যুক্তরাজ্যে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক অভিবাসন প্রত্যাশী প্রবেশ করেছে। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবারে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৯৫ জন অভিবাসন প্রত্যাশী ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছে। যুক্তরাজ্যে সরকারের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্য সরকার স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটির কর্তৃপক্ষ গত সোমবার সারা দিনে ১ হাজার ২৯৫ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে শনাক্ত করেছে যারা ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এর আগে একদিনে সর্বোচ্চ অনুপ্রবেশের রেকর্ড ছিল ১ হাজার ১৮৫ জন। ২০২১ সালের নভেম্বর মানের ১১ তারিখে প্রায় ১২ শ জন লোক ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছিল।
যুক্তরাজ্য সরকার আরও জানিয়েছে, দেশটিতে এখনো পর্যন্ত ২২ হাজার ৬৭০ জন মানুষ ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে অনুপ্রবেশ করেছে। যা গত বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের প্রথমার্ধের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। গত বছর সব মিলিয়ে দেশটি ২৮ হাজার ৫২৬ জনকে আশ্রয় দিয়েছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে এই ইস্যুটি যুক্তরাজ্য সরকারের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর কঠোরভাবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। একই সঙ্গে এই ইস্যুটি লন্ডন ও প্যারিসের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে। যুক্তরাজ্যের অভিযোগ এসব অভিবাসীর অধিকাংশই ফ্রান্স হয়ে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে তারপর যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করে এবং ফ্রান্স বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির কঠোর সমালোচনা করেছেন ইরানের এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্য একটি ‘অপরাধমূলক মানসিকতার’ প্রতিফলন। এসব বক্তব্য ‘যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনা’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
২০ মিনিট আগে
হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল নিরাপদ করতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম তীরে প্রত্নতত্ত্ব এখন শুধু অতীত খোঁজার বিজ্ঞান নয়, এটি হয়ে উঠেছে গভীর রাজনৈতিক বিতর্কের একটি ক্ষেত্র। পশ্চিম তীর অঞ্চলের নানা খননকাজ ঘিরে ইতিহাস, পরিচয় ও ভূখণ্ডের দাবি নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা যাচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
গালিবাফ বলেন, ‘আপনার বেপরোয়া পদক্ষেপগুলো প্রতিটি মার্কিন পরিবারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে একটি “জীবন্ত নরকে” পরিণত করছে। আপনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশ অনুসরণ করায় আমাদের পুরো অঞ্চল এখন পুড়ে ছাই হওয়ার পথে।’
২ ঘণ্টা আগে