
রাশিয়ার রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত এক টেলিভিশনে যুদ্ধবিরোধী বার্তা প্রচার করা সাংবাদিক মেরিনা ওভস্যানিকোভা নিখোঁজ হয়েছেন। এমনটি দাবি করেছে ওভিডি-ইনফো নামে একটি মানবাধিকার সংস্থা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, টেলিভিশনে যুদ্ধবিরোধী বার্তা প্রচার করার পর মেরিনা ওভস্যানিকোভাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
ওভিডি-ইনফোর পক্ষ থেকে একটি টুইট বার্তায় বলা হয়, চ্যানেল ওয়ানের কর্মচারী মারিয়া ওভস্যানিকোভা-এর বিরুদ্ধে একটি প্রাক-তদন্ত শুরু করা হয়েছিল। বার্তা সংস্থা টিএএসএস জানায়, ভ্রেম্যা নামের একটি অনুষ্ঠান লাইভ সম্প্রচারের সময় যুদ্ধবিরোধী বার্তা দেন তিনি। তিনি কোথায় আছেন তা এখনো অজানা।
ওভিডি-ইনফো বিক্ষোভে বিরোধীদের আটকের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সাংবাদিকের নাম মেরিনা ওভস্যানিকোভা। তিনি চ্যানেল ওয়ানের একজন সম্পাদক। সন্ধ্যায় যখন একটি সংবাদ অনুষ্ঠান চলছিল, তখন মেরিনা ওভস্যানিকোভা একটি প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে উপস্থাপিকার পেছনে দাঁড়িয়ে যান। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—‘যুদ্ধ নয়, লড়াই বন্ধ করো, প্রচারণায় বিশ্বাস করবেন না, তারা এখানে আপনাদের মিথ্যা বলছে।’
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত রোববার রাতে অন্য একটি লাইভ অনুষ্ঠানে এই সাংবাদিক বলেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়া যা করছে সেটা ‘অপরাধ’। ক্রেমলিনের হয়ে তাঁকে যে প্রচারণায় অংশ নিতে হচ্ছে, এ জন্য তিনি লজ্জিত।
মেরিনা ওভস্যানিকোভা বলেছেন, ‘আমি লজ্জিত যে আমি টেলিভিশনের পর্দায় মিথ্যা বলতে বাধ্য হচ্ছি। আমার খুবই লজ্জা হয় যে, আমরা রুশদের জম্বিতে পরিণত হতে দিয়েছি।’
ওভস্যানিকোভাকে সমর্থন দেওয়া আইনজীবী পাভেল চিকভ টুইট বার্তায় বলেন, ওভসায়ানিকোভা ১২ ঘণ্টার বেশি পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।
ওভস্যানিকোভার আইনজীবীর বরাত দিয়ে ইউক্রেনের কূটনীতিক অলেক্সান্ডার শেরবা বলেন, তাঁকে কোনো থানায় পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো গোপন জায়গায় রাখা হয়েছে ওভস্যানিকোভাকে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত এক টেলিভিশনে যুদ্ধবিরোধী বার্তা প্রচার করা সাংবাদিক মেরিনা ওভস্যানিকোভা নিখোঁজ হয়েছেন। এমনটি দাবি করেছে ওভিডি-ইনফো নামে একটি মানবাধিকার সংস্থা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, টেলিভিশনে যুদ্ধবিরোধী বার্তা প্রচার করার পর মেরিনা ওভস্যানিকোভাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
ওভিডি-ইনফোর পক্ষ থেকে একটি টুইট বার্তায় বলা হয়, চ্যানেল ওয়ানের কর্মচারী মারিয়া ওভস্যানিকোভা-এর বিরুদ্ধে একটি প্রাক-তদন্ত শুরু করা হয়েছিল। বার্তা সংস্থা টিএএসএস জানায়, ভ্রেম্যা নামের একটি অনুষ্ঠান লাইভ সম্প্রচারের সময় যুদ্ধবিরোধী বার্তা দেন তিনি। তিনি কোথায় আছেন তা এখনো অজানা।
ওভিডি-ইনফো বিক্ষোভে বিরোধীদের আটকের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সাংবাদিকের নাম মেরিনা ওভস্যানিকোভা। তিনি চ্যানেল ওয়ানের একজন সম্পাদক। সন্ধ্যায় যখন একটি সংবাদ অনুষ্ঠান চলছিল, তখন মেরিনা ওভস্যানিকোভা একটি প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে উপস্থাপিকার পেছনে দাঁড়িয়ে যান। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—‘যুদ্ধ নয়, লড়াই বন্ধ করো, প্রচারণায় বিশ্বাস করবেন না, তারা এখানে আপনাদের মিথ্যা বলছে।’
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত রোববার রাতে অন্য একটি লাইভ অনুষ্ঠানে এই সাংবাদিক বলেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়া যা করছে সেটা ‘অপরাধ’। ক্রেমলিনের হয়ে তাঁকে যে প্রচারণায় অংশ নিতে হচ্ছে, এ জন্য তিনি লজ্জিত।
মেরিনা ওভস্যানিকোভা বলেছেন, ‘আমি লজ্জিত যে আমি টেলিভিশনের পর্দায় মিথ্যা বলতে বাধ্য হচ্ছি। আমার খুবই লজ্জা হয় যে, আমরা রুশদের জম্বিতে পরিণত হতে দিয়েছি।’
ওভস্যানিকোভাকে সমর্থন দেওয়া আইনজীবী পাভেল চিকভ টুইট বার্তায় বলেন, ওভসায়ানিকোভা ১২ ঘণ্টার বেশি পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।
ওভস্যানিকোভার আইনজীবীর বরাত দিয়ে ইউক্রেনের কূটনীতিক অলেক্সান্ডার শেরবা বলেন, তাঁকে কোনো থানায় পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো গোপন জায়গায় রাখা হয়েছে ওভস্যানিকোভাকে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৭ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৭ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১০ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১১ ঘণ্টা আগে