
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ও তাঁর স্ত্রী অক্ষতা মূর্তির ব্যক্তিগত সম্পদ দেশটির রাজা চার্লসের চেয়েও বেশি। এই দম্পতির সম্পদ গত বছরের চেয়ে ১২ কোটি ২০ লাখ পাউন্ড বেড়ে চলতি বছরে ৬৫ কোটি ১০ লাখ পাউন্ডে দাঁড়িয়েছে। বিগত বছর তাঁদের সম্পদ ছিল ৫২ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড।
আজ রোববার (১৯ মে) সর্বশেষ সানডে টাইমসের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন এমন এক হাজার শীর্ষ ধনী ব্যক্তি বা পরিবারের তালিকা প্রকাশ করেছে সানডে টাইমস। তাঁদের নিট সম্পদের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
নতুন তালিকা অনুযায়ী, এক বছরে সুনাক দম্পতির সম্পদ ১২ কোটি ব্রিটিশ পাউন্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর তাঁদের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৫২ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড। আর তা বেড়ে এই বছর হয়েছে ৬৫ কোটি ১০ লাখ পাউন্ড।
অন্যদিকে, এই একই সময়ে রাজা চার্লসের সম্পদ ১০ মিলিয়ন পাউন্ড বেড়ে ৬০ কোটি পাউন্ড থেকে ৬১ কোটি পাউন্ড হয়েছে। তাই এবারের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় সুনাক দম্পতির থেকে ১৩ ধাপ নিয়ে অবস্থান করছেন রাজা চার্লস। নতুন তালিকায় সুনাক দম্পতি ২৪৫তম এবং চার্লস ২৫৮তম স্থানে রয়েছেন।
ঋষি সুনাকের সম্পদ এত বৃদ্ধির জন্য অবশ্য স্ত্রী অক্ষতা মূর্তির কথাই বলছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য মিরর। টেক স্টার্ট-আপ ইনফোসিসে অক্ষতার শেয়ারই তাঁদের সম্পদ বৃদ্ধির কারণ। ইনফোসিস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন অক্ষতার বাবা নারায়ণ মূর্তি। তাঁরা এখন লন্ডনের ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সবচেয়ে ধনী দম্পতি।
বিবিসি প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২২ সালে প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে টপকে গিয়েছিলেন সুনাক দম্পতি। সে বছর রানির মোট সম্পদ ছিল ৩৭ কোটি পাউন্ড।
তবে ব্রিটিশ রাজপরিবারের হাতে কত সম্পদ রয়েছে, তার বেশির ভাগই অজানা বলে জানিয়েছে সানডে টাইমস। ফলে রাজা চার্লসের প্রকৃত সম্পদ অনুমান করাও কঠিন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত হিসাবমতে, রাজপরিবারের অধীনে থাকা একাধিক প্রাসাদ ও জায়গার দাম মিলিয়ে ১ হাজার ২০০ কোটি পাউন্ডের বেশি।
প্রতিবছর যুক্তরাজ্যের শীর্ষ ধনীর তালিকা প্রকাশ করে থাকে সানডে টাইমস। এবারের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে গোপী হিন্দুজা অ্যান্ড ফ্যামিলি (৩৭ দশমিক ২ বিলিয়ন পাউন্ড)।
এরপর ধারাবাহিকভাবে রয়েছে স্যার লিওনার্দ ব্লাভাতনিক (২৯ দশমিক ২৫ বিলিয়ন পাউন্ড), ডেভিড অ্যান্ড সাইমন রুবেন অ্যান্ড ফ্যামিলি (২৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন পাউন্ড), স্যার জিম র্যাটক্লিফ (২৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন পাউন্ড), স্যার জেমস ডাইসন অ্যান্ড ফ্যামিলি (২০ দশমিক ৮ বিলিয়ন পাউন্ড), বারনাবি অ্যান্ড মার্লিন সুয়্যার অ্যান্ড ফ্যামিলি (১৭ দশমিক ২ বিলিয়ন পাউন্ড), ইডান অফার (১৪ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন পাউন্ড), লক্ষ্মী মিত্তাল অ্যান্ড ফ্যামিলি (১৪ দশমিক ৯২ বিলিয়ন পাউন্ড), গাই জর্জ অ্যাল্যান্নাহ অ্যান্ড গ্যালেন ওয়েস্টন অ্যান্ড ফ্যামিলি (১৪ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন পাউন্ড) ও জন ফ্রেডরিকসেন অ্যান্ড ফ্যামিলি (১২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন পাউন্ড)।
