
ইউরোপে পা রাখার স্বপ্ন নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন মা। তাঁর গর্ভে ছিল সন্তান। সন্তানকে উন্নত দেশে বড় করতে চাইছিলেন। কিন্তু ইউরোপে পৌঁছানোর আগেই ভূমধ্যসাগরে একটি নৌকার মধ্যে সন্তান প্রসব হয় ওই নারীর। কিন্তু অনেক চেষ্টাতেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
এ বিষয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৌকার মধ্যে সন্তানের জন্ম দেওয়া শিশুটির মা উত্তর আফ্রিকার কোনো দেশ থেকে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন। আজ শনিবার তাঁকেসহ অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশী বোঝাই নৌকাটি ইতালিয়ান দ্বীপ ল্যাম্পেদুসায় গিয়ে পৌঁছায়। পরে ইতালিয়ান কোস্টগার্ড মৃত শিশুটিকে নৌকা থেকে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে সর্বপ্রথম খবর প্রকাশ করা এএনএসএ জানিয়েছে, যে নৌকাটিতে মৃত শিশুটিকে পাওয়া গেছে সেই নৌকায় অন্তত ৪০ জন অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশী ছিলেন। ছোট্ট ওই নৌকাটিতে ঠ্যাসাঠেসি করে থাকা মানুষের মধ্যেই প্রসব ব্যথা শুরু হয় মায়ের। একপর্যায়ে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় তাঁর। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। জন্মের কিছু সময় পরই তার মৃত্যু হয়।
বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি জাহাজ নৌকাটিকে উদ্ধারের পর মৃত শিশুটিকে একটি কফিনের মধ্যে রাখা হয়। পরে সেই কফিনটি দ্বীপের সমাধি ক্ষেত্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
নৌকায় শিশুর জন্ম ও মৃত্যুর বিষয়ে ইতালিয়ান বিশপ কনফারেন্সের সভাপতি মাত্তেও মারিয়া জুপ্পি বলেন, ‘এটা একটা ট্র্যাজেডি! ছোট-বড় সবাই প্রাণ হারাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢেউ কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে অবশ্যই মনে রাখা উচিত যে, বিপদগ্রস্ত ও সন্ত্রস্ত মানুষকে আমাদের বাঁচাতে হবে।’
ইতালিয়ান গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত সপ্তাহেও উত্তর আফ্রিকার অভিবাসনপ্রত্যাশী বোঝাই একটি নৌকা থেকে ল্যাম্পেদুসা দ্বীপের কাছাকাছি পৌঁছালে উদ্ধার অভিযানের সময় পাঁচ মাস বয়সী একটি শিশু পানিতে পড়ে তলিয়ে যায়।
চলিত বছর এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২৬ হাজার অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশী ইতালিতে পৌঁছেছে। গত বছরের এই সময়টির সঙ্গে তুলনা করলে এবার দ্বিগুণ মানুষ পা রেখেছে দেশটিতে। সমুদ্রপথে অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢলে বর্তমানে নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে ল্যাম্পেদুসা দ্বীপে। শুধু গত সপ্তাহেই এই দ্বীপে সাত হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী পৌঁছেছে, যা কি না দ্বীপের মোট বাসিন্দার দ্বিগুণ।

ইউরোপে পা রাখার স্বপ্ন নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন মা। তাঁর গর্ভে ছিল সন্তান। সন্তানকে উন্নত দেশে বড় করতে চাইছিলেন। কিন্তু ইউরোপে পৌঁছানোর আগেই ভূমধ্যসাগরে একটি নৌকার মধ্যে সন্তান প্রসব হয় ওই নারীর। কিন্তু অনেক চেষ্টাতেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
এ বিষয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৌকার মধ্যে সন্তানের জন্ম দেওয়া শিশুটির মা উত্তর আফ্রিকার কোনো দেশ থেকে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন। আজ শনিবার তাঁকেসহ অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশী বোঝাই নৌকাটি ইতালিয়ান দ্বীপ ল্যাম্পেদুসায় গিয়ে পৌঁছায়। পরে ইতালিয়ান কোস্টগার্ড মৃত শিশুটিকে নৌকা থেকে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে সর্বপ্রথম খবর প্রকাশ করা এএনএসএ জানিয়েছে, যে নৌকাটিতে মৃত শিশুটিকে পাওয়া গেছে সেই নৌকায় অন্তত ৪০ জন অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশী ছিলেন। ছোট্ট ওই নৌকাটিতে ঠ্যাসাঠেসি করে থাকা মানুষের মধ্যেই প্রসব ব্যথা শুরু হয় মায়ের। একপর্যায়ে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় তাঁর। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। জন্মের কিছু সময় পরই তার মৃত্যু হয়।
বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি জাহাজ নৌকাটিকে উদ্ধারের পর মৃত শিশুটিকে একটি কফিনের মধ্যে রাখা হয়। পরে সেই কফিনটি দ্বীপের সমাধি ক্ষেত্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
নৌকায় শিশুর জন্ম ও মৃত্যুর বিষয়ে ইতালিয়ান বিশপ কনফারেন্সের সভাপতি মাত্তেও মারিয়া জুপ্পি বলেন, ‘এটা একটা ট্র্যাজেডি! ছোট-বড় সবাই প্রাণ হারাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢেউ কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে অবশ্যই মনে রাখা উচিত যে, বিপদগ্রস্ত ও সন্ত্রস্ত মানুষকে আমাদের বাঁচাতে হবে।’
ইতালিয়ান গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত সপ্তাহেও উত্তর আফ্রিকার অভিবাসনপ্রত্যাশী বোঝাই একটি নৌকা থেকে ল্যাম্পেদুসা দ্বীপের কাছাকাছি পৌঁছালে উদ্ধার অভিযানের সময় পাঁচ মাস বয়সী একটি শিশু পানিতে পড়ে তলিয়ে যায়।
চলিত বছর এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২৬ হাজার অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশী ইতালিতে পৌঁছেছে। গত বছরের এই সময়টির সঙ্গে তুলনা করলে এবার দ্বিগুণ মানুষ পা রেখেছে দেশটিতে। সমুদ্রপথে অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢলে বর্তমানে নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে ল্যাম্পেদুসা দ্বীপে। শুধু গত সপ্তাহেই এই দ্বীপে সাত হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী পৌঁছেছে, যা কি না দ্বীপের মোট বাসিন্দার দ্বিগুণ।

গাজায় ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ধসে পড়ে অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া তীব্র ঠান্ডায় প্রাণ হারিয়েছে আরও অন্তত ছয় শিশু। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে তেহরানের দমনপীড়নের মুখে বিক্ষোভকারীদের ‘আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন’ বলে আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ‘আশ্বাস দিয়ে’ বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
২ ঘণ্টা আগে
মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে