
রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে যারা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন, তাঁদের এখনই ফিরে না আসার আহ্বান জানিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ। দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, একটি সশস্ত্র নাশকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী ইউক্রেন থেকে রাশিয়ায় ঢুকে পড়েছে। তারা গতকাল সোমবার গ্রেভোরনস্কিতে হামলা চালিয়েছে।
ওই অস্ত্রধারী অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে লড়াই করছে মস্কোর সেনারা। একই সময়ে এই সন্ত্রাসী হামলার তদন্ত করছে তারা।
তবে ইউক্রেন এই হামলা ও অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে দায় অস্বীকার করেছে। ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার দুটি আধাসামরিক গোষ্ঠী এই আক্রমণের জন্য দায়ী।
এ পর্যন্ত সংঘর্ষে কেউ নিহত হননি। তবে অনেকেই আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বেলগোরোদ অঞ্চলের গভর্নর ভ্যাচেস্লাভ গ্ল্যাদকভ আজ মঙ্গলবার বলেছেন, সরিয়ে নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন। রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এসব ড্রোন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুশ ভবনে হামলা করছিল।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি যাচাই করে দেখেছে, হামলার শিকার ভবনগুলোর মধ্য রাশিয়ার প্রধান নিরাপত্তা সংস্থা এফএসবির একটি ভবনও রয়েছে। তবে কিসের হামলায় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা স্পষ্ট নয়।
গভর্নর ভ্যাচেস্লাভ গ্ল্যাদকভ আরও বলেন, বেশ কয়েকটি গ্রামের লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যাঁরা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন, তাঁদের এখনই ফিরে না আসার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। কারণ, রুশ বাহিনী এই হামলাকে ‘মোপিং আপ’ (যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুপক্ষের সবাইকে হত্যা) অপারেশন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
রাশিয়ায় গতকাল সোমবারের এই হামলা ১৫ মাসের মধ্য সবচেয়ে বড় বলে মনে করা হচ্ছে। হামলার পর রুশ সরকার দ্রুত বেলগোরোদে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে। প্রদেশটির কর্তৃপক্ষকে যোগাযোগব্যবস্থা ও জনগণের চলাচল বন্ধে বিশেষ ক্ষমতাও দিয়েছে।
ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলছেন, এ ঘটনার পেছনে লিবার্টি অব রাশিয়া লিজিয়ন এবং রাশিয়ান ভলান্টিয়ার কর্পস (আরভিসি) গ্রুপ জড়িত রয়েছে।
লিবার্টি অব রাশিয়া লিজিয়ন ইউক্রেনভিত্তিক রুশ মিলিশিয়া গ্রুপ। যারা রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে উৎখাত করতে দেশটির অভ্যন্তরে কাজ করে।
গতকাল সোমবার এক টুইট বার্তায় সংস্থাটি বলেছে, তারা রাশিয়ার সীমান্ত অঞ্চলের শহর কোজিনকাকে ‘সম্পূর্ণ স্বাধীন’ করেছে। তাঁদের ফরোয়ার্ড ইউনিটগুলো এখন আরও পূর্বে গ্রেভোরন শহরে পৌঁছেছে।
ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ইউক্রেনে অনেক রুশ জাতির বাস রয়েছে। তবে তারা এখন ইউক্রেনীয় জঙ্গি। হামলাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল ইউক্রেনের বাখমুত থেকে যুদ্ধের দিক ভিন্ন দিকে নেওয়া।
এদিকে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা ওয়াগনার গ্রুপ কয়েক মাস ধরে তীব্র ও রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর সম্প্রতি বাখমুত শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে দাবি করেছে।
তবে কিয়েভের জোর দাবি, বাখমুতের কিছু অংশ এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইউক্রেনের উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী হান্না মালিয়ার আজ মঙ্গলবার বলেছেন, বাখমুতে সংঘর্ষের মাত্রা কমেছে, যদিও এর আশপাশের এলাকায় গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে যারা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন, তাঁদের এখনই ফিরে না আসার আহ্বান জানিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ। দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, একটি সশস্ত্র নাশকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী ইউক্রেন থেকে রাশিয়ায় ঢুকে পড়েছে। তারা গতকাল সোমবার গ্রেভোরনস্কিতে হামলা চালিয়েছে।
