
ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোয় ২০২৪-এ বাংলাদেশিদের আশ্রয় প্রার্থনা করে আবেদনের রেকর্ড হয়েছে। যদিও তাঁদের সিংহভাগ আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আবেদনের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলামের (ইইউএএ) ওয়েবসাইটে গতকাল সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইইউএএ বলছে, গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইইউর দেশগুলোয় ২৩ হাজার ৩ জন বাংলাদেশি আশ্রয় আবেদন করেন। আর জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করেন ২০ হাজার ২৩৩ জন বাংলাদেশি। ২০২৩ সালে প্রায় ৪০ হাজার ৩৩২ জন বাংলাদেশি ইউরোপে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। ওই বছরের তুলনায় ২০২৪ সালে আবেদনের হার প্রায় ৭ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে।
ইইউএএর পরিসংখ্যানে ২০২৪ সালে ইইউ প্লাস দেশগুলোয় সর্বাধিকসংখ্যক ৪৩ হাজার ২৩৬ জন বাংলাদেশি আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, যা একটি রেকর্ড। এর মধ্যে শুধু ইতালিতেই জমা পড়েছে ৩৩ হাজার ৪৫৫টি আবেদন। সে হিসাবে ইইউ প্লাস অঞ্চলে করা বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদনের প্রায় ৭৭ শতাংশই জমা পড়েছে এই ইতালিতেই। ২০২৩ সালে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা ছিল ২৩ হাজার ৪৪৮। ২০২৪ সালে ইতালির পর বাংলাদেশিদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ আশ্রয় আবেদন জমা পড়েছে ফ্রান্স ও আয়ারল্যান্ডে।
গত বছর ইইউ প্লাস দেশগুলোয় বাংলাদেশিদের মোট আবেদনের প্রায় ১৫ শতাংশ করা হয়েছে ফ্রান্সে। দেশটিতে মোট ৬ হাজার ৪২৯ জন বাংলাদেশি আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। এ ছাড়া গত বছর আয়ারল্যান্ডে ১ হাজার ৬ জন বাংলাদেশি আশ্রয় আবেদন করেছিলেন।
ইইউএএর পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে ইউরোপের দেশগুলোয় বাংলাদেশিদের করা আশ্রয় আবেদনের প্রায় ৪৭ হাজার ৭৭৮টি নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। ওই বছর প্রায় ১ হাজার ৯৮৯ জন বাংলাদেশি তাঁদের আশ্রয় আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। ২০২৪ সালে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন স্বীকৃতির হার ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ।
ইউরোপে আশ্রয় আবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবার ওপরে রয়েছে আফগানিস্তান। দেশটির প্রায় ৮৭ হাজার ৩৮২ নাগরিক গত বছর ইইউ প্লাস দেশগুলোয় আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পর আশ্রয় আবেদনে তৃতীয় অবস্থানে ছিল পাকিস্তান। ২০২৪ সালে প্রায় ২৩ হাজার ২৪০ পাকিস্তানি নাগরিক ইউরোপে আশ্রয়ের আবেদন করেন।
ইইউএএ বলেছে, ২০২৪ সালে প্রাপ্ত সব আবেদনের প্রায় অর্ধেকই (৪৮ শতাংশ) নাগরিকত্বের জন্য করা ছিল; যার স্বীকৃতির হার ২০ শতাংশের কম। এই গোষ্ঠীর মধ্যে বাংলাদেশ, মরক্কো ও তিউনিসিয়ার নাগরিকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোয় ২০২৪-এ বাংলাদেশিদের আশ্রয় প্রার্থনা করে আবেদনের রেকর্ড হয়েছে। যদিও তাঁদের সিংহভাগ আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আবেদনের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলামের (ইইউএএ) ওয়েবসাইটে গতকাল সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইইউএএ বলছে, গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইইউর দেশগুলোয় ২৩ হাজার ৩ জন বাংলাদেশি আশ্রয় আবেদন করেন। আর জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করেন ২০ হাজার ২৩৩ জন বাংলাদেশি। ২০২৩ সালে প্রায় ৪০ হাজার ৩৩২ জন বাংলাদেশি ইউরোপে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। ওই বছরের তুলনায় ২০২৪ সালে আবেদনের হার প্রায় ৭ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে।