রাজনীতিতে প্রবেশেরও আগে থেকে যুক্তরাজ্যের ধনী হিসেবে পরিচিত ঋষি সুনাক। তিনি হেজ ফান্ড ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন। গত বছর তাঁর দেওয়া আয়কর তথ্য থেকে জানা যায়, ঋষির মোট সম্পদের পরিমাণ ২ দশমিক ২ মিলিয়ন পাউন্ড।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ও তাঁর স্ত্রী অক্ষতা মূর্তির ব্যক্তিগত সম্পদ দেশটির রাজা চার্লসের চেয়েও বেশি। এই দম্পতির সম্পদ গত বছরের চেয়ে ১২ কোটি ২০ লাখ পাউন্ড বেড়ে চলতি বছরে ৬৫ কোটি ১০ লাখ পাউন্ডে দাঁড়িয়েছে। বিগত বছর তাঁদের সম্পদ ছিল ৫২ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড।
আজ রোববার (১৯ মে) সর্বশেষ সানডে টাইমসের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন এমন এক হাজার শীর্ষ ধনী ব্যক্তি বা পরিবারের তালিকা প্রকাশ করেছে সানডে টাইমস। তাঁদের নিট সম্পদের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
নতুন তালিকা অনুযায়ী, এক বছরে সুনাক দম্পতির সম্পদ ১২ কোটি ব্রিটিশ পাউন্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর তাঁদের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৫২ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড। আর তা বেড়ে এই বছর হয়েছে ৬৫ কোটি ১০ লাখ পাউন্ড।
অন্যদিকে, এই একই সময়ে রাজা চার্লসের সম্পদ ১০ মিলিয়ন পাউন্ড বেড়ে ৬০ কোটি পাউন্ড থেকে ৬১ কোটি পাউন্ড হয়েছে। তাই এবারের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় সুনাক দম্পতির থেকে ১৩ ধাপ নিয়ে অবস্থান করছেন রাজা চার্লস। নতুন তালিকায় সুনাক দম্পতি ২৪৫তম এবং চার্লস ২৫৮তম স্থানে রয়েছেন।
ঋষি সুনাকের সম্পদ এত বৃদ্ধির জন্য অবশ্য স্ত্রী অক্ষতা মূর্তির কথাই বলছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য মিরর। টেক স্টার্ট-আপ ইনফোসিসে অক্ষতার শেয়ারই তাঁদের সম্পদ বৃদ্ধির কারণ। ইনফোসিস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন অক্ষতার বাবা নারায়ণ মূর্তি। তাঁরা এখন লন্ডনের ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সবচেয়ে ধনী দম্পতি।
বিবিসি প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২২ সালে প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে টপকে গিয়েছিলেন সুনাক দম্পতি। সে বছর রানির মোট সম্পদ ছিল ৩৭ কোটি পাউন্ড।
তবে ব্রিটিশ রাজপরিবারের হাতে কত সম্পদ রয়েছে, তার বেশির ভাগই অজানা বলে জানিয়েছে সানডে টাইমস। ফলে রাজা চার্লসের প্রকৃত সম্পদ অনুমান করাও কঠিন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত হিসাবমতে, রাজপরিবারের অধীনে থাকা একাধিক প্রাসাদ ও জায়গার দাম মিলিয়ে ১ হাজার ২০০ কোটি পাউন্ডের বেশি।
প্রতিবছর যুক্তরাজ্যের শীর্ষ ধনীর তালিকা প্রকাশ করে থাকে সানডে টাইমস। এবারের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে গোপী হিন্দুজা অ্যান্ড ফ্যামিলি (৩৭ দশমিক ২ বিলিয়ন পাউন্ড)।
এরপর ধারাবাহিকভাবে রয়েছে স্যার লিওনার্দ ব্লাভাতনিক (২৯ দশমিক ২৫ বিলিয়ন পাউন্ড), ডেভিড অ্যান্ড সাইমন রুবেন অ্যান্ড ফ্যামিলি (২৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন পাউন্ড), স্যার জিম র্যাটক্লিফ (২৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন পাউন্ড), স্যার জেমস ডাইসন অ্যান্ড ফ্যামিলি (২০ দশমিক ৮ বিলিয়ন পাউন্ড), বারনাবি অ্যান্ড মার্লিন সুয়্যার অ্যান্ড ফ্যামিলি (১৭ দশমিক ২ বিলিয়ন পাউন্ড), ইডান অফার (১৪ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন পাউন্ড), লক্ষ্মী মিত্তাল অ্যান্ড ফ্যামিলি (১৪ দশমিক ৯২ বিলিয়ন পাউন্ড), গাই জর্জ অ্যাল্যান্নাহ অ্যান্ড গ্যালেন ওয়েস্টন অ্যান্ড ফ্যামিলি (১৪ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন পাউন্ড) ও জন ফ্রেডরিকসেন অ্যান্ড ফ্যামিলি (১২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন পাউন্ড)।
রাজনীতিতে প্রবেশেরও আগে থেকে যুক্তরাজ্যের ধনী হিসেবে পরিচিত ঋষি সুনাক। তিনি হেজ ফান্ড ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন। গত বছর তাঁর দেওয়া আয়কর তথ্য থেকে জানা যায়, ঋষির মোট সম্পদের পরিমাণ ২ দশমিক ২ মিলিয়ন পাউন্ড।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৯ ঘণ্টা আগে