
তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। আজ মঙ্গলবার রুশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ডুমায় একটি আইন পাসের পক্ষে ভোটাভুটি হয়েছে। এই আইন পাস হলে মস্কোর সন্ত্রাসী তালিকা থেকে উঠে যাবে তালেবানের নাম। রাশিয়ার এই সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
২০১৭ সালে রাশিয়া তালেবানকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তালেবানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক বেশ উষ্ণ হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত জুলাইয়ে তালেবানকে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে একটি কার্যকর মিত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। আফগানিস্তান থেকে ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর হুমকি মোকাবিলায় তালেবানের ভূমিকা রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে, তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা তাদের নারী অধিকারবিরোধী নীতিমালা। আফগানিস্তানে নারীদের শিক্ষার সুযোগ সীমিত করা, তাদের চলাফেরায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া কাজের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। এই অবস্থায় রাশিয়ার পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।
আফগানিস্তানের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের ইতিহাস জটিল। ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত সেনারা আফগানিস্তানে প্রবেশ করেছিল, কিন্তু মুজাহিদীন যোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে এক দশকের মাথায় তারা ফিরে যেতে বাধ্য হয়। সেই যুদ্ধে প্রায় ১৫ হাজার সোভিয়েত সেনা প্রাণ হারায়।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, তালেবানকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে রাশিয়া মধ্য এশিয়ায় নিজের প্রভাব বিস্তারের নতুন সুযোগ খুঁজছে। তবে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার এই উদ্যোগ বিরোধপূর্ণ হতে পারে। ফলে, রাশিয়ার এই পদক্ষেপ তালেবানের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দরজা খুলে দেবে নাকি নতুন বিতর্ক তৈরি করবে—তা বুঝতে হলে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। আজ মঙ্গলবার রুশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ডুমায় একটি আইন পাসের পক্ষে ভোটাভুটি হয়েছে। এই আইন পাস হলে মস্কোর সন্ত্রাসী তালিকা থেকে উঠে যাবে তালেবানের নাম। রাশিয়ার এই সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
২০১৭ সালে রাশিয়া তালেবানকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তালেবানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক বেশ উষ্ণ হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত জুলাইয়ে তালেবানকে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে একটি কার্যকর মিত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। আফগানিস্তান থেকে ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর হুমকি মোকাবিলায় তালেবানের ভূমিকা রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে, তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা তাদের নারী অধিকারবিরোধী নীতিমালা। আফগানিস্তানে নারীদের শিক্ষার সুযোগ সীমিত করা, তাদের চলাফেরায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া কাজের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। এই অবস্থায় রাশিয়ার পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।
আফগানিস্তানের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের ইতিহাস জটিল। ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত সেনারা আফগানিস্তানে প্রবেশ করেছিল, কিন্তু মুজাহিদীন যোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে এক দশকের মাথায় তারা ফিরে যেতে বাধ্য হয়। সেই যুদ্ধে প্রায় ১৫ হাজার সোভিয়েত সেনা প্রাণ হারায়।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, তালেবানকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে রাশিয়া মধ্য এশিয়ায় নিজের প্রভাব বিস্তারের নতুন সুযোগ খুঁজছে। তবে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার এই উদ্যোগ বিরোধপূর্ণ হতে পারে। ফলে, রাশিয়ার এই পদক্ষেপ তালেবানের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দরজা খুলে দেবে নাকি নতুন বিতর্ক তৈরি করবে—তা বুঝতে হলে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

ইরানে আন্দোলনকারীদের ওপর দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। এর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন বিমানঘাঁটি ‘আল-উদেইদ’ থেকে কিছু...
২৩ মিনিট আগে
ইরানে চলমান কঠোর দমন–পীড়নের মধ্যে দেশটি ছেড়ে তুরস্কে প্রবেশ করছেন বহু ইরানি নাগরিক। বুধবার ইরান–তুরস্ক সীমান্তের কাপিকয় সীমান্ত ফটক দিয়ে ডজনখানেক ইরানি পরিবার ও ব্যক্তি তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় ভান প্রদেশে প্রবেশ করেন।
৩৬ মিনিট আগে
মার্কিন দূতাবাসের এক পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতার ঢেউ তুলেছেন মালয়েশীয়রা। অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, ‘আমাদের দেশে কোনো তেল নেই, ট্রাম্প প্রশাসন যেন মালয়েশিয়ায় কুনজর না দেয়।’
১ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার অপসারিত ও অভিশংসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ বা বিদ্রোহের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন দেশটির বিশেষ কৌঁসুলিরা। সিউলের একটি আদালতে তাঁরা এই শাস্তির আবেদন জানান। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ব্যর্থ সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল চেষ্টার অভিযোগে
১ ঘণ্টা আগে