
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, রাশিয়াকে যুদ্ধে সহায়তা করতে ইউক্রেনে ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। তিনি বলেছেন, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে সহযোগিতা যে ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে তার প্রমাণ এটি। থাইল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ব্যাংকক পোস্টের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা জানি, উত্তর কোরিয়ার প্রায় ১০ হাজার সেনা আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।’ জেলেনস্কি ছাড়াও ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে বলে আসছেন যে, উত্তর কোরিয়ার সৈন্যরা ইউক্রেনে যুদ্ধ করছে। তবে কখনোই তারা কোনো প্রমাণ দেননি।
এদিকে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া এরই মধ্যে রাশিয়ায় সেনা পাঠানো শুরু করেছে। সিউল উত্তর কোরিয়ার সেনা পাঠানোর বিষয়টিকে ‘নিরাপত্তার জন্য গুরুতর’ হুমকি বলে অভিহিত করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল এক নিরাপত্তা বৈঠক আহ্বান করেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই ‘সম্ভাব্য সব উপায়ে’ এই বিষয়ে সাড়া দিতে হবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের (এনআইএস) মতে, এরই মধ্যে ১ হাজার ৫০০ সেনা রাশিয়ায় পৌঁছেছে। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একটি গোয়েন্দা সূত্র দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া সব মিলিয়ে রাশিয়ার সহযোগিতার জন্য ১২ হাজারের কাছাকাছি সেনা পাঠাতে পারে।
এদিকে, গতকাল বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের গোয়েন্দাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল কিরিলো বুদানভ দাবি করেছেন, প্রায় ১১ হাজার উত্তর কোরীয় পদাতিক সেনা ইউক্রেনে যুদ্ধ করার জন্য পূর্ব রাশিয়ায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গুপ্তচর সংস্থা এনআইএস জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার সেনারা ভ্লাদিভস্তক, উসুরিয়স্ক, খাবারভস্ক এবং ভ্লাগোভেশেনস্কে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল বুদানভ দ্য ওয়ারজোনকে বলেন, ‘তারা (উত্তর কোরিয়ার সেনারা) ১ নভেম্বর ইউক্রেনে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার সেনারা রুশ সরঞ্জাম এবং গোলাবারুদ ব্যবহার করবে এবং ২ হাজার ৬০০ সৈন্যের প্রথম দলটিকে রাশিয়ার পশ্চিম কুরস্ক অঞ্চলে পাঠানো হবে। এই অঞ্চলটিতে গত আগস্টে আক্রমণ শুরু করে ইউক্রেন এবং সেখানে বেশ কয়েকটি বসতি স্থাপন করা হয়েছে।’
রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে মস্কোর সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেড়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত জুন মাসে বিগত ২৫ বছরের মধ্যে রাশিয়ার প্রথম কোনো প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভ্লাদিমির পুতিন উত্তর কোরিয়া সফর করেন এবং দেশটির সঙ্গে একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তিও সাক্ষর করেন। তার আগে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনও রাশিয়া সফর করেছিলেন।
উল্লিখিত প্রতিরক্ষা চুক্তির আলোকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম ইয়ং-হিউন চলতি মাসের শুরুতে বলেছিলেন যে, উত্তর কোরিয়া সম্ভবত রাশিয়ান সৈন্যদের পাশাপাশি লড়াই করার জন্য ইউক্রেনে সৈন্য মোতায়েন করতে যাচ্ছে। ইউক্রেনের গণমাধ্যমগুলো চলতি মাসের অক্টোবরের শুরুতে জানিয়েছিল, কিয়েভের বাহিনী দোনেৎস্কের কাছে রাশিয়া অধিকৃত অঞ্চলে বোমা হামলার পর উত্তর কোরিয়ার বেশ কয়েকজন সৈন্য মারা গেছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, রাশিয়াকে যুদ্ধে সহায়তা করতে ইউক্রেনে ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। তিনি বলেছেন, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে সহযোগিতা যে ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে তার প্রমাণ এটি। থাইল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ব্যাংকক পোস্টের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা জানি, উত্তর কোরিয়ার প্রায় ১০ হাজার সেনা আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।’ জেলেনস্কি ছাড়াও ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে বলে আসছেন যে, উত্তর কোরিয়ার সৈন্যরা ইউক্রেনে যুদ্ধ করছে। তবে কখনোই তারা কোনো প্রমাণ দেননি।
এদিকে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া এরই মধ্যে রাশিয়ায় সেনা পাঠানো শুরু করেছে। সিউল উত্তর কোরিয়ার সেনা পাঠানোর বিষয়টিকে ‘নিরাপত্তার জন্য গুরুতর’ হুমকি বলে অভিহিত করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল এক নিরাপত্তা বৈঠক আহ্বান করেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই ‘সম্ভাব্য সব উপায়ে’ এই বিষয়ে সাড়া দিতে হবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের (এনআইএস) মতে, এরই মধ্যে ১ হাজার ৫০০ সেনা রাশিয়ায় পৌঁছেছে। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একটি গোয়েন্দা সূত্র দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া সব মিলিয়ে রাশিয়ার সহযোগিতার জন্য ১২ হাজারের কাছাকাছি সেনা পাঠাতে পারে।
এদিকে, গতকাল বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের গোয়েন্দাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল কিরিলো বুদানভ দাবি করেছেন, প্রায় ১১ হাজার উত্তর কোরীয় পদাতিক সেনা ইউক্রেনে যুদ্ধ করার জন্য পূর্ব রাশিয়ায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গুপ্তচর সংস্থা এনআইএস জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার সেনারা ভ্লাদিভস্তক, উসুরিয়স্ক, খাবারভস্ক এবং ভ্লাগোভেশেনস্কে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল বুদানভ দ্য ওয়ারজোনকে বলেন, ‘তারা (উত্তর কোরিয়ার সেনারা) ১ নভেম্বর ইউক্রেনে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার সেনারা রুশ সরঞ্জাম এবং গোলাবারুদ ব্যবহার করবে এবং ২ হাজার ৬০০ সৈন্যের প্রথম দলটিকে রাশিয়ার পশ্চিম কুরস্ক অঞ্চলে পাঠানো হবে। এই অঞ্চলটিতে গত আগস্টে আক্রমণ শুরু করে ইউক্রেন এবং সেখানে বেশ কয়েকটি বসতি স্থাপন করা হয়েছে।’
রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে মস্কোর সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেড়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত জুন মাসে বিগত ২৫ বছরের মধ্যে রাশিয়ার প্রথম কোনো প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভ্লাদিমির পুতিন উত্তর কোরিয়া সফর করেন এবং দেশটির সঙ্গে একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তিও সাক্ষর করেন। তার আগে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনও রাশিয়া সফর করেছিলেন।
উল্লিখিত প্রতিরক্ষা চুক্তির আলোকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম ইয়ং-হিউন চলতি মাসের শুরুতে বলেছিলেন যে, উত্তর কোরিয়া সম্ভবত রাশিয়ান সৈন্যদের পাশাপাশি লড়াই করার জন্য ইউক্রেনে সৈন্য মোতায়েন করতে যাচ্ছে। ইউক্রেনের গণমাধ্যমগুলো চলতি মাসের অক্টোবরের শুরুতে জানিয়েছিল, কিয়েভের বাহিনী দোনেৎস্কের কাছে রাশিয়া অধিকৃত অঞ্চলে বোমা হামলার পর উত্তর কোরিয়ার বেশ কয়েকজন সৈন্য মারা গেছে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে