
পোল্যান্ডের জনগণকে অপমান করে মন্তব্য না করতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মাতেউস মোরাভিয়েস্কি। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এক নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে মোরাভিয়েস্কি এ কথা বলেছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহখানেক আগে ইউক্রেন থেকে শস্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে পোল্যান্ড। তবে দেশটি তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউরোপের অন্যান্য দেশে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি করার সুযোগ অব্যাহত রেখেছে। তার পরও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়া কৃষ্ণসাগরে অবরোধ আরোপ করায় কিয়েভ স্থলপথ ধরে শস্য রপ্তানি অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছিল। কিন্তু আমাদের আশপাশের রাজনৈতিক শক্তিগুলো এই অবস্থায় রাশিয়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে।’
জেলেনস্কির এমন মন্তব্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মোরাভিয়েস্কি। কারণ, রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকেই কিয়েভের অন্যতম মিত্র হিসেবে পাশে থেকে পোল্যান্ড এমনকি দেশটি ইউক্রেনের অন্যতম অস্ত্র সহযোগিতাদাতা দেশও ছিল।
মোরাভিয়েস্কি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে বলে দিতে চাই, আর কখনোই পোলিশদের অপমান করে কথা বলবেন না। যেমনটা তিনি করেছেন জাতিসংঘের ভাষণের সময়।’ তাঁর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদা দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে কাজ করে যাচ্ছেন।’
এর আগে গতকাল শুক্রবার পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছিলেন, শস্য আমদানি নিয়ে পোল্যান্ড ও ইউক্রেনের মধ্যকার বিরোধ-উত্তেজনা কমানোর আপাতত পদক্ষেপে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
এক ব্যবসায়ী সম্মেলনে আন্দ্রেজ দুদা বলেন, ‘আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউক্রেন থেকে পোল্যান্ডের বাজারে শস্য সরবরাহ নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ সামগ্রিক পোলিশ-ইউক্রেনীয় সম্পর্কের একটি অংশ। তবে আমি বিশ্বাস করি, এটি দুই দেশের সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে, তাই আমাদের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করা দরকার।’

পোল্যান্ডের জনগণকে অপমান করে মন্তব্য না করতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মাতেউস মোরাভিয়েস্কি। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এক নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে মোরাভিয়েস্কি এ কথা বলেছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহখানেক আগে ইউক্রেন থেকে শস্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে পোল্যান্ড। তবে দেশটি তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউরোপের অন্যান্য দেশে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি করার সুযোগ অব্যাহত রেখেছে। তার পরও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়া কৃষ্ণসাগরে অবরোধ আরোপ করায় কিয়েভ স্থলপথ ধরে শস্য রপ্তানি অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছিল। কিন্তু আমাদের আশপাশের রাজনৈতিক শক্তিগুলো এই অবস্থায় রাশিয়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে।’
জেলেনস্কির এমন মন্তব্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মোরাভিয়েস্কি। কারণ, রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকেই কিয়েভের অন্যতম মিত্র হিসেবে পাশে থেকে পোল্যান্ড এমনকি দেশটি ইউক্রেনের অন্যতম অস্ত্র সহযোগিতাদাতা দেশও ছিল।
মোরাভিয়েস্কি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে বলে দিতে চাই, আর কখনোই পোলিশদের অপমান করে কথা বলবেন না। যেমনটা তিনি করেছেন জাতিসংঘের ভাষণের সময়।’ তাঁর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদা দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে কাজ করে যাচ্ছেন।’
এর আগে গতকাল শুক্রবার পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছিলেন, শস্য আমদানি নিয়ে পোল্যান্ড ও ইউক্রেনের মধ্যকার বিরোধ-উত্তেজনা কমানোর আপাতত পদক্ষেপে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
এক ব্যবসায়ী সম্মেলনে আন্দ্রেজ দুদা বলেন, ‘আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, ইউক্রেন থেকে পোল্যান্ডের বাজারে শস্য সরবরাহ নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ সামগ্রিক পোলিশ-ইউক্রেনীয় সম্পর্কের একটি অংশ। তবে আমি বিশ্বাস করি, এটি দুই দেশের সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে, তাই আমাদের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করা দরকার।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতে বিক্ষোভকারীরা সহিংস কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বিক্ষোভকারীদের ‘দাঙ্গাবাজ’ অভিহিত করে তিনি বলেন, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতেই এসব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত।
৩৮ মিনিট আগে
ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
১১ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে