ডয়চে ভেলে

প্যারিসের রাস্তায় হলুদ মার্সিডিজ চালাচ্ছিলেন নাহেল এম নামের এক কিশোর। ট্র্যাফিক আইন ভাঙার অভিযোগে পুলিশ তাকে খুব কাছ থেকে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ওই কিশোর। এরপর গতকাল বুধবার থেকে শুরু হয় প্রতিবাদ। বর্তমানে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে পড়েছে গোটা ফ্রান্স।
প্যারিসের শহরতলিতে রাস্তায় নেমে মানুষ নোংরা ফেলার বিনগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয়। একটি জায়গায় বাসেও আগুন লাগানো হয়। একটি শহরে বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ গেলে তাদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়।
এরপর বিক্ষোভ ছড়াতে থাকে। শুধু প্যারিস নয়, ফ্রান্সের অনেক শহরে রাস্তায় নেমে পড়ে বিক্ষোভকারীরা। ২৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্যারিসে দুই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কী হয়েছিল সেদিন?
পুলিশ প্রথমে জানিয়েছিল, ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর পুলিশের এক অফিসারকে লক্ষ্য করে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল। তাকে থামানোর জন্য গুলি চালানো হয়। এতে মারা যায় ওই কিশোর।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। তাতে দেখা যায়, গাড়ি থেমে আছে। দুই পুলিশ ওই গাড়ির পাশে। একজন রিভলবার তাক করে আছেন। একটা গলার আওয়াজ ভেসে আসে, ‘মাথায় গুলি করব।’ গাড়ি নিয়ে ডেলিভারি ড্রাইভার কিশোর নাহেল পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ গুলি চালালে সে মারা যায়।
নিন্দার ঝড়
ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাখোঁ বলেছেন, ‘এ ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এটা ক্ষমার অযোগ্য। কিশোরের এই মৃত্যুকে কোনো যুক্তি দিয়েই ব্যাখ্যা করা যাবে না।’
ফুটবল সুপারস্টার কিলায়ান এমবাপ্পে এই ঘটনায় দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, পুলিশ যেন মাথা ঠান্ডা রাখে। ফরাসি প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টে বলেছেন, পুলিশ আইন মানেনি।
কাঠগড়ায় পুলিশ
এ ঘটনার পর ফ্রান্সের পুলিশকে আবার কাঠগড়ায় তুলছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা বেশ কিছুদিন ধরেই বলে আসছে, শহরতলির নিম্ন আয়ের মানুষ এবং সংখ্যালঘুদের ওপর পুলিশের আচরণ একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়।
গত বছর ট্র্যাফিক চেকে না থামার অপরাধে ১৩ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ। ২০১৭ সালে পুলিশকে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে। পুলিশকে এই অনুমতি দেওয়া ঠিক হয়েছে কি না, তা নিয়ে ফ্রান্সে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

প্যারিসের রাস্তায় হলুদ মার্সিডিজ চালাচ্ছিলেন নাহেল এম নামের এক কিশোর। ট্র্যাফিক আইন ভাঙার অভিযোগে পুলিশ তাকে খুব কাছ থেকে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ওই কিশোর। এরপর গতকাল বুধবার থেকে শুরু হয় প্রতিবাদ। বর্তমানে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে পড়েছে গোটা ফ্রান্স।
প্যারিসের শহরতলিতে রাস্তায় নেমে মানুষ নোংরা ফেলার বিনগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয়। একটি জায়গায় বাসেও আগুন লাগানো হয়। একটি শহরে বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ গেলে তাদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়।
এরপর বিক্ষোভ ছড়াতে থাকে। শুধু প্যারিস নয়, ফ্রান্সের অনেক শহরে রাস্তায় নেমে পড়ে বিক্ষোভকারীরা। ২৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্যারিসে দুই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কী হয়েছিল সেদিন?
পুলিশ প্রথমে জানিয়েছিল, ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর পুলিশের এক অফিসারকে লক্ষ্য করে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল। তাকে থামানোর জন্য গুলি চালানো হয়। এতে মারা যায় ওই কিশোর।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। তাতে দেখা যায়, গাড়ি থেমে আছে। দুই পুলিশ ওই গাড়ির পাশে। একজন রিভলবার তাক করে আছেন। একটা গলার আওয়াজ ভেসে আসে, ‘মাথায় গুলি করব।’ গাড়ি নিয়ে ডেলিভারি ড্রাইভার কিশোর নাহেল পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ গুলি চালালে সে মারা যায়।
নিন্দার ঝড়
ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাখোঁ বলেছেন, ‘এ ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এটা ক্ষমার অযোগ্য। কিশোরের এই মৃত্যুকে কোনো যুক্তি দিয়েই ব্যাখ্যা করা যাবে না।’
ফুটবল সুপারস্টার কিলায়ান এমবাপ্পে এই ঘটনায় দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, পুলিশ যেন মাথা ঠান্ডা রাখে। ফরাসি প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টে বলেছেন, পুলিশ আইন মানেনি।
কাঠগড়ায় পুলিশ
এ ঘটনার পর ফ্রান্সের পুলিশকে আবার কাঠগড়ায় তুলছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা বেশ কিছুদিন ধরেই বলে আসছে, শহরতলির নিম্ন আয়ের মানুষ এবং সংখ্যালঘুদের ওপর পুলিশের আচরণ একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়।
গত বছর ট্র্যাফিক চেকে না থামার অপরাধে ১৩ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ। ২০১৭ সালে পুলিশকে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে। পুলিশকে এই অনুমতি দেওয়া ঠিক হয়েছে কি না, তা নিয়ে ফ্রান্সে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের মতো গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ভারতের বিজেপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার আহ্বান জানিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছেন ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোকদলের (আইএনএলডি) প্রধান অভয় সিং চৌতালা।
৪৪ মিনিট আগে
আইপিএল ২০২৬ মৌসুমের জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেওয়ায় ভারতে বিতর্ক তুঙ্গে। শিবসেনার পর অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশনের প্রধান ইমাম উমর আহমেদ ইলিয়াসি এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আকাশ ফুঁড়ে উঠছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। সেখানে অবস্থানরত আল–জাজিরার প্রতিনিধি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটল।
১ ঘণ্টা আগে
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ—আইপিএলের ২০২৬ সিজনের জন্য শাহরুখ খানের মালিকানাধীন কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) দলে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির পক্ষ নিয়েছেন কংগ্রেস এমপি শশী থারুর।
১ ঘণ্টা আগে