
রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা সরবরাহকারী সংস্থা ভাগনারের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোঝিনকে বহনকারী বিমানটিকে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। ভাগনার সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এমনটাই দাবি করেছে বিবিসি এবং রয়টার্সসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ভাগনারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট টেলিগ্রাম চ্যানেল গ্রে জোনের বরাত দিয়ে তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, রাশিয়ার সৈন্যরা প্রিগোজিনকে বহনকারী এমব্রেয়ার লিগ্যাসি ৬০০ মডেলের বিমানটিকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে।
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে বিমানটিকে ভূপাতিত করেছে। এ ক্ষেত্রে রয়টার্স রাশিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাত দিয়েছে। এসব গণমাধ্যম আবার বেনামি সূত্র থেকে সংবাদটি প্রকাশ করেছে।
রাশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ রোসাভিয়েতসিয়া জানিয়েছে, গতকাল বুধবার ভাগনার প্রধানকে বহনকারী এমব্রেয়ার লিগ্যাসি ৬০০ মডেলের বিমানটি মস্কো থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তোভর অঞ্চলের কুঝেনকিনো গ্রামের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানায় রাশিয়ার জরুরি অবস্থা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিমানটিতে প্রিগোঝিনসহ মোট ১০ জন যাত্রী ছিলেন।
বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার ৩০ সেকেন্ড আগেও স্বাভাবিক ছিল জানিয়ে সুইডিশ ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটরাডারের কর্মকর্তা ইয়ান পেচেনিক বলেন, বিকেল ৩টা ১৯ মিনিটের দিকে বিমানটির খাঁড়া পতন শুরু হয়। মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে বিমানটি ২৮ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে সোজা ৮০০০ ফুট উচ্চতায় নেমে আসে।
পেচেনিক বলেন, ‘যা কিছুই ঘটে থাক, খুব দ্রুতই ঘটেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তাঁরা (বিমানের পাইলট) সম্ভবত এই পরিস্থিতিতে রীতিমতো যুদ্ধ করেছেন। কিন্তু বিমানটির এমন খাঁড়া পতনের আগেও এমন কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি যে, সেটিতে কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে।’
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে দেখা গেছে প্রিগোঝিনকে বহনকারী বিমানটির নাক প্রায় মাটির দিকে তাক করা এবং তা তীরবেগে ভূপৃষ্ঠের দিকে নামছে। একই সময়ে বিমানটির পেছন দিক থেকে ধোয়া অথবা বাষ্পের মতো কিছু একটা বের হতে দেখা যায়।

রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা সরবরাহকারী সংস্থা ভাগনারের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোঝিনকে বহনকারী বিমানটিকে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। ভাগনার সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এমনটাই দাবি করেছে বিবিসি এবং রয়টার্সসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ভাগনারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট টেলিগ্রাম চ্যানেল গ্রে জোনের বরাত দিয়ে তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, রাশিয়ার সৈন্যরা প্রিগোজিনকে বহনকারী এমব্রেয়ার লিগ্যাসি ৬০০ মডেলের বিমানটিকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে।
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে বিমানটিকে ভূপাতিত করেছে। এ ক্ষেত্রে রয়টার্স রাশিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাত দিয়েছে। এসব গণমাধ্যম আবার বেনামি সূত্র থেকে সংবাদটি প্রকাশ করেছে।
রাশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ রোসাভিয়েতসিয়া জানিয়েছে, গতকাল বুধবার ভাগনার প্রধানকে বহনকারী এমব্রেয়ার লিগ্যাসি ৬০০ মডেলের বিমানটি মস্কো থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তোভর অঞ্চলের কুঝেনকিনো গ্রামের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানায় রাশিয়ার জরুরি অবস্থা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিমানটিতে প্রিগোঝিনসহ মোট ১০ জন যাত্রী ছিলেন।
বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার ৩০ সেকেন্ড আগেও স্বাভাবিক ছিল জানিয়ে সুইডিশ ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটরাডারের কর্মকর্তা ইয়ান পেচেনিক বলেন, বিকেল ৩টা ১৯ মিনিটের দিকে বিমানটির খাঁড়া পতন শুরু হয়। মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে বিমানটি ২৮ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে সোজা ৮০০০ ফুট উচ্চতায় নেমে আসে।
পেচেনিক বলেন, ‘যা কিছুই ঘটে থাক, খুব দ্রুতই ঘটেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তাঁরা (বিমানের পাইলট) সম্ভবত এই পরিস্থিতিতে রীতিমতো যুদ্ধ করেছেন। কিন্তু বিমানটির এমন খাঁড়া পতনের আগেও এমন কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি যে, সেটিতে কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে।’
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে দেখা গেছে প্রিগোঝিনকে বহনকারী বিমানটির নাক প্রায় মাটির দিকে তাক করা এবং তা তীরবেগে ভূপৃষ্ঠের দিকে নামছে। একই সময়ে বিমানটির পেছন দিক থেকে ধোয়া অথবা বাষ্পের মতো কিছু একটা বের হতে দেখা যায়।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৭ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৭ ঘণ্টা আগে