ইইউএএর পরিসংখ্যানে ২০২৪ সালে ইইউ প্লাস দেশগুলোয় সর্বাধিকসংখ্যক ৪৩ হাজার ২৩৬ জন বাংলাদেশি আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, যা একটি রেকর্ড। এর মধ্যে শুধু ইতালিতেই জমা পড়েছে ৩৩ হাজার ৪৫৫টি আবেদন। সে হিসাবে ইইউ প্লাস অঞ্চলে করা বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদনের প্রায় ৭৭ শতাংশই জমা পড়েছে এই ইতালিতেই। ২০২৩ সালে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা ছিল ২৩ হাজার ৪৪৮। ২০২৪ সালে ইতালির পর বাংলাদেশিদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ আশ্রয় আবেদন জমা পড়েছে ফ্রান্স ও আয়ারল্যান্ডে।
গত বছর ইইউ প্লাস দেশগুলোয় বাংলাদেশিদের মোট আবেদনের প্রায় ১৫ শতাংশ করা হয়েছে ফ্রান্সে। দেশটিতে মোট ৬ হাজার ৪২৯ জন বাংলাদেশি আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। এ ছাড়া গত বছর আয়ারল্যান্ডে ১ হাজার ৬ জন বাংলাদেশি আশ্রয় আবেদন করেছিলেন।
ইইউএএর পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে ইউরোপের দেশগুলোয় বাংলাদেশিদের করা আশ্রয় আবেদনের প্রায় ৪৭ হাজার ৭৭৮টি নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। ওই বছর প্রায় ১ হাজার ৯৮৯ জন বাংলাদেশি তাঁদের আশ্রয় আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। ২০২৪ সালে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন স্বীকৃতির হার ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ।
ইউরোপে আশ্রয় আবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবার ওপরে রয়েছে আফগানিস্তান। দেশটির প্রায় ৮৭ হাজার ৩৮২ নাগরিক গত বছর ইইউ প্লাস দেশগুলোয় আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পর আশ্রয় আবেদনে তৃতীয় অবস্থানে ছিল পাকিস্তান। ২০২৪ সালে প্রায় ২৩ হাজার ২৪০ পাকিস্তানি নাগরিক ইউরোপে আশ্রয়ের আবেদন করেন।
ইইউএএ বলেছে, ২০২৪ সালে প্রাপ্ত সব আবেদনের প্রায় অর্ধেকই (৪৮ শতাংশ) নাগরিকত্বের জন্য করা ছিল; যার স্বীকৃতির হার ২০ শতাংশের কম। এই গোষ্ঠীর মধ্যে বাংলাদেশ, মরক্কো ও তিউনিসিয়ার নাগরিকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

গাজা উপত্যকায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের আবহের মধ্যেই ২০২৫ সালে ৬৯ হাজারেরও বেশি নাগরিক দেশ ছেড়েছেন। গতকাল বুধবার প্রকাশিত এক বার্ষিক প্রতিবেদনে দেশটির কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (সিবিএস) জানিয়েছে, এর ফলে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ইসরায়েলে অভিবাসনের ভারসাম্য ঋণাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম এই শহরের প্রথম মুসলিম এবং কয়েক প্রজন্মের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবে ইতিহাস গড়লেন। আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র কোরআন ছুঁয়ে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাবাসীর জন্য সবটুকু আশার আলো যেন নিভে যেতে বসেছে। উপত্যকার কয়েক ডজন আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল, যা ওই অঞ্চলে জীবন রক্ষাকারী মানবিক কার্যক্রমকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গতকাল বুধবার জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা থেকে তাঁর দেশ আর মাত্র ‘১০ শতাংশ’ দূরে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো অমীমাংসিত এবং মস্কোকে পুরস্কৃত করার বিরুদ্ধেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে