আজকের পত্রিকা ডেস্ক

আগামী চার দিনের মধ্যে ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসতে চান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আলোচনার সম্ভাব্য ভেন্যু তুরস্কের ইস্তাম্বুল। গতকাল শনিবার, রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছেন খোদ পুতিন। জানান, ইউক্রেনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় রাশিয়া প্রস্তুত। আর দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব আলোচনায় বসা উচিত।
রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করতে চাই। এই সংঘাতের আসল কারণ কী—সেটি খুঁজে বের করে তা সমাধানে এগিয়ে যেতে চাই। দীর্ঘস্থায়ী শান্তি চাই আমরা। চলতি মাসের ১৫ তারিখের আগেই আলোচনায় বসতে চাই।’
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁসহ অন্য ইউরোপীয় নেতাদের রাশিয়া সফরের কয়েক ঘণ্টা পরই এল পুতিনের এমন ঘোষণা। রাশিয়াকে ৩০ দিনের নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় নেতারা। অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে ক্রেমলিনের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক ছিল না। ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে চিন্তা করবে মস্কো। তবে, চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করলে কোনো লাভ হবে না।’
পেসকভের উদ্ধৃতি দিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের বক্তব্যকে ‘আগ্রাসী’ অভিহিত করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বলা হয়, তাঁদের এই বক্তব্য রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের কোনো চেষ্টার প্রতিফলন নয়।
আজ রোববার, পুতিন জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির আলোচনা নিয়ে তুর্কি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে শিগগিরই বিস্তারিত আলোচনা করবেন তিনি। তবে, এ ইস্যুতে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি কিয়েভ।
শনিবার পুতিনের সঙ্গে আলোচনার পর ওই দিনই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে কিয়েভ যান ইউরোপীয় নেতাদের ‘কোয়ালিশন অব উইলিং’ জোটের বেশ কয়েকজন সদস্য। রাশিয়ার বিজয় দিবস উদ্যাপনে মস্কোতে চীনের প্রেসিডেন্টসহ বেশ কয়েকটি মিত্র দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ করেছিলেন পুতিন। এর জবাবে আন্তর্জাতিক সমর্থনের শক্তি প্রদর্শনে ইউরোপীয় নেতাদের কিয়েভে আমন্ত্রণ জানান জেলেনস্কি।
বৈঠক শেষে ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও পোল্যান্ডের নেতারা। সেখানে তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পুতিন যদি জল, স্থল ও আকাশপথে ৩০ দিনের নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হন, তাহলে রাশিয়ার জ্বালানি ও ব্যাংক খাতে নতুন করে বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
তাঁরা জানান, এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। পরে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানান, তাঁদের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি যে মানতে হবে সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

আগামী চার দিনের মধ্যে ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসতে চান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আলোচনার সম্ভাব্য ভেন্যু তুরস্কের ইস্তাম্বুল। গতকাল শনিবার, রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছেন খোদ পুতিন। জানান, ইউক্রেনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় রাশিয়া প্রস্তুত। আর দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব আলোচনায় বসা উচিত।
রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করতে চাই। এই সংঘাতের আসল কারণ কী—সেটি খুঁজে বের করে তা সমাধানে এগিয়ে যেতে চাই। দীর্ঘস্থায়ী শান্তি চাই আমরা। চলতি মাসের ১৫ তারিখের আগেই আলোচনায় বসতে চাই।’
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁসহ অন্য ইউরোপীয় নেতাদের রাশিয়া সফরের কয়েক ঘণ্টা পরই এল পুতিনের এমন ঘোষণা। রাশিয়াকে ৩০ দিনের নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় নেতারা। অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে ক্রেমলিনের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক ছিল না। ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে চিন্তা করবে মস্কো। তবে, চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করলে কোনো লাভ হবে না।’
পেসকভের উদ্ধৃতি দিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের বক্তব্যকে ‘আগ্রাসী’ অভিহিত করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বলা হয়, তাঁদের এই বক্তব্য রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের কোনো চেষ্টার প্রতিফলন নয়।
আজ রোববার, পুতিন জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির আলোচনা নিয়ে তুর্কি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে শিগগিরই বিস্তারিত আলোচনা করবেন তিনি। তবে, এ ইস্যুতে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি কিয়েভ।
শনিবার পুতিনের সঙ্গে আলোচনার পর ওই দিনই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে কিয়েভ যান ইউরোপীয় নেতাদের ‘কোয়ালিশন অব উইলিং’ জোটের বেশ কয়েকজন সদস্য। রাশিয়ার বিজয় দিবস উদ্যাপনে মস্কোতে চীনের প্রেসিডেন্টসহ বেশ কয়েকটি মিত্র দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ করেছিলেন পুতিন। এর জবাবে আন্তর্জাতিক সমর্থনের শক্তি প্রদর্শনে ইউরোপীয় নেতাদের কিয়েভে আমন্ত্রণ জানান জেলেনস্কি।
বৈঠক শেষে ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও পোল্যান্ডের নেতারা। সেখানে তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পুতিন যদি জল, স্থল ও আকাশপথে ৩০ দিনের নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হন, তাহলে রাশিয়ার জ্বালানি ও ব্যাংক খাতে নতুন করে বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
তাঁরা জানান, এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। পরে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানান, তাঁদের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি যে মানতে হবে সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
৪ ঘণ্টা আগে