আজকের পত্রিকা ডেস্ক

নেদারল্যান্ডসে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বৈধ গাঁজা উৎপাদন কেন্দ্রকে তীব্র গন্ধ নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পরিবেশ সংস্থা জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গন্ধ কমাতে না পারে, তবে জরিমানা কিংবা স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সিএনএন জানিয়েছে, ‘ক্যানআডেলার’ কোম্পানি পরিচালিত এই ফার্মটি নেদারল্যান্ডসের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর রটারডামের পশ্চিমে অবস্থিত। ২০২৩ সালে সরকারি অনুমোদনের আওতায় কয়েকটি কোম্পানিকে কঠোর শর্তে গাঁজা চাষের অনুমতি দেওয়া হয়। তারই অংশ হিসেবে এই বিশাল ফার্মটি চালু হয়। তবে উদ্বোধনের পর থেকেই পার্শ্ববর্তী শত শত বাসিন্দার কাছ থেকে গন্ধজনিত অভিযোগ জমা পড়তে থাকে।
পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা ডিসিএমআর জানিয়েছে, চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৩০০ বাসিন্দার কাছ থেকে মোট দুই হাজারের বেশি অভিযোগ এসেছে। সংস্থার পরিদর্শকেরা একাধিকবার ওই ফার্মে গিয়ে গন্ধজনিত সমস্যা পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং তাঁরা দেখেছেন—প্রতিষ্ঠানটি সব সময় নিয়ম মানছে না। ফলে স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষ গন্ধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ বিধি জারি করেছে।
গতকাল বুধবার রটারডামের আদালত প্রাথমিক রায়ে জানান, বিধিগুলো বহাল থাকবে এবং কোম্পানিকে এক সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। আদালত আরও উল্লেখ করেন, ২০২৩ সাল থেকে গন্ধের সমস্যা গুরুতর আকারে বিরাজ করছে এবং ক্যানআডেলার যে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা স্বল্প সময়ে পর্যাপ্ত উন্নতি আনবে কি না, সেই বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে।
বিধি না মানলে কোম্পানির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৪১ লাখ ডলার পর্যন্ত জরিমানা আরোপ হতে পারে। কোম্পানিটির পরিচালক নেদারল্যান্ডসের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনওএসকে বলেছেন, ‘আমরা চলতি মাসের শুরু থেকে এয়ার ফিল্টার বসানো শুরু করেছি এবং আরও বসানো হবে। আমরা সমস্যার সমাধানের পথে আছি বলে বিশ্বাস করি।’
ক্যানআডেলার বর্তমানে নেদারল্যান্ডসের সবচেয়ে বড় বৈধ গাঁজা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের গ্রিনহাউস কমপ্লেক্সের আয়তন প্রায় সাতটি ফুটবল মাঠের সমান বলে এনওএস জানিয়েছে।

নেদারল্যান্ডসে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বৈধ গাঁজা উৎপাদন কেন্দ্রকে তীব্র গন্ধ নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পরিবেশ সংস্থা জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গন্ধ কমাতে না পারে, তবে জরিমানা কিংবা স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সিএনএন জানিয়েছে, ‘ক্যানআডেলার’ কোম্পানি পরিচালিত এই ফার্মটি নেদারল্যান্ডসের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর রটারডামের পশ্চিমে অবস্থিত। ২০২৩ সালে সরকারি অনুমোদনের আওতায় কয়েকটি কোম্পানিকে কঠোর শর্তে গাঁজা চাষের অনুমতি দেওয়া হয়। তারই অংশ হিসেবে এই বিশাল ফার্মটি চালু হয়। তবে উদ্বোধনের পর থেকেই পার্শ্ববর্তী শত শত বাসিন্দার কাছ থেকে গন্ধজনিত অভিযোগ জমা পড়তে থাকে।
পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা ডিসিএমআর জানিয়েছে, চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৩০০ বাসিন্দার কাছ থেকে মোট দুই হাজারের বেশি অভিযোগ এসেছে। সংস্থার পরিদর্শকেরা একাধিকবার ওই ফার্মে গিয়ে গন্ধজনিত সমস্যা পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং তাঁরা দেখেছেন—প্রতিষ্ঠানটি সব সময় নিয়ম মানছে না। ফলে স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষ গন্ধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ বিধি জারি করেছে।
গতকাল বুধবার রটারডামের আদালত প্রাথমিক রায়ে জানান, বিধিগুলো বহাল থাকবে এবং কোম্পানিকে এক সপ্তাহের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। আদালত আরও উল্লেখ করেন, ২০২৩ সাল থেকে গন্ধের সমস্যা গুরুতর আকারে বিরাজ করছে এবং ক্যানআডেলার যে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা স্বল্প সময়ে পর্যাপ্ত উন্নতি আনবে কি না, সেই বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে।
বিধি না মানলে কোম্পানির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৪১ লাখ ডলার পর্যন্ত জরিমানা আরোপ হতে পারে। কোম্পানিটির পরিচালক নেদারল্যান্ডসের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনওএসকে বলেছেন, ‘আমরা চলতি মাসের শুরু থেকে এয়ার ফিল্টার বসানো শুরু করেছি এবং আরও বসানো হবে। আমরা সমস্যার সমাধানের পথে আছি বলে বিশ্বাস করি।’
ক্যানআডেলার বর্তমানে নেদারল্যান্ডসের সবচেয়ে বড় বৈধ গাঁজা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের গ্রিনহাউস কমপ্লেক্সের আয়তন প্রায় সাতটি ফুটবল মাঠের সমান বলে এনওএস জানিয়েছে।

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োয়েরি মুসেভেনির সমর্থকদের কাছে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তাঁর বিপুল বিজয় ৪০ বছরের শাসনেরই এক ধরনের স্বীকৃতি। নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ৭২ শতাংশ ভোট। এটি তাঁর সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোটের কাছাকাছি। ১৯৯৬ সালে উগান্ডার প্রথম সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ৭৪ শতাংশ ভোট।
১০ মিনিট আগে
ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৪ ঘণ্টা আগে