
রাশিয়ার ওপর আরোপিত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলেই কেবল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) এবং অন্যান্য যৌথ মহাকাশ প্রকল্পে রাশিয়ার সঙ্গে অন্য দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে। রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমসের ((ROSCOSMOS) পরিচালক দিমিত্রি রোগোজিন এ কথা বলেছেন। শনিবার সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রসকসমসের প্রধান দিমিত্রি রোগোজিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে করা এক পোস্টে বলেছেন, ‘নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো রাশিয়ার অর্থনীতিকে হত্যা করা, আমাদের দেশকে নতি স্বীকারে বাধ্য করে আমাদের জনগণকে হতাশা ও ক্ষুধায় নিমজ্জিত করা। তাঁরা এতে সফল হবে না, তবে তাঁদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার।’
রোগোজিন তাঁর টুইটে আরও বলেন, ‘এ কারণেই আমি বিশ্বাস করি, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন এবং অন্যান্য মহাকাশ প্রকল্পের অংশীদার দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চাইলে এবং হারানো আস্থা পুনরুদ্ধার কেবল রাশিয়ার ওপর আরোপিত অবৈধ নিষেধাজ্ঞাগুলো সম্পূর্ণ ও নিঃশর্ত অপসারণের মাধ্যমেই সম্ভব।’
রোগোজিন আরও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানের মহাকাশ সংস্থাগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন নিয়ে চলমান সহযোগিতা কখন বন্ধ করতে হবে সে বিষয়ে রসকসমসের প্রস্তাবগুলো শিগগিরই রাশিয়া সরকারকে জানানো হবে।
রোগোজিন এর আগে বলেছিলেন, রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার অংশীদারত্ব নষ্ট করতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে তাদের কথিত ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করলে পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা থাকলেও গত বুধবার রাশিয়ার মহাকাশ যান সয়ুজে করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীতে অবতরণ করেছেন এক মার্কিন মহাকাশচারী এবং তাঁকে নিয়ে মহাকাশযান চালিয়েও আনেন দুই রুশ মহাকাশচারী।

রাশিয়ার ওপর আরোপিত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলেই কেবল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) এবং অন্যান্য যৌথ মহাকাশ প্রকল্পে রাশিয়ার সঙ্গে অন্য দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে। রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমসের ((ROSCOSMOS) পরিচালক দিমিত্রি রোগোজিন এ কথা বলেছেন। শনিবার সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রসকসমসের প্রধান দিমিত্রি রোগোজিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে করা এক পোস্টে বলেছেন, ‘নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো রাশিয়ার অর্থনীতিকে হত্যা করা, আমাদের দেশকে নতি স্বীকারে বাধ্য করে আমাদের জনগণকে হতাশা ও ক্ষুধায় নিমজ্জিত করা। তাঁরা এতে সফল হবে না, তবে তাঁদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার।’
রোগোজিন তাঁর টুইটে আরও বলেন, ‘এ কারণেই আমি বিশ্বাস করি, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন এবং অন্যান্য মহাকাশ প্রকল্পের অংশীদার দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চাইলে এবং হারানো আস্থা পুনরুদ্ধার কেবল রাশিয়ার ওপর আরোপিত অবৈধ নিষেধাজ্ঞাগুলো সম্পূর্ণ ও নিঃশর্ত অপসারণের মাধ্যমেই সম্ভব।’
রোগোজিন আরও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানের মহাকাশ সংস্থাগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন নিয়ে চলমান সহযোগিতা কখন বন্ধ করতে হবে সে বিষয়ে রসকসমসের প্রস্তাবগুলো শিগগিরই রাশিয়া সরকারকে জানানো হবে।
রোগোজিন এর আগে বলেছিলেন, রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার অংশীদারত্ব নষ্ট করতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে তাদের কথিত ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করলে পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা থাকলেও গত বুধবার রাশিয়ার মহাকাশ যান সয়ুজে করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীতে অবতরণ করেছেন এক মার্কিন মহাকাশচারী এবং তাঁকে নিয়ে মহাকাশযান চালিয়েও আনেন দুই রুশ মহাকাশচারী।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে