মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এবার সাইপ্রাসের দিকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে ইরান। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষাসচিব জন হিলি জানিয়েছেন, শনিবার দুটি ব্যালিস্টিক মিসাইল সাইপ্রাস অভিমুখে ছোড়া হয়েছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, ইরান সরাসরি সাইপ্রাস দ্বীপটিকে লক্ষ্যবস্তু করেনি। সেখানে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতির কারণে ওই এলাকাটি ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথে ছিল।
জন হিলি আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য স্থানেও ইরানের ড্রোন ভূপাতিত করতে ব্রিটিশ বাহিনী সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান ইতিমধ্যে দুবাই, আবুধাবি, বাহরাইন ও দোহায় ব্যাপক পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে।
প্রতিরক্ষাসচিব বলেন, ‘আমাদের ঘাঁটি, আমাদের জনগণ এবং আমাদের মিত্রদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ানো ড্রোনগুলো আমরা ধ্বংস করছি। পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর এবং ক্রমাগত অবনতির দিকে যাচ্ছে।’
ব্রিটিশ বাহিনীর ওপর হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি জানান, বাহরাইনে ব্রিটিশ সেনাদের মাত্র ২০০ মিটারের মধ্যে একটি ইরানি মিসাইল আঘাত হেনেছে। এ ছাড়া ইরাকে অবস্থানরত ব্রিটিশ সেনাদের মাত্র ৪০০ মিটারের মধ্যে আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র পড়ার ঘটনা ঘটেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের সরকারের ওপর অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ছে। রক্ষণশীল ও বিভিন্ন মহল থেকে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণাত্মক অভিযানে যোগ দেওয়ার দাবি তোলা হচ্ছে। ব্রিটিশ বাহিনী বর্তমানে ‘সক্রিয়’ প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন জন হিলি।

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা বা ‘ওভারস্টে’ ঠেকানোর লক্ষ্যে ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক জামানত বা ‘ভিসা বন্ড’ জমা দেওয়ার বিধান স্থায়ী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট (পররাষ্ট্র দপ্তর)।
১২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি সামরিক ঘাঁটিতে দেশটির বিমানবাহিনীর একটি এফ-৩৫বি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটেছে। তবে বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার ঠিক আগেই জরুরি প্যারাস্যুট নিয়ে পাইলট সফলভাবে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন দেশের ফুটবল কর্মকর্তা ও মহাদেশীয় সংস্থাগুলোর তীব্র বিরোধিতার মুখে বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত থেকে শেষ পর্যন্ত পিছু হটেছে ফুটবলের বিশ্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ভূখণ্ড সেউতায় (Ceuta) অভিবাসীদের নজিরবিহীন ঢলের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। বৃহস্পতিবার থেকে স্থল ও সমুদ্রপথে সীমান্ত পেরিয়ে সেউতায় প্রবেশ করা ৫০ হাজারের বেশি মানুষের অধিকাংশই শুক্রবার (৩১ জুলাই) স্বেচ্ছায় মরক্কোয় ফিরে যেতে শুরু করেছেন।
১ দিন আগে