হয়।
রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে ড্রোন খুব কার্যকর, তা ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে এবং সিরিয়া ও লিবিয়া যুদ্ধেও তা প্রমাণিত হয়েছে।
ইউক্রেন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্কের কোম্পানি বেকারের কাছ থেকে কুড়িটির বেশি বায়রাক্টার টিবি-২ সশস্ত্র ড্রোন কিনেছে। আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারির মধ্যে আরও ১৬টি কেনার জন্য অর্ডার দিয়ে রেখেছে।
লিথুয়ানিয়ায় ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত বেশতা পেট্রো লাইসভেস টিভিকে বলেন, ‘ইতিহাসে এটাই প্রথম ঘটনা যে সাধারণ মানুষ বায়রাক্টারের মতো কিছু কেনার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে। এটা নজিরবিহীন। এটা অবিশ্বাস্য!’

ইউক্রেনের জন্য উন্নত সামরিক ড্রোন কিনতে লিথুয়ানিয়ার শত শত মানুষ একজোট হয়ে তহবিল সংগ্রহ করছেন। রাশিয়ার আক্রমণে পর্যুদস্ত ইউক্রেনকে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে সাহায্য করার উদ্দেশ্যেই তাঁরা এই ড্রোন কেনার উদ্যোগ নিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব জানা গেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লাইসভেস টিভি জানিয়েছে, ড্রোন কেনার জন্য প্রয়োজন কমপক্ষে ৫০ লাখ ইউরো। মাত্র তিন দিনেই প্রায় ৩০ লাখ ইউরো সংগ্রহ হয়ে গেছে।
গত বুধবার থেকে তহবিল সংগ্রহ শুরু হয়। তহবিলে ১০০ ইউরো প্রদানকারী ৩২ বছর বয়সী অ্যাগনে বেলিকাইট বলেন, ‘এই যুদ্ধ (ইউক্রেন-রাশিয়া) শুরু হওয়ার আগে আমরা কেউই ভাবিনি যে বন্দুক কিনতে হবে। কিন্তু এখন এটি খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। আরও ভালো পৃথিবী গড়ার জন্য মাঝে মাঝে এমন অনেক কিছু করতে হয়।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে অ্যাগনে বেলিকাইট বলেন, ‘আমি কয়েক দিন ধরে ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র কিনতে অর্থ দান করছি। ইউক্রেনের বিজয় না হওয়া পর্যন্ত আমি এ কাজ করতেই থাকব।’ রাশিয়া লিথুয়ানিয়ায় হামলা চালাতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। সেই আশঙ্কা থেকে তিনি ইউক্রেনকে আরও বেশি সাহায্য করতে চাইছেন, যাতে ইউক্রেনেই রাশিয়ার পতন হয়।
রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে ড্রোন খুব কার্যকর, তা ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে এবং সিরিয়া ও লিবিয়া যুদ্ধেও তা প্রমাণিত হয়েছে।
ইউক্রেন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্কের কোম্পানি বেকারের কাছ থেকে কুড়িটির বেশি বায়রাক্টার টিবি-২ সশস্ত্র ড্রোন কিনেছে। আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারির মধ্যে আরও ১৬টি কেনার জন্য অর্ডার দিয়ে রেখেছে।
লিথুয়ানিয়ায় ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত বেশতা পেট্রো লাইসভেস টিভিকে বলেন, ‘ইতিহাসে এটাই প্রথম ঘটনা যে সাধারণ মানুষ বায়রাক্টারের মতো কিছু কেনার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে। এটা নজিরবিহীন। এটা অবিশ্বাস্য!’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৭ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৭ ঘণ্টা আগে