ওই অস্ত্রধারী অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে লড়াই করছে মস্কোর সেনারা। একই সময়ে এই সন্ত্রাসী হামলার তদন্ত করছে তারা।
তবে ইউক্রেন এই হামলা ও অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে দায় অস্বীকার করেছে। ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার দুটি আধাসামরিক গোষ্ঠী এই আক্রমণের জন্য দায়ী।
এ পর্যন্ত সংঘর্ষে কেউ নিহত হননি। তবে অনেকেই আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বেলগোরোদ অঞ্চলের গভর্নর ভ্যাচেস্লাভ গ্ল্যাদকভ আজ মঙ্গলবার বলেছেন, সরিয়ে নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন। রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এসব ড্রোন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুশ ভবনে হামলা করছিল।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি যাচাই করে দেখেছে, হামলার শিকার ভবনগুলোর মধ্য রাশিয়ার প্রধান নিরাপত্তা সংস্থা এফএসবির একটি ভবনও রয়েছে। তবে কিসের হামলায় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা স্পষ্ট নয়।
গভর্নর ভ্যাচেস্লাভ গ্ল্যাদকভ আরও বলেন, বেশ কয়েকটি গ্রামের লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যাঁরা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন, তাঁদের এখনই ফিরে না আসার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। কারণ, রুশ বাহিনী এই হামলাকে ‘মোপিং আপ’ (যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুপক্ষের সবাইকে হত্যা) অপারেশন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
রাশিয়ায় গতকাল সোমবারের এই হামলা ১৫ মাসের মধ্য সবচেয়ে বড় বলে মনে করা হচ্ছে। হামলার পর রুশ সরকার দ্রুত বেলগোরোদে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে। প্রদেশটির কর্তৃপক্ষকে যোগাযোগব্যবস্থা ও জনগণের চলাচল বন্ধে বিশেষ ক্ষমতাও দিয়েছে।
ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলছেন, এ ঘটনার পেছনে লিবার্টি অব রাশিয়া লিজিয়ন এবং রাশিয়ান ভলান্টিয়ার কর্পস (আরভিসি) গ্রুপ জড়িত রয়েছে।
লিবার্টি অব রাশিয়া লিজিয়ন ইউক্রেনভিত্তিক রুশ মিলিশিয়া গ্রুপ। যারা রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে উৎখাত করতে দেশটির অভ্যন্তরে কাজ করে।
গতকাল সোমবার এক টুইট বার্তায় সংস্থাটি বলেছে, তারা রাশিয়ার সীমান্ত অঞ্চলের শহর কোজিনকাকে ‘সম্পূর্ণ স্বাধীন’ করেছে। তাঁদের ফরোয়ার্ড ইউনিটগুলো এখন আরও পূর্বে গ্রেভোরন শহরে পৌঁছেছে।
ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ইউক্রেনে অনেক রুশ জাতির বাস রয়েছে। তবে তারা এখন ইউক্রেনীয় জঙ্গি। হামলাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল ইউক্রেনের বাখমুত থেকে যুদ্ধের দিক ভিন্ন দিকে নেওয়া।
এদিকে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা ওয়াগনার গ্রুপ কয়েক মাস ধরে তীব্র ও রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর সম্প্রতি বাখমুত শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে দাবি করেছে।
তবে কিয়েভের জোর দাবি, বাখমুতের কিছু অংশ এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইউক্রেনের উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী হান্না মালিয়ার আজ মঙ্গলবার বলেছেন, বাখমুতে সংঘর্ষের মাত্রা কমেছে, যদিও এর আশপাশের এলাকায় গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
২৮ মিনিট আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
১ ঘণ্টা আগে
যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়তে যাচ্ছে রাইড শেয়ার কোম্পানি উবার। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে চলতি সপ্তাহে শুরু হচ্ছে একটি যৌন নিপীড়ন মামলার শুনানি, যেখানে উবারের মাধ্যমে বুক করা গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক নারী।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভে একাধিক ‘সহিংস দাঙ্গায়’ বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির পর স্থানীয় সময় রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। নিহত ইরানিদের স্মরণে প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভা শোক পালন করছে বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের দপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে