ডয়চে ভেলে

কসোভোর সার্বীয় অধ্যুষিত অঞ্চলে বিক্ষোভ থামাতে আরও ৭০০ সেনা মোতায়েন করেছে ন্যাটো। প্রয়োজনে আরও সেনা যেন মোতায়েন করা যায়, তার জন্য রিজার্ভ ফোর্সকে প্রস্তুত থাকতেও বলা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ন্যাটোর নতুন সেনারা ইতিমধ্যে কসোভোতে পৌঁছে গেছেন। এদিকে নিজেদের দাবি অনড় রয়েছে সার্বীয়রা। তাই আগামী কয়েক দিনে উত্তেজনা কমার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।
এর আগে আলবেনিয়ান গোষ্ঠীর মেয়র নির্বাচিত হওয়া নিয়ে শুরু হওয়া সংঘর্ষে সোমবার ও মঙ্গলবার দুই দিনে ন্যাটোর অন্তত ৩০ জন সেনা আহত হয়েছেন। এরপরই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
কসোভোর যে অঞ্চলে বিক্ষোভ চলছে, সেটি সার্বিয়া সীমান্তের কাছে। দেশটির ৯০ শতাংশ অধিবাসী আলবেনিয়ান হলেও ওই অঞ্চলটি সার্বীয় অধ্যুষিত। ২০১৩ সাল থেকে ওই অঞ্চলে নিজেরদের জন্য আলাদা পৌরসভা গঠনের দাবি করছে সার্বীয়রা। সেই দাবি কোনোভাবেই মানতে রাজি নন কসোভোর প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তি। তিনি মনে করেন, সার্বীয়দের জন্য আলাদা পৌরসভা গঠন করলে কসোভো কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে।
এরই প্রতিবাদে গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত পৌরসভার ভোট বয়কট করেন সার্বীয়রা। তাই ওই নির্বাচনে মাত্র সাড়ে তিন শতাংশ ভোট পড়ে। আর সেই ভোট পেয়ে ওই অঞ্চলের পৌরসভাগুলোতে মেয়র নির্বাচিত হন আলবেনিয়ানরা। গত সোমবার মেয়ররা পৌরসভায় বসতে গেলেই বিক্ষোভ শুরু করে সার্বীয়রা। সেই বিক্ষোভ ঠেকাতে মাঠে নামে স্থানীয় পুলিশ ও ন্যাটোর সেনারা। কসোভোতে ন্যাটোর সেনারা কসোভো ফোর্স বা সংক্ষেপে কেফোর্স বলে পরিচিত।
সোমবার সার্বীয় অধ্যুষিত এলাকায় প্রথমে স্থানীয় পুলিশ এবং পরে কেফোর্সের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের তীব্র সংঘর্ষ হয়। বিক্ষোভ দমনে পুলিশ কাঁদানে ও গ্রেনেড ছুড়েছে। এরপর সার্বীয়রাও পাল্টা আক্রমণ করে। সেই সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন কেফোর্সের জওয়ান আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ৫২ জন বিক্ষোভকারীও আহত হয়েছেন।
এখন প্রতিটি পৌরসভা কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে দিয়েছে কেফোর্সের সদস্যরা। মেয়রদেরও নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কাঁটাতারের বাইরে দাঁড়িয়েই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সার্বীয়রা।
এ দিকে সার্বীয়দের বয়কটের পরও এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হওয়া পৌরসভা নির্বাচনকে ‘অন্যায়’ বলে অভিহিত করেছেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্দার ভুসিক। তিনি সার্বীয়দের দাবি পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন।

কসোভোর সার্বীয় অধ্যুষিত অঞ্চলে বিক্ষোভ থামাতে আরও ৭০০ সেনা মোতায়েন করেছে ন্যাটো। প্রয়োজনে আরও সেনা যেন মোতায়েন করা যায়, তার জন্য রিজার্ভ ফোর্সকে প্রস্তুত থাকতেও বলা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ন্যাটোর নতুন সেনারা ইতিমধ্যে কসোভোতে পৌঁছে গেছেন। এদিকে নিজেদের দাবি অনড় রয়েছে সার্বীয়রা। তাই আগামী কয়েক দিনে উত্তেজনা কমার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।
এর আগে আলবেনিয়ান গোষ্ঠীর মেয়র নির্বাচিত হওয়া নিয়ে শুরু হওয়া সংঘর্ষে সোমবার ও মঙ্গলবার দুই দিনে ন্যাটোর অন্তত ৩০ জন সেনা আহত হয়েছেন। এরপরই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
কসোভোর যে অঞ্চলে বিক্ষোভ চলছে, সেটি সার্বিয়া সীমান্তের কাছে। দেশটির ৯০ শতাংশ অধিবাসী আলবেনিয়ান হলেও ওই অঞ্চলটি সার্বীয় অধ্যুষিত। ২০১৩ সাল থেকে ওই অঞ্চলে নিজেরদের জন্য আলাদা পৌরসভা গঠনের দাবি করছে সার্বীয়রা। সেই দাবি কোনোভাবেই মানতে রাজি নন কসোভোর প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তি। তিনি মনে করেন, সার্বীয়দের জন্য আলাদা পৌরসভা গঠন করলে কসোভো কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে।
এরই প্রতিবাদে গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত পৌরসভার ভোট বয়কট করেন সার্বীয়রা। তাই ওই নির্বাচনে মাত্র সাড়ে তিন শতাংশ ভোট পড়ে। আর সেই ভোট পেয়ে ওই অঞ্চলের পৌরসভাগুলোতে মেয়র নির্বাচিত হন আলবেনিয়ানরা। গত সোমবার মেয়ররা পৌরসভায় বসতে গেলেই বিক্ষোভ শুরু করে সার্বীয়রা। সেই বিক্ষোভ ঠেকাতে মাঠে নামে স্থানীয় পুলিশ ও ন্যাটোর সেনারা। কসোভোতে ন্যাটোর সেনারা কসোভো ফোর্স বা সংক্ষেপে কেফোর্স বলে পরিচিত।
সোমবার সার্বীয় অধ্যুষিত এলাকায় প্রথমে স্থানীয় পুলিশ এবং পরে কেফোর্সের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের তীব্র সংঘর্ষ হয়। বিক্ষোভ দমনে পুলিশ কাঁদানে ও গ্রেনেড ছুড়েছে। এরপর সার্বীয়রাও পাল্টা আক্রমণ করে। সেই সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন কেফোর্সের জওয়ান আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ৫২ জন বিক্ষোভকারীও আহত হয়েছেন।
এখন প্রতিটি পৌরসভা কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে দিয়েছে কেফোর্সের সদস্যরা। মেয়রদেরও নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কাঁটাতারের বাইরে দাঁড়িয়েই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সার্বীয়রা।
এ দিকে সার্বীয়দের বয়কটের পরও এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হওয়া পৌরসভা নির্বাচনকে ‘অন্যায়’ বলে অভিহিত করেছেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্দার ভুসিক। তিনি সার্বীয়দের দাবি পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছেন।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৮ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৯ ঘণ্টা আগে