
রাশিয়ার প্রতি সৈন্য অপসারণের প্রমাণ চেয়েছেন ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ ও ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস। স্থানীয় সময় বুধবার ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্টলটনেবার্গ এ আহ্বান জানান। ন্যাটোর ব্রাসেলসের হেডকোয়ার্টারে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্টলটেনবার্গ বলেন, ‘আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে রাশিয়া সৈন্য প্রত্যাহার করছে...কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেখা যাচ্ছে, রাশিয়া ক্রমশ সৈন্য সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছে এবং আরও সেনা সেখানে পৌঁছানোর পথে রয়েছে।’
রাশিয়া ইউক্রেন সীমান্তে আরও সৈন্য সমাবেশ করছে এমন সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে স্টলটেনবার্গ আরও বলেন, ‘তাঁরা যদি সত্যিই সৈন্য অপসারণ করে তবে তা আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু তাঁরা যেটা করেছে তা হল, তাঁদের সৈন্য, ট্যাংক এবং অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্রের অবস্থান কেবল এদিক সেদিক করেছে—যাতে আমাদের মনে হয় যে, তাঁরা সৈন্য অপসারণ করছে। কিন্তু এমন কর্মকাণ্ড সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয়টি প্রমাণ করে না।’
এ দিকে, রাশিয়া কর্তৃক সৈন্য অপসারণের ঘোষণা দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস বলেছেন, রাশিয়াকে তাঁর কাজের মাধ্যমে বিবেচনা করা হবে, কথায় নয়।
স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেন ওয়ালেস বলেছেন, ‘ক্রেমলিন ঘোষণা দিয়েছে তাঁরা সৈন্য অপসারণ করছে, কিন্তু আমরা এখনো এর কোনো প্রমাণ দেখতে পাইনি।’
স্টলটেনবার্গের সুরে সুর মিলিয়ে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীও দাবি করেছেন, রাশিয়া ইউক্রেন সীমান্তে সৈন্য সংখ্যা আরও বাড়াচ্ছে। এ সময় তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত সৈন্য অপসারণের পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়া যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’
এ দিকে বুধবার সকালে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক খবরে বলা হয়, ক্রিমিয়ায় সামরিক মহড়া শেষ করেছে রাশিয়া। সেখানকার সৈন্যরা ঘাঁটিতে ফিরে গেছে।

রাশিয়ার প্রতি সৈন্য অপসারণের প্রমাণ চেয়েছেন ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টলটেনবার্গ ও ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস। স্থানীয় সময় বুধবার ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্টলটনেবার্গ এ আহ্বান জানান। ন্যাটোর ব্রাসেলসের হেডকোয়ার্টারে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্টলটেনবার্গ বলেন, ‘আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে রাশিয়া সৈন্য প্রত্যাহার করছে...কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেখা যাচ্ছে, রাশিয়া ক্রমশ সৈন্য সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছে এবং আরও সেনা সেখানে পৌঁছানোর পথে রয়েছে।’
রাশিয়া ইউক্রেন সীমান্তে আরও সৈন্য সমাবেশ করছে এমন সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে স্টলটেনবার্গ আরও বলেন, ‘তাঁরা যদি সত্যিই সৈন্য অপসারণ করে তবে তা আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু তাঁরা যেটা করেছে তা হল, তাঁদের সৈন্য, ট্যাংক এবং অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্রের অবস্থান কেবল এদিক সেদিক করেছে—যাতে আমাদের মনে হয় যে, তাঁরা সৈন্য অপসারণ করছে। কিন্তু এমন কর্মকাণ্ড সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয়টি প্রমাণ করে না।’
এ দিকে, রাশিয়া কর্তৃক সৈন্য অপসারণের ঘোষণা দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস বলেছেন, রাশিয়াকে তাঁর কাজের মাধ্যমে বিবেচনা করা হবে, কথায় নয়।
স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেন ওয়ালেস বলেছেন, ‘ক্রেমলিন ঘোষণা দিয়েছে তাঁরা সৈন্য অপসারণ করছে, কিন্তু আমরা এখনো এর কোনো প্রমাণ দেখতে পাইনি।’
স্টলটেনবার্গের সুরে সুর মিলিয়ে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীও দাবি করেছেন, রাশিয়া ইউক্রেন সীমান্তে সৈন্য সংখ্যা আরও বাড়াচ্ছে। এ সময় তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত সৈন্য অপসারণের পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়া যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’
এ দিকে বুধবার সকালে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক খবরে বলা হয়, ক্রিমিয়ায় সামরিক মহড়া শেষ করেছে রাশিয়া। সেখানকার সৈন্যরা ঘাঁটিতে ফিরে গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১১ মিনিট আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
৩৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৭ ঘণ্টা আগে