
বাখমুত শহরে ইউক্রেনের অগ্রগতির খবর প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। পূর্ব ইউক্রেনে দেশটির সম্মুখসারির যোদ্ধারা অগ্রসর হয়েছে—এমন তথ্য অস্বীকার করে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বাখমুতের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা ইউক্রেনের অগ্রগতির খবরটি সত্য নয়। বরং সম্মুখভাগের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই রয়েছে বলে দাবি করা হয় বিবৃতিতে।
ইউক্রেনে লড়াইরত রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়াগনারের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিন বুধবার (১০ মে) বলেছিলেন, বাখমুত থেকে রুশ সেনারা নিজ অবস্থান ছেড়ে চলে গেছে। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার (১১ মে) ইউক্রেনীয় সেনাদের অগ্রসরের খবর ও রুশ বাহিনীর ছত্রভঙ্গের পরিস্থিতি জানিয়েছেন মস্কোর দুই সামরিক ব্লগার।
কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে, বাখমুতে পিছু হটছেন রাশিয়ার সেনারা। এমনকি ওয়াগনার গ্রুপের প্রধানও দাবি করেছেন, একটি ব্রিগেডের সেনারা পালিয়ে গেছে।
তবে এই খবর অস্বীকার করে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমান ও কামানের সহায়তায় নিয়োজিত ইউনিটগুলো বাখমুতের পশ্চিম অংশে অগ্রগতি করছে। ইউক্রেনীয় সেনাদের হটাতে লড়ছেন সেনারা।
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, বহুল প্রতীক্ষিত রুশবিরোধী পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতির জন্য ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর আরও সময় প্রয়োজন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিবিসিসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমরা সামনে অগ্রসর হতে পারি এবং সফলও হতে পারি। সে ক্ষেত্রে আমরা অনেক মানুষকে হারাব। আমার মনে হয়, এটি কাম্য হতে পারে না। ফলে অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের আরও কিছু সময় প্রয়োজন।’
কয়েক মাস ধরে বাখমুত দখলের জন্য আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। এই যুদ্ধে ওয়াগনার গ্রুপ এবং রুশ সেনারা এক হয়ে যুদ্ধ করেছে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে। ইউক্রেন যেকোনো মূল্যে শহরটিকে রক্ষার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই যুদ্ধে কয়েক হাজার বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছে।

বাখমুত শহরে ইউক্রেনের অগ্রগতির খবর প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। পূর্ব ইউক্রেনে দেশটির সম্মুখসারির যোদ্ধারা অগ্রসর হয়েছে—এমন তথ্য অস্বীকার করে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বাখমুতের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা ইউক্রেনের অগ্রগতির খবরটি সত্য নয়। বরং সম্মুখভাগের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই রয়েছে বলে দাবি করা হয় বিবৃতিতে।
ইউক্রেনে লড়াইরত রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়াগনারের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিন বুধবার (১০ মে) বলেছিলেন, বাখমুত থেকে রুশ সেনারা নিজ অবস্থান ছেড়ে চলে গেছে। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার (১১ মে) ইউক্রেনীয় সেনাদের অগ্রসরের খবর ও রুশ বাহিনীর ছত্রভঙ্গের পরিস্থিতি জানিয়েছেন মস্কোর দুই সামরিক ব্লগার।
কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে, বাখমুতে পিছু হটছেন রাশিয়ার সেনারা। এমনকি ওয়াগনার গ্রুপের প্রধানও দাবি করেছেন, একটি ব্রিগেডের সেনারা পালিয়ে গেছে।
তবে এই খবর অস্বীকার করে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমান ও কামানের সহায়তায় নিয়োজিত ইউনিটগুলো বাখমুতের পশ্চিম অংশে অগ্রগতি করছে। ইউক্রেনীয় সেনাদের হটাতে লড়ছেন সেনারা।
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, বহুল প্রতীক্ষিত রুশবিরোধী পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতির জন্য ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর আরও সময় প্রয়োজন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিবিসিসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমরা সামনে অগ্রসর হতে পারি এবং সফলও হতে পারি। সে ক্ষেত্রে আমরা অনেক মানুষকে হারাব। আমার মনে হয়, এটি কাম্য হতে পারে না। ফলে অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের আরও কিছু সময় প্রয়োজন।’
কয়েক মাস ধরে বাখমুত দখলের জন্য আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। এই যুদ্ধে ওয়াগনার গ্রুপ এবং রুশ সেনারা এক হয়ে যুদ্ধ করেছে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে। ইউক্রেন যেকোনো মূল্যে শহরটিকে রক্ষার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই যুদ্ধে কয়েক হাজার বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
২ মিনিট আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
৩ ঘণ্টা আগে