
রাশিয়া ও ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র যুদ্ধ চলছে ইউক্রেনের দনবাসের লুহানস্ক অঞ্চলে। ইউক্রেনের স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, রাশিয়া এই যুদ্ধে ‘পোড়ামাটি নীতি’ গ্রহণ করেছে।
রাশিয়া লুহানস্কের বেশ কিছু এলাকা এরই মধ্যে দখল করে নিয়েছে। রুশ সেনারা দনবাসের আরেক শহর সেভেরোদনেৎস্কের দখল নিতে এগিয়ে চলেছে তীব্র গতিতে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেভেরোদনেৎস্ক এবং এর পার্শ্ববর্তী শহর লিসিশানস্কের কিছু কিছু স্থানে এখনো ইউক্রেনীয় সৈন্যরা প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের উপকণ্ঠ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে মনোনিবেশ করার পর গত এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকেই এই শহর দুটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
দনবাসের বিরোধপূর্ণ দুই অঞ্চলের অন্যতম প্রদেশ লুহানস্কের গভর্নর সেরহি হাইদাই গত রোববার বলেছেন, ‘রাশিয়ার সৈন্যরা এখানে পোড়ামাটি নীতি প্রয়োগ আরম্ভ করেছে। তারা সেভেরোদনেৎস্ককে পৃথিবী থেকে মুছে ফেলতে চায়।’
হাইদাই জানিয়েছেন, বিগত কয়েক দিন ধরে দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই অবিরত বোমাবর্ষণের মাধ্যমে রাশিয়ার সেনাবাহিনী লুহানস্কের বেশ কিছু ছোট-বড় শহর দখল করে নিয়েছে। এই অঞ্চলে রাশিয়া তাদের সৈন্য ও অস্ত্র জমা করছে। সেখানে খারকিভ, মারিউপোল এবং রাশিয়ার অভ্যন্তর থেকে আরও সৈন্য আনছে।
এর আগে, গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়াকে ‘পাগলের মতো’ বোমাবর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছিলেন। সে ময় তিনি বলেছিলেন, রাশিয়ার এমন বোমাবর্ষণ ওই অঞ্চলটিকে নরকে পরিণত করেছে।
এদিকে, গত রোববার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাশিয়ার সেনাবাহিনীর গোলন্দাজ এবং বিমানবাহিনী দনবাসের ইউক্রেন সেনাবাহিনীর একটি কমান্ড সেন্টার এবং অস্ত্রের ডিপোতে হামলা চালিয়েছে। একইরকম হামলা চালানো হয়েছে মাইকোলাইভেও।

রাশিয়া ও ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র যুদ্ধ চলছে ইউক্রেনের দনবাসের লুহানস্ক অঞ্চলে। ইউক্রেনের স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, রাশিয়া এই যুদ্ধে ‘পোড়ামাটি নীতি’ গ্রহণ করেছে।
রাশিয়া লুহানস্কের বেশ কিছু এলাকা এরই মধ্যে দখল করে নিয়েছে। রুশ সেনারা দনবাসের আরেক শহর সেভেরোদনেৎস্কের দখল নিতে এগিয়ে চলেছে তীব্র গতিতে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেভেরোদনেৎস্ক এবং এর পার্শ্ববর্তী শহর লিসিশানস্কের কিছু কিছু স্থানে এখনো ইউক্রেনীয় সৈন্যরা প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের উপকণ্ঠ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে মনোনিবেশ করার পর গত এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকেই এই শহর দুটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
দনবাসের বিরোধপূর্ণ দুই অঞ্চলের অন্যতম প্রদেশ লুহানস্কের গভর্নর সেরহি হাইদাই গত রোববার বলেছেন, ‘রাশিয়ার সৈন্যরা এখানে পোড়ামাটি নীতি প্রয়োগ আরম্ভ করেছে। তারা সেভেরোদনেৎস্ককে পৃথিবী থেকে মুছে ফেলতে চায়।’
হাইদাই জানিয়েছেন, বিগত কয়েক দিন ধরে দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই অবিরত বোমাবর্ষণের মাধ্যমে রাশিয়ার সেনাবাহিনী লুহানস্কের বেশ কিছু ছোট-বড় শহর দখল করে নিয়েছে। এই অঞ্চলে রাশিয়া তাদের সৈন্য ও অস্ত্র জমা করছে। সেখানে খারকিভ, মারিউপোল এবং রাশিয়ার অভ্যন্তর থেকে আরও সৈন্য আনছে।
এর আগে, গত সপ্তাহে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়াকে ‘পাগলের মতো’ বোমাবর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছিলেন। সে ময় তিনি বলেছিলেন, রাশিয়ার এমন বোমাবর্ষণ ওই অঞ্চলটিকে নরকে পরিণত করেছে।
এদিকে, গত রোববার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাশিয়ার সেনাবাহিনীর গোলন্দাজ এবং বিমানবাহিনী দনবাসের ইউক্রেন সেনাবাহিনীর একটি কমান্ড সেন্টার এবং অস্ত্রের ডিপোতে হামলা চালিয়েছে। একইরকম হামলা চালানো হয়েছে মাইকোলাইভেও।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া জাপানের সাগর উপকূলে নিইগাতা প্রিফেকচারের ৪ দশমিক ২ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। সাতটি রিঅ্যাক্টর পুরোপুরি চালু থাকলে কেন্দ্রটি সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ২ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, যা লাখ লাখ পরিবারের বিদ্যুৎ চাহিদা মেট
৫ মিনিট আগে
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে তাদের তথাকথিত ‘অ্যান্টি-কোয়ারশন ইনস্ট্রুমেন্ট’ সক্রিয় করার আহ্বান জানান। অনানুষ্ঠানিকভাবে একে বলা হয় ‘ট্রেড বাজুকা’। এই ব্যবস্থার আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ সীমিত করতে পারে বা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে...
২ ঘণ্টা আগে
সিরীয় সরকার এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে এসডিএফ তাদের বাহিনীকে ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর পশ্চিম তীরবর্তী এলাকাগুলো থেকে প্রত্যাহার করে নেবে। গতকাল রোববার এই চুক্তি হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুটি উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৩০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
৪ ঘণ্টা আগে