
সদ্য অন্তর্ভুক্ত করা ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই রাশিয়ার। রাশিয়ার সৈন্যদের প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেঙে রুশ নিয়ন্ত্রিত এলাকার কয়েক কিলোমিটার গভীরে ঢুকে পড়েছে ইউক্রেনের সেনারা। বিশেষ করে দক্ষিণ অঞ্চলের খেরসনে বেশ অগ্রগতি লাভ করেছে ইউক্রেন। অগ্রগতি লাভ করেছে পূর্বাঞ্চলের বেশ কিছু পয়েন্টে।
স্থানীয় সময় আজ সোমবার রাশিয়ার সেনাবাহিনী বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছে, ইউক্রেনের সৈন্যর খেরসনে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেঙে ঢুকে পড়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর ট্যাংক ইউনিট তাদের প্রতিরক্ষা ব্যূহের গভীরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনোশেঙ্কভ বলেছেন, রাশিয়ার সৈন্যদের পূর্বপরিকল্পিত প্রতিরক্ষা লাইন ভেদ করে ইউক্রেনের সেনারা অগ্রসর হয়েছে। এ সময় উভয় পক্ষই বেশ ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তাঁর এই মন্তব্য পাল্টা আক্রমণ শুরুর পর ইউক্রেনীয়রা যে নাটকীয়ভাবে অগ্রগতি লাভ করছে তার একটি স্বীকৃতি। ধারণা কার হচ্ছে, যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ইউক্রেনীয় ব্রিগেডেগুলোর এই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় সাফল্য।
রাশিয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও কিয়েভ এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। রাশিয়া জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় ট্যাংক বাহিনী নিপার নদীর পশ্চিম তীর ধরে অগ্রসর হয়ে বেশ কয়েকটি গ্রাম পুনরুদ্ধার করেছে এবং এর ফলে কয়েক হাজার রুশ সৈন্যের সরবরাহ লাইন হুমকির মুখে পড়ে গেছে।
এদিকে, গত সপ্তাহে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পারশিয়াল মোবিলাইজেশন ঘোষণার মাধ্যমে ৩ লাখ রিজার্ভ সৈন্যকে ইউক্রেনে পাঠানোর নির্দেশ দিলেও তাদের মধ্যে বড় একটি অংশ উপযুক্ত বিবেচিত না হওয়ায় বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিজার্ভ সৈন্যরা উপযুক্ত না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণ করতে না পারায় খাবারোভস্ক অঞ্চলের সামরিক প্রশাসককে অপসারণ করা হয়েছে। ওই অঞ্চলের গভর্নর মিখাইল দেগতাইরেভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সদ্য অন্তর্ভুক্ত করা ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই রাশিয়ার। রাশিয়ার সৈন্যদের প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেঙে রুশ নিয়ন্ত্রিত এলাকার কয়েক কিলোমিটার গভীরে ঢুকে পড়েছে ইউক্রেনের সেনারা। বিশেষ করে দক্ষিণ অঞ্চলের খেরসনে বেশ অগ্রগতি লাভ করেছে ইউক্রেন। অগ্রগতি লাভ করেছে পূর্বাঞ্চলের বেশ কিছু পয়েন্টে।
স্থানীয় সময় আজ সোমবার রাশিয়ার সেনাবাহিনী বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছে, ইউক্রেনের সৈন্যর খেরসনে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেঙে ঢুকে পড়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর ট্যাংক ইউনিট তাদের প্রতিরক্ষা ব্যূহের গভীরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনোশেঙ্কভ বলেছেন, রাশিয়ার সৈন্যদের পূর্বপরিকল্পিত প্রতিরক্ষা লাইন ভেদ করে ইউক্রেনের সেনারা অগ্রসর হয়েছে। এ সময় উভয় পক্ষই বেশ ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তাঁর এই মন্তব্য পাল্টা আক্রমণ শুরুর পর ইউক্রেনীয়রা যে নাটকীয়ভাবে অগ্রগতি লাভ করছে তার একটি স্বীকৃতি। ধারণা কার হচ্ছে, যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ইউক্রেনীয় ব্রিগেডেগুলোর এই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় সাফল্য।
রাশিয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও কিয়েভ এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। রাশিয়া জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় ট্যাংক বাহিনী নিপার নদীর পশ্চিম তীর ধরে অগ্রসর হয়ে বেশ কয়েকটি গ্রাম পুনরুদ্ধার করেছে এবং এর ফলে কয়েক হাজার রুশ সৈন্যের সরবরাহ লাইন হুমকির মুখে পড়ে গেছে।
এদিকে, গত সপ্তাহে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পারশিয়াল মোবিলাইজেশন ঘোষণার মাধ্যমে ৩ লাখ রিজার্ভ সৈন্যকে ইউক্রেনে পাঠানোর নির্দেশ দিলেও তাদের মধ্যে বড় একটি অংশ উপযুক্ত বিবেচিত না হওয়ায় বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিজার্ভ সৈন্যরা উপযুক্ত না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণ করতে না পারায় খাবারোভস্ক অঞ্চলের সামরিক প্রশাসককে অপসারণ করা হয়েছে। ওই অঞ্চলের গভর্নর মিখাইল দেগতাইরেভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৫ ঘণ্টা আগে