
রাশিয়া থেকে ইউরোপে গ্যাস সরবরাহের অন্যতম প্রধান পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিমের ছিদ্র থেকে গ্যাস নিঃসরণ বন্ধ হয়েছে। পাইপলাইনটি পরিচালনাকারী সংস্থার এক মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, বাল্টিক সাগরের তলদেশে ছিদ্র হওয়া নর্ড স্ট্রিম-২ পাইপলাইনের ছিদ্র থেকে গ্যাস নিঃসরণ বন্ধ হয়েছে।
নর্ড স্ট্রিম-২ পাইপলাইন পরিচালনাকারী সংস্থার মুখপাত্র উলরিখ লিসেক বলেছেন, ‘বাল্টিক সাগরের তলদেশে অবস্থিত পাইপলাইনের ছিদ্র পানি এবং গ্যাসের চাপ সাম্যাবস্থায় চলে আসায় গ্যাস নিঃসরণ বন্ধ হয়ে গেছে।’
উলরিখ লিসেক আরও বলেছেন, ‘পাইপলাইনের ওপরের পানির চাপ ভেতরে থাকা গ্যাসের চাপের প্রায় সমান হওয়ায় আর গ্যাস বের হতে পারছে না। সুতরাং, আমাদের বক্তব্য হলো—পাইপলাইন দিয়ে এখনো গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।’
এ সময় এএফপির পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসা করা হয়, পাইপলাইনে এখন কী পরিমাণ গ্যাস রয়েছে? জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটি এখন মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।’ তবে অপর পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম-১-এর ছিদ্র তুলনামূলকভাবে আরও বড় হওয়ায় সেটি এখন কোন অবস্থায় রয়েছে সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য দেননি।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর থেকেই রাশিয়া থেকে জার্মানিতে যাওয়া নর্ড স্ট্রিম ১ ও ২ পাইপলাইন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার বিষয় হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের ধারণা, রাশিয়া যেকোনো সময় দেশটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বদলা নিতে এই পাইপলাইনগুলো বন্ধ করে দিতে পারে।
যদিও বর্তমানে পাইপলাইন দুটি পুরোপুরি কাজ করছে না, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তার পরও এই অবস্থায় এখনো পাইপলাইন দুটিতে বিপুল পরিমাণ গ্যাস থেকে যাওয়ার কথা। তবে সাম্প্রতিক ছিদ্রগুলো বেশ উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ডেনমার্কের সংবাদপত্রে দাবি করা হয়েছে, বিস্ফোরণের ফলেই এই ছিদ্রগুলো সৃষ্টি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ইউক্রেনের অভিযোগের তির রাশিয়ার দিকে। দেশটি বলেছে, রাশিয়াই ইচ্ছাকৃতভাবে এই বিস্ফোরণগুলো করিয়েছে।

রাশিয়া থেকে ইউরোপে গ্যাস সরবরাহের অন্যতম প্রধান পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিমের ছিদ্র থেকে গ্যাস নিঃসরণ বন্ধ হয়েছে। পাইপলাইনটি পরিচালনাকারী সংস্থার এক মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, বাল্টিক সাগরের তলদেশে ছিদ্র হওয়া নর্ড স্ট্রিম-২ পাইপলাইনের ছিদ্র থেকে গ্যাস নিঃসরণ বন্ধ হয়েছে।
নর্ড স্ট্রিম-২ পাইপলাইন পরিচালনাকারী সংস্থার মুখপাত্র উলরিখ লিসেক বলেছেন, ‘বাল্টিক সাগরের তলদেশে অবস্থিত পাইপলাইনের ছিদ্র পানি এবং গ্যাসের চাপ সাম্যাবস্থায় চলে আসায় গ্যাস নিঃসরণ বন্ধ হয়ে গেছে।’
উলরিখ লিসেক আরও বলেছেন, ‘পাইপলাইনের ওপরের পানির চাপ ভেতরে থাকা গ্যাসের চাপের প্রায় সমান হওয়ায় আর গ্যাস বের হতে পারছে না। সুতরাং, আমাদের বক্তব্য হলো—পাইপলাইন দিয়ে এখনো গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।’
এ সময় এএফপির পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসা করা হয়, পাইপলাইনে এখন কী পরিমাণ গ্যাস রয়েছে? জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটি এখন মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।’ তবে অপর পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম-১-এর ছিদ্র তুলনামূলকভাবে আরও বড় হওয়ায় সেটি এখন কোন অবস্থায় রয়েছে সে বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য দেননি।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর থেকেই রাশিয়া থেকে জার্মানিতে যাওয়া নর্ড স্ট্রিম ১ ও ২ পাইপলাইন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার বিষয় হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের ধারণা, রাশিয়া যেকোনো সময় দেশটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বদলা নিতে এই পাইপলাইনগুলো বন্ধ করে দিতে পারে।
যদিও বর্তমানে পাইপলাইন দুটি পুরোপুরি কাজ করছে না, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তার পরও এই অবস্থায় এখনো পাইপলাইন দুটিতে বিপুল পরিমাণ গ্যাস থেকে যাওয়ার কথা। তবে সাম্প্রতিক ছিদ্রগুলো বেশ উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ডেনমার্কের সংবাদপত্রে দাবি করা হয়েছে, বিস্ফোরণের ফলেই এই ছিদ্রগুলো সৃষ্টি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ইউক্রেনের অভিযোগের তির রাশিয়ার দিকে। দেশটি বলেছে, রাশিয়াই ইচ্ছাকৃতভাবে এই বিস্ফোরণগুলো করিয়েছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৫ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৫ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে