
যুদ্ধকবলিত ইউক্রেনে মানবিক সহায়তা দিতে দাতা দেশগুলোর কাছে ৪২০ কোটি ডলার তহবিল চেয়েছে জাতিসংঘ। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৪ সালে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিকভাবে উদ্বাস্তু হওয়া ১ কোটিরও বেশি শরণার্থীকে সহায়তা দেওয়ার জন্য এই তহবিল চেয়েছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত বছরের শেষ দিক থেকেই গাজায় চলমান সংঘাত বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে। কিন্তু সেখানে দেওয়ার জন্য জাতিসংঘ ত্রাণ তহবিলের কোনো আহ্বান জানায়নি। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দুই বছর শেষ হয়ে ৩ বছরে পড়বে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, এই তহবিল দিয়ে ইউক্রেনে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ৮৫ লাখ ইউক্রেনীয় ও পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেওয়া ২৩ লাখ ইউক্রেনীয়র পুনর্বাসন করা হবে।
জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ (ইউক্রেনে) সাম্প্রতিক ধারাবাহিক আক্রমণ যুদ্ধের বিধ্বংসী দিকটি উন্মোচন করেছে যা বেসামরিক নাগরিকের জীবন রক্ষার জন্য বাড়তি খরচের প্রয়োজনীয়তাকে বাড়িয়ে তুলেছে। এ ছাড়া তীব্র শীতও সেখানে জীবন রক্ষাকারী মানবিক সহায়তার জরুরি প্রয়োজনকে বাড়িয়ে দিয়েছে।’
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের মাটিতে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণই সবচেয়ে বড় আকারের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে এরই মধ্যে বিপুল পরিমাণ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই বিষয়ে জাতিসংঘ জানিয়েছে, এই বছরে ইউক্রেনের অন্তত ১ কোটি ৪৬ লাখ মানুষের জরুরি ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন, যা দেশটির জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ। তবে জাতিসংঘ অন্তত ৮৫ লাখ মানুষের ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করতে চায়।
জাতিসংঘের ত্রাণবিষয়ক সংস্থার প্রধান মার্টিন গ্রিফিথ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘কয়েক লাখ শিশু যুদ্ধের শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে একেবারে সামনের কাতারে আছে। কেউ আতঙ্কিত, কেউ আঘাতপ্রাপ্ত এবং তাদের অধিকাংশই মৌলিক চাহিদা পূরণ হওয়া থেকে বঞ্চিত। এই সত্যটিই আমাদের ইউক্রেনে আরও মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করতে বাধ্য করে।’
গ্রিফিথ আরও বলেন, পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার পাশাপাশি বাড়িঘর, স্কুল ও হাসপাতালগুলোও বারবার হামলার শিকার হয়েছে। ভয়াবহ আক্রমণের মুখে (ইউক্রেনীয়) সমাজের কাঠামোই ধ্বংসাত্মক পরিণতির পথে রয়েছে।

যুদ্ধকবলিত ইউক্রেনে মানবিক সহায়তা দিতে দাতা দেশগুলোর কাছে ৪২০ কোটি ডলার তহবিল চেয়েছে জাতিসংঘ। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৪ সালে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিকভাবে উদ্বাস্তু হওয়া ১ কোটিরও বেশি শরণার্থীকে সহায়তা দেওয়ার জন্য এই তহবিল চেয়েছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত বছরের শেষ দিক থেকেই গাজায় চলমান সংঘাত বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে। কিন্তু সেখানে দেওয়ার জন্য জাতিসংঘ ত্রাণ তহবিলের কোনো আহ্বান জানায়নি। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দুই বছর শেষ হয়ে ৩ বছরে পড়বে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, এই তহবিল দিয়ে ইউক্রেনে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ৮৫ লাখ ইউক্রেনীয় ও পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেওয়া ২৩ লাখ ইউক্রেনীয়র পুনর্বাসন করা হবে।
জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ (ইউক্রেনে) সাম্প্রতিক ধারাবাহিক আক্রমণ যুদ্ধের বিধ্বংসী দিকটি উন্মোচন করেছে যা বেসামরিক নাগরিকের জীবন রক্ষার জন্য বাড়তি খরচের প্রয়োজনীয়তাকে বাড়িয়ে তুলেছে। এ ছাড়া তীব্র শীতও সেখানে জীবন রক্ষাকারী মানবিক সহায়তার জরুরি প্রয়োজনকে বাড়িয়ে দিয়েছে।’
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের মাটিতে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণই সবচেয়ে বড় আকারের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে এরই মধ্যে বিপুল পরিমাণ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই বিষয়ে জাতিসংঘ জানিয়েছে, এই বছরে ইউক্রেনের অন্তত ১ কোটি ৪৬ লাখ মানুষের জরুরি ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন, যা দেশটির জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ। তবে জাতিসংঘ অন্তত ৮৫ লাখ মানুষের ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করতে চায়।
জাতিসংঘের ত্রাণবিষয়ক সংস্থার প্রধান মার্টিন গ্রিফিথ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘কয়েক লাখ শিশু যুদ্ধের শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে একেবারে সামনের কাতারে আছে। কেউ আতঙ্কিত, কেউ আঘাতপ্রাপ্ত এবং তাদের অধিকাংশই মৌলিক চাহিদা পূরণ হওয়া থেকে বঞ্চিত। এই সত্যটিই আমাদের ইউক্রেনে আরও মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করতে বাধ্য করে।’
গ্রিফিথ আরও বলেন, পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার পাশাপাশি বাড়িঘর, স্কুল ও হাসপাতালগুলোও বারবার হামলার শিকার হয়েছে। ভয়াবহ আক্রমণের মুখে (ইউক্রেনীয়) সমাজের কাঠামোই ধ্বংসাত্মক পরিণতির পথে রয়েছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে