
পৃথিবীব্যাপী অস্ত্রবাণিজ্য ও ‘মারণ যন্ত্রের’ ব্যবসার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) খ্রিষ্টানদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব বড়দিনে বিশ্বের জন্য বিশেষ করে ইসরায়েল–ফিলিস্তিনের জন্য শান্তি কামনা করে প্রার্থনা করতে গিয়ে তিনি যুদ্ধ উসকে দেওয়া অস্ত্র বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার বেলকনিতে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার জনতার উদ্দেশে বক্তৃতা দেন পোপ ফ্রান্সিস। এ সময় তিনি গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের হামলার নিন্দা ও ভুক্তভোগীদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান। সেই সঙ্গে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ করার পাশাপাশি সেখানে নিরপরাধ মানুষের জন্য ত্রাণ পাঠানোর আহ্বান জানান।
পোপ ফ্রান্সিস তাঁর বড়দিনের প্রার্থনা বিশ্বে শান্তির আহ্বানে উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, ‘বাইবেলে বেথলেহেমে যিশু খ্রিষ্টের জন্মের গল্প শান্তির বার্তা দেয়। তবে এ বছর বেথলেহেম দুঃখ ও নীরবতার স্থান।’
ফ্রান্সিসের বার্ষিক ‘উর্বি এত ওর্বি’ (শহর ও বিশ্বের প্রতি) বক্তৃতায় সাধারণত বিশ্বের বিদ্যমান সব ভোগান্তি ও দুঃখের অবসান কামনা করে কথা বলা হয়। এ বছরও এর ব্যতিক্রম ছিল না। আজারবাইজান–আর্মেনিয়া থেকে সিরিয়া–ইয়েমেন, ইউক্রেন থেকে দক্ষিণ সুদান ও কঙ্গো এবং কোরিয়া দ্বীপপুঞ্জ—সব জায়গাতেই মানবিক পদক্ষেপ, সংলাপ এবং সহিংসতা ও হানাহানি বন্ধ করে নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান ফ্রান্সিস।
তিনি বিভিন্ন দেশের সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের অভিবাসন সংকট ও মানবপাচার রোধে এগিয়ে আসতে বলেন।
তবে বিশেষ করে অস্ত্র বাণিজ্যের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন পোপ ফ্রান্সিস। তিনি বলেন, ‘এ অস্ত্র বাণিজ্য বিশ্বজুড়ে সংঘাত উসকে দিচ্ছে।’
ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের এ সর্বোচ্চ ধর্মী নেতা বলেন, ‘যুদ্ধে কার লাভ হচ্ছে ও কে কলকাঠি নাড়ছে তা সামনে আনতে এ নিয়ে কথা বলা উচিত এবং লেখালেখি করা উচিত। আমরা শান্তি কীভাবে আশা করতে পারি, যেখানে অস্ত্র উৎপাদন, বিক্রি ও বাণিজ্য ক্রমে বেড়েই চলেছে।’
পোপ ফ্রান্সিস অস্ত্র বাণিজ্যকে ‘মৃত্যুর সওদাগর’ বলে অভিহিত করেন। বিশেষ করে ইউক্রেনের যুদ্ধ নতুন অস্ত্র পরখ করে নেওয়া বা অস্ত্রাগারে পড়ে থাকা পুরোনো অস্ত্রগুলো কাজে লাগানোর উপলক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তির আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটানোর আহ্বান জানান পোপ।
ভ্যাটিকান সিটির কর্মকর্তারা বলেন, বড়দিনে ফ্রান্সিসের মধ্যাহ্নকালীন ভাষণ ও আশীর্বাদের জন্য সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ সমবেত হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে এসেছিলেন এবং অনেকের হাতে ছিল ইউক্রেনের জাতীয় পতাকা।

পৃথিবীব্যাপী অস্ত্রবাণিজ্য ও ‘মারণ যন্ত্রের’ ব্যবসার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) খ্রিষ্টানদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব বড়দিনে বিশ্বের জন্য বিশেষ করে ইসরায়েল–ফিলিস্তিনের জন্য শান্তি কামনা করে প্রার্থনা করতে গিয়ে তিনি যুদ্ধ উসকে দেওয়া অস্ত্র বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার বেলকনিতে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার জনতার উদ্দেশে বক্তৃতা দেন পোপ ফ্রান্সিস। এ সময় তিনি গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের হামলার নিন্দা ও ভুক্তভোগীদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান। সেই সঙ্গে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ করার পাশাপাশি সেখানে নিরপরাধ মানুষের জন্য ত্রাণ পাঠানোর আহ্বান জানান।
পোপ ফ্রান্সিস তাঁর বড়দিনের প্রার্থনা বিশ্বে শান্তির আহ্বানে উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, ‘বাইবেলে বেথলেহেমে যিশু খ্রিষ্টের জন্মের গল্প শান্তির বার্তা দেয়। তবে এ বছর বেথলেহেম দুঃখ ও নীরবতার স্থান।’
ফ্রান্সিসের বার্ষিক ‘উর্বি এত ওর্বি’ (শহর ও বিশ্বের প্রতি) বক্তৃতায় সাধারণত বিশ্বের বিদ্যমান সব ভোগান্তি ও দুঃখের অবসান কামনা করে কথা বলা হয়। এ বছরও এর ব্যতিক্রম ছিল না। আজারবাইজান–আর্মেনিয়া থেকে সিরিয়া–ইয়েমেন, ইউক্রেন থেকে দক্ষিণ সুদান ও কঙ্গো এবং কোরিয়া দ্বীপপুঞ্জ—সব জায়গাতেই মানবিক পদক্ষেপ, সংলাপ এবং সহিংসতা ও হানাহানি বন্ধ করে নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান ফ্রান্সিস।
তিনি বিভিন্ন দেশের সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের অভিবাসন সংকট ও মানবপাচার রোধে এগিয়ে আসতে বলেন।
তবে বিশেষ করে অস্ত্র বাণিজ্যের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন পোপ ফ্রান্সিস। তিনি বলেন, ‘এ অস্ত্র বাণিজ্য বিশ্বজুড়ে সংঘাত উসকে দিচ্ছে।’
ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের এ সর্বোচ্চ ধর্মী নেতা বলেন, ‘যুদ্ধে কার লাভ হচ্ছে ও কে কলকাঠি নাড়ছে তা সামনে আনতে এ নিয়ে কথা বলা উচিত এবং লেখালেখি করা উচিত। আমরা শান্তি কীভাবে আশা করতে পারি, যেখানে অস্ত্র উৎপাদন, বিক্রি ও বাণিজ্য ক্রমে বেড়েই চলেছে।’
পোপ ফ্রান্সিস অস্ত্র বাণিজ্যকে ‘মৃত্যুর সওদাগর’ বলে অভিহিত করেন। বিশেষ করে ইউক্রেনের যুদ্ধ নতুন অস্ত্র পরখ করে নেওয়া বা অস্ত্রাগারে পড়ে থাকা পুরোনো অস্ত্রগুলো কাজে লাগানোর উপলক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তির আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটানোর আহ্বান জানান পোপ।
ভ্যাটিকান সিটির কর্মকর্তারা বলেন, বড়দিনে ফ্রান্সিসের মধ্যাহ্নকালীন ভাষণ ও আশীর্বাদের জন্য সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ সমবেত হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে এসেছিলেন এবং অনেকের হাতে ছিল ইউক্রেনের জাতীয় পতাকা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
৪ ঘণ্টা আগে