
দুই বছরের শিশু সন্তান ব্রনসন ব্যাটার্সবিকে নিয়ে বাড়িতে একা থাকতেন ৬০ বছর বয়সী কেনেথ। একদিন হার্ট অ্যাটাকে একা ঘরে মারা যান বাবা কেনেথ। এতে খাবার না পেয়ে ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় মারা গেছে শিশুটিও।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গত ৯ জানুয়ারি লিঙ্কনশায়ারে ওই দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ দুজনকে গত ২৬ ডিসেম্বর সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল। এর দুই সপ্তাহ আগে কেনেথ হার্ট অ্যাটাক করেছিলেন।
ধারণা করা হচ্ছে, ২৯ ডিসেম্বর আবারও হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যু হয় তার। বাড়িতে অন্য কেউ না থাকায় শিশু ব্রনসন ব্যাটার্সবি একাকী হয়ে যায়। তাঁকে খাবার খাইয়ে দেওয়ার মতো কেউ না থাকায়—অনাহারে তার মৃত্যু হয়েছে।
লিঙ্কনশায়ার কাউন্টি কাউন্সিল এই শিশুর মৃত্যু নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
এই শিশুটি অরক্ষিত থাকায় প্রতি মাসে একবার শিশু পরিষেবা সংস্থার কর্মীরা তাকে দেখে যেতেন। তারই অংশ হিসেবে গত ২ জানুয়ারি এক সমাজকর্মী শিশুটির বাড়িতে যান। এর আগে ২৭ ডিসেম্বর তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি। ২ জানুয়ারি বাড়িতে আসলেও কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে তিনি অন্যান্য জায়গায় খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেন—যেখানে শিশুটি থাকতে পারে। এরপর দুই দিন পর তিনি আবারও শিশুটির খোঁজে বাড়িতে আসেন; তখনো কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে পুলিশকে অবহিত করেন।
কিন্তু কোনোভাবেই যোগাযোগ করতে না পেরে ওই বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চাবি নিয়ে ঘরে ঢুকে তিনি দেখতে পান বাবার পাশে শিশুটি মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। খাবার ও পানি না পাওয়ায় তার শরীর কুঁকড়ে গিয়েছিল।
শিশুটির মা জানিয়েছেন, বড়দিনের আগে নিজ সন্তানের সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল। এরপর আর তাদের দেখেননি তিনি। শিশুটির বাবার সঙ্গে ঝামেলা থাকায় তিনি আলাদা থাকতেন।
লিঙ্কনশায়ার পুলিশের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘পুলিশ গত ৯ জানুয়ারি বেলা ৩টা ২৫ মিনিটে স্কেগনেসের এই ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়। ঘটনার তদন্ত শেষ হয়েছে এবং এই মৃত্যুকে সন্দেহজনক হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। এরপরেও জড়িত সংস্থাগুলোর কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করা হবে। এর বেশি কিছু এখনই বলা যাচ্ছে না।’

দুই বছরের শিশু সন্তান ব্রনসন ব্যাটার্সবিকে নিয়ে বাড়িতে একা থাকতেন ৬০ বছর বয়সী কেনেথ। একদিন হার্ট অ্যাটাকে একা ঘরে মারা যান বাবা কেনেথ। এতে খাবার না পেয়ে ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় মারা গেছে শিশুটিও।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গত ৯ জানুয়ারি লিঙ্কনশায়ারে ওই দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ দুজনকে গত ২৬ ডিসেম্বর সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল। এর দুই সপ্তাহ আগে কেনেথ হার্ট অ্যাটাক করেছিলেন।
ধারণা করা হচ্ছে, ২৯ ডিসেম্বর আবারও হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যু হয় তার। বাড়িতে অন্য কেউ না থাকায় শিশু ব্রনসন ব্যাটার্সবি একাকী হয়ে যায়। তাঁকে খাবার খাইয়ে দেওয়ার মতো কেউ না থাকায়—অনাহারে তার মৃত্যু হয়েছে।
লিঙ্কনশায়ার কাউন্টি কাউন্সিল এই শিশুর মৃত্যু নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
এই শিশুটি অরক্ষিত থাকায় প্রতি মাসে একবার শিশু পরিষেবা সংস্থার কর্মীরা তাকে দেখে যেতেন। তারই অংশ হিসেবে গত ২ জানুয়ারি এক সমাজকর্মী শিশুটির বাড়িতে যান। এর আগে ২৭ ডিসেম্বর তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি। ২ জানুয়ারি বাড়িতে আসলেও কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে তিনি অন্যান্য জায়গায় খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেন—যেখানে শিশুটি থাকতে পারে। এরপর দুই দিন পর তিনি আবারও শিশুটির খোঁজে বাড়িতে আসেন; তখনো কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে পুলিশকে অবহিত করেন।
কিন্তু কোনোভাবেই যোগাযোগ করতে না পেরে ওই বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চাবি নিয়ে ঘরে ঢুকে তিনি দেখতে পান বাবার পাশে শিশুটি মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। খাবার ও পানি না পাওয়ায় তার শরীর কুঁকড়ে গিয়েছিল।
শিশুটির মা জানিয়েছেন, বড়দিনের আগে নিজ সন্তানের সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল। এরপর আর তাদের দেখেননি তিনি। শিশুটির বাবার সঙ্গে ঝামেলা থাকায় তিনি আলাদা থাকতেন।
লিঙ্কনশায়ার পুলিশের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘পুলিশ গত ৯ জানুয়ারি বেলা ৩টা ২৫ মিনিটে স্কেগনেসের এই ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়। ঘটনার তদন্ত শেষ হয়েছে এবং এই মৃত্যুকে সন্দেহজনক হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। এরপরেও জড়িত সংস্থাগুলোর কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করা হবে। এর বেশি কিছু এখনই বলা যাচ্ছে না।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
১১ মিনিট আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৪ ঘণ্টা আগে