
ইউরোপে বিভিন্ন দেশে সাইবার হামলায় ইন্টারনেট সেবা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার ব্যবহারকারী। এ ছাড়া সম্মিলিতভাবে ১১ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিভিন্ন দেশের সাড়ে ৫ হাজারেও অধিক বায়ু কল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের অংশ হিসেবে একটি সম্ভাব্য সাইবার হামলার আশঙ্কা করেছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। গত শুক্রবার এই হামলা হয়। এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ফ্রান্সের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান অরেঞ্জের মতে, ফ্রান্সে তাঁদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান নর্ডনেটের প্রায় ৯ হাজার গ্রাহক গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মার্কিন স্যাটেলাইট অপারেটর ভায়স্যাটে সাইবার হামলার পর থেকেই ইন্টারনেট ছাড়াই রয়েছে। অন্য একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিগব্লু স্যাটেলাইটের মূল প্রতিষ্ঠান ইউটেলস্যাট শুক্রবার এএফপিকে নিশ্চিত করেছে, ইউরোপে জার্মানি, ফ্রান্স, হাঙ্গেরি, গ্রিস, ইতালি ও পোল্যান্ডে বিগব্লুর ৪ লাখ গ্রাহকের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ভায়াস্যাটে সাইবার হামলার কারণে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল।
এ দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন ভায়াস্যাট বুধবার সাইবার হামলার বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছে, তাঁদের কেএ-স্যাট স্যাটেলাইটের ওপর সাইবার হামলার কারণে ইউরোপে ইউক্রেন ও অন্যান্য দেশে গ্রাহকদের ‘আংশিক নেটওয়ার্ক বিভ্রাট’ সৃষ্টি করেছিল। ভায়াস্যাট এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে বলেছে, পুলিশ ও রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে, তদন্ত চলছে।
এ দিকে ফ্রান্সের স্পেস কমান্ডের প্রধান জেনারেল মিশেল ফ্রিডলিং সাইবার হামলার বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছেন, ‘ইউক্রেনে সামরিক হামলার পরপরই আমাদের একটি স্যাটেলাইট যেটি বিশেষভাবে ইউক্রেনে ইন্টারনেট সেবার জন্য নিয়োজিত সেটিতে সাইবার হামলা হয়েছিল। হামলায় স্যাটেলাইটটির হাজার হাজার টার্মিনাল অকার্যকর হয়ে পড়ে।’
মিশেল ফ্রিডলিং আরও বলেন, এই সাইবার হামলার ফলে অন্তত ১১ গিগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন জার্মানি ও মধ্য ইউরোপে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ উইন্ডমিলের টারবাইন অচল করে দিয়েছিল।
তবে ইউরোপের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এখনো প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করতে পারেনি।

ইউরোপে বিভিন্ন দেশে সাইবার হামলায় ইন্টারনেট সেবা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার ব্যবহারকারী। এ ছাড়া সম্মিলিতভাবে ১১ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিভিন্ন দেশের সাড়ে ৫ হাজারেও অধিক বায়ু কল চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের অংশ হিসেবে একটি সম্ভাব্য সাইবার হামলার আশঙ্কা করেছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। গত শুক্রবার এই হামলা হয়। এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ফ্রান্সের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান অরেঞ্জের মতে, ফ্রান্সে তাঁদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান নর্ডনেটের প্রায় ৯ হাজার গ্রাহক গত ২৪ ফেব্রুয়ারি মার্কিন স্যাটেলাইট অপারেটর ভায়স্যাটে সাইবার হামলার পর থেকেই ইন্টারনেট ছাড়াই রয়েছে। অন্য একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিগব্লু স্যাটেলাইটের মূল প্রতিষ্ঠান ইউটেলস্যাট শুক্রবার এএফপিকে নিশ্চিত করেছে, ইউরোপে জার্মানি, ফ্রান্স, হাঙ্গেরি, গ্রিস, ইতালি ও পোল্যান্ডে বিগব্লুর ৪ লাখ গ্রাহকের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ভায়াস্যাটে সাইবার হামলার কারণে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল।
এ দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন ভায়াস্যাট বুধবার সাইবার হামলার বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছে, তাঁদের কেএ-স্যাট স্যাটেলাইটের ওপর সাইবার হামলার কারণে ইউরোপে ইউক্রেন ও অন্যান্য দেশে গ্রাহকদের ‘আংশিক নেটওয়ার্ক বিভ্রাট’ সৃষ্টি করেছিল। ভায়াস্যাট এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে বলেছে, পুলিশ ও রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে, তদন্ত চলছে।
এ দিকে ফ্রান্সের স্পেস কমান্ডের প্রধান জেনারেল মিশেল ফ্রিডলিং সাইবার হামলার বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছেন, ‘ইউক্রেনে সামরিক হামলার পরপরই আমাদের একটি স্যাটেলাইট যেটি বিশেষভাবে ইউক্রেনে ইন্টারনেট সেবার জন্য নিয়োজিত সেটিতে সাইবার হামলা হয়েছিল। হামলায় স্যাটেলাইটটির হাজার হাজার টার্মিনাল অকার্যকর হয়ে পড়ে।’
মিশেল ফ্রিডলিং আরও বলেন, এই সাইবার হামলার ফলে অন্তত ১১ গিগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন জার্মানি ও মধ্য ইউরোপে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ উইন্ডমিলের টারবাইন অচল করে দিয়েছিল।
তবে ইউরোপের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এখনো প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করতে পারেনি।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
৩৭ মিনিট আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৩ ঘণ্টা আগে