আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর দেশটির রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন নাটকীয়তা। চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ও ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো তাঁর পুরস্কারটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার আগ্রহ দেখালেও নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নোবেল পুরস্কার কাউকে ‘শেয়ার, বাতিল বা হস্তান্তর’ করা যায় না।
৮ জানুয়ারি ফক্স নিউজকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, মাচাদো যদি তাঁর সঙ্গে নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তবে এটি ‘একটি বড় সম্মানের বিষয় হবে’।
কিন্তু বিষয়টি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক বিবৃতিতে নোবেল কমিটি জানায়, ‘নোবেল পুরস্কার কখনোই বাতিল, ভাগাভাগি বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব নয়। একবার পুরস্কার ঘোষণা হয়ে গেলে সেই সিদ্ধান্ত চিরস্থায়ী এবং অপরিবর্তনীয়।’
ফক্স নিউজকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, আগামী সপ্তাহে মাচাদো যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসবেন। ওই সময়েই তিনি মাচাদোর প্রস্তাবটি নিয়ে কথা বলবেন। ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর যখন দুই দেশের উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই মাচাদোর এই ওয়াশিংটন সফর বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য বলে দাবি করে আসছেন। তাঁর স্বপক্ষে তিনি কিছু যুক্তিই দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম আট মাসেই তিনি আটটি বড় যুদ্ধ বন্ধ থামিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি যুদ্ধ থামানোর জন্য একজনের নোবেল পাওয়া উচিত। আর এমন সব যুদ্ধ আমি থামিয়েছি যা কেউ কখনো ভাবেনি যে বন্ধ হবে।’
২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বারাক ওবামার নোবেল পাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘ওবামা তো কিছু না করেই পুরস্কার পেয়েছিলেন। তাহলে আমি পাব না কেন।’
মাদুরোকে আটকের পর অনেকেই ভেবেছিলেন মাচাদো হয়তো দেশটির দায়িত্ব নেবেন। কিন্তু বর্তমানে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশটির শাসনভার গ্রহণ করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে মাচাদোর ট্রাম্পকে নোবেল দেওয়ার প্রস্তাবকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রকাশ্য ঘোষণার পর ট্রাম্পের প্রতি মাচাদোর এই ‘আনুগত্য’ বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে নোবেল কমিটির আপত্তির কারণে এই পুরস্কার হস্তান্তর শেষ পর্যন্ত কেবল আলোচনার টেবিল পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর দেশটির রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন নাটকীয়তা। চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ও ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো তাঁর পুরস্কারটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার আগ্রহ দেখালেও নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নোবেল পুরস্কার কাউকে ‘শেয়ার, বাতিল বা হস্তান্তর’ করা যায় না।
৮ জানুয়ারি ফক্স নিউজকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, মাচাদো যদি তাঁর সঙ্গে নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তবে এটি ‘একটি বড় সম্মানের বিষয় হবে’।
কিন্তু বিষয়টি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক বিবৃতিতে নোবেল কমিটি জানায়, ‘নোবেল পুরস্কার কখনোই বাতিল, ভাগাভাগি বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব নয়। একবার পুরস্কার ঘোষণা হয়ে গেলে সেই সিদ্ধান্ত চিরস্থায়ী এবং অপরিবর্তনীয়।’
ফক্স নিউজকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, আগামী সপ্তাহে মাচাদো যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসবেন। ওই সময়েই তিনি মাচাদোর প্রস্তাবটি নিয়ে কথা বলবেন। ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর যখন দুই দেশের উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই মাচাদোর এই ওয়াশিংটন সফর বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য বলে দাবি করে আসছেন। তাঁর স্বপক্ষে তিনি কিছু যুক্তিই দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম আট মাসেই তিনি আটটি বড় যুদ্ধ বন্ধ থামিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি যুদ্ধ থামানোর জন্য একজনের নোবেল পাওয়া উচিত। আর এমন সব যুদ্ধ আমি থামিয়েছি যা কেউ কখনো ভাবেনি যে বন্ধ হবে।’
২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বারাক ওবামার নোবেল পাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘ওবামা তো কিছু না করেই পুরস্কার পেয়েছিলেন। তাহলে আমি পাব না কেন।’
মাদুরোকে আটকের পর অনেকেই ভেবেছিলেন মাচাদো হয়তো দেশটির দায়িত্ব নেবেন। কিন্তু বর্তমানে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশটির শাসনভার গ্রহণ করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে মাচাদোর ট্রাম্পকে নোবেল দেওয়ার প্রস্তাবকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রকাশ্য ঘোষণার পর ট্রাম্পের প্রতি মাচাদোর এই ‘আনুগত্য’ বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে নোবেল কমিটির আপত্তির কারণে এই পুরস্কার হস্তান্তর শেষ পর্যন্ত কেবল আলোচনার টেবিল পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।

পাকিস্তান এবং চীনের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি জেএফ-১৭ থান্ডার ব্লক যুদ্ধবিমান সংগ্রহে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরাক। দুই দেশের বিমানবাহিনী প্রধানদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর গতকাল শনিবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা এ তথ্য জানায়। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির...
২০ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানে সম্ভাব্য নতুন সামরিক হামলার বিভিন্ন বিকল্প সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনে তেহরানের তথাকথিত কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি বাস্তবায়ন...
৪২ মিনিট আগে
সৌদি আরব ও পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের মধ্যকার পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে সক্রিয় তদবির চালাচ্ছে তুরস্ক। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সামরিক জোট গড়ে উঠতে পারে এমন এক সময়ে, যখন উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে দুই সপ্তাহ ধরে চলা গণবিক্ষোভের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মোভাহেদি আজাদ সতর্ক করে দিয়েছেন, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী যে কাউকে ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সেই অনুসারে শাস্তি দেওয়া হবে। ইরানি আইন অনুযায়ী যে অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে