ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোর সরকার রাশিয়ার সমুদ্রজাত জ্বালানি তেল কেনার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। ইইউ প্রতি ব্যারেলের বিপরীতে রাশিয়াকে ৬০ ডলার করে পরিশোধ করবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বিষয়টির সঙ্গে জড়িত এক কূটনীতিবিদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, রাশিয়ার সমুদ্রজাত অপরিশোধিত জ্বালানি তেল কম দামে কেনার মূল প্রস্তাব ছিল বিশ্বের শীর্ষ সাত অর্থনীতির দেশের জোট জি-৭ এর। জি-৭ এর প্রস্তাব ছিল, সামগ্রিকভাবে বৈশ্বিক অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজারমূল্য ৫ শতাংশ কমিয়ে আনতে ৬৫ থেকে ৭০ ডলারের বিনিময়ে প্রতি ব্যারেল তেল কিনুক ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
তবে জি-৭ এর প্রস্তাবিত দামের বিরোধিতা করে পোল্যান্ড। দেশটি সমর্থন দেয় লিথুয়ানিয়া এবং এস্তোনিয়া। দেশটির তিনটির অভিযোগ ছিল—প্রস্তাবিত দামে কিনলে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের ব্যয় বহনের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ নিশ্চিত করতে পারবে।
ওই কূটনীতিবিদ জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় দেশগুলোর সরকার এই বিষয়ে সম্মত হলেও আগামীকাল শুক্রবার এই বিষয়ে লিখিত অনুমোদ দেওয়া হবে। ওই কূটনৈতিক বলেছেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি—আইইএ এর পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে, ‘অপরিশোধিত তেলের বাজার মূল্য ৫ শতাংশ কমাতে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৬০ নির্ধারণ করা হয়েছে।’
জি-৭ সেভেন প্রস্তাবিত রাশিয়ার সমুদ্রজাত জ্বালানি তেলের এই নতুন মূল্য আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে। ফলে, রাশিয়ার জ্বালানি তেলের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন থেকে রাশিয়ার সমুদ্রজাত জ্বালানি তেল কিনতে পারবে। উল্লেখ্য, রাশিয়া বিশ্বে উৎপাদিত মোট অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ১০ শতাংশ একা উৎপাদন করে।

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানি হামরা তীব্র হতে থাকায় সৌদি আরব ও কাতারসহ এক ডজনের বেশি দেশ থেকে সব মার্কিন নাগরিককে অবিলম্বে সরে যেতে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি-মার্কিন যুদ্ধ এবং সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার পর, কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম স্থগিত করেছে। এক বিবৃতিতে দূতাবাস বলেছে, ‘চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে, কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরান বৈশ্বিক তেল রপ্তানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। তবে তার আগে থেকেই এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বজুড়ে তেল পরিবহন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। এই জলপথ হয়ে স্বাভাবিক পূর্ব–পশ্চিমমুখী অপরিশোধিত তেল পরিবহনের প্রায় ৮৬ শতাংশই থমকে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনাগুলোতে যে হামলা হয়েছে, তা ইসরায়েলিরাই চালিয়েছে এবং এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অভিযান। অর্থাৎ এই অপারেশন এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে হামলাকারীরা আড়ালে থাকবে এবং দায় হবে অন্য পক্ষের। এমনটি দাবি করেছেন এই বিষয়ে অবহিত এক ইরানি সামরিক সূত্র।
২ ঘণ্টা আগে