
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়াকে বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা অসম্ভব। এবং পশ্চিমারা যে অবরোধ আরোপ করেছে তার মাধ্যমে রাশিয়ার উন্নয়নকে পেছন দিকে ঠেলে দিতে পারবে না।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাশিয়ার স্থানীয় সময় সোমবার দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ভিডিও ভাষণে পুতিন এসব কথা বলেন।
চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার দাবিকৃত ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরুর পর থেকেই পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো দফায় দফায় রাশিয়ার ওপর নানা ধরনের অবরোধ আরোপ করে। এর মাধ্যমে রাশিয়াকে বিশ্ব বাণিজ্য থেকে একঘরে করে ফেলার প্রয়াস পায় পশ্চিমা বিশ্ব। ফলে বিশ্বের উচ্চ প্রযুক্তি, বিমান নির্মাণের প্রয়োজনীয় পার্টস লাভেও ব্যর্থ রাশিয়া। তবে পশ্চিমা বিশ্বের অবরোধের ফলে, রাশিয়াও জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সরবরাহ কমানোর মাধ্যমে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
পুতিন তাঁর ভাষণে বলেন, ‘কেবল বিধিনিষেধ নয় বিদেশি হাই-টেক পণ্যগুলোতে আমাদের প্রবেশাধিকার প্রায় সম্পূর্ণরূপে ইচ্ছাকৃতভাবেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এবং এই নিষেধাজ্ঞা ইচ্ছাকৃতভাবেই আমাদের দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে।’
পুতিন আরও বলেন, ‘এটি নিঃসন্দেহে আমাদের দেশের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। কিন্তু আমরা হাল ছাড়ছি না, আমরা আমাদের দেশকে এই অস্থির অবস্থায় ফেলে রেখে যাব না। আমাদের অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী ধারণা করে থাকে, আমরা কয়েক যুগ পিছিয়ে যাব। কিন্তু না, কখনোই না।’
এ সময় পুতিন আরও বলেন, রাশিয়া তাঁর নিজস্ব প্রযুক্তি এবং প্রযুক্তি শিল্প তৈরি করবে। পুতিনের কথার সুর ধরে দেশটির অর্থমন্ত্রী আন্তন সিলুয়ানভ বলেছেন, ‘রাশিয়ার প্রযুক্তি খাতকে সহায়তা দেওয়া আমাদের প্রধান লক্ষ্য। কিন্তু সরকারি খাত থেকে ১ রুবল বিনিয়োগ করা হলে বেসরকারি খাত থেকে করতে হবে অন্তত ৩ রুবল বিনিয়োগ করতে হবে।’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়াকে বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা অসম্ভব। এবং পশ্চিমারা যে অবরোধ আরোপ করেছে তার মাধ্যমে রাশিয়ার উন্নয়নকে পেছন দিকে ঠেলে দিতে পারবে না।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাশিয়ার স্থানীয় সময় সোমবার দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ভিডিও ভাষণে পুতিন এসব কথা বলেন।
চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার দাবিকৃত ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরুর পর থেকেই পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো দফায় দফায় রাশিয়ার ওপর নানা ধরনের অবরোধ আরোপ করে। এর মাধ্যমে রাশিয়াকে বিশ্ব বাণিজ্য থেকে একঘরে করে ফেলার প্রয়াস পায় পশ্চিমা বিশ্ব। ফলে বিশ্বের উচ্চ প্রযুক্তি, বিমান নির্মাণের প্রয়োজনীয় পার্টস লাভেও ব্যর্থ রাশিয়া। তবে পশ্চিমা বিশ্বের অবরোধের ফলে, রাশিয়াও জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সরবরাহ কমানোর মাধ্যমে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
পুতিন তাঁর ভাষণে বলেন, ‘কেবল বিধিনিষেধ নয় বিদেশি হাই-টেক পণ্যগুলোতে আমাদের প্রবেশাধিকার প্রায় সম্পূর্ণরূপে ইচ্ছাকৃতভাবেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এবং এই নিষেধাজ্ঞা ইচ্ছাকৃতভাবেই আমাদের দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে।’
পুতিন আরও বলেন, ‘এটি নিঃসন্দেহে আমাদের দেশের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। কিন্তু আমরা হাল ছাড়ছি না, আমরা আমাদের দেশকে এই অস্থির অবস্থায় ফেলে রেখে যাব না। আমাদের অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী ধারণা করে থাকে, আমরা কয়েক যুগ পিছিয়ে যাব। কিন্তু না, কখনোই না।’
এ সময় পুতিন আরও বলেন, রাশিয়া তাঁর নিজস্ব প্রযুক্তি এবং প্রযুক্তি শিল্প তৈরি করবে। পুতিনের কথার সুর ধরে দেশটির অর্থমন্ত্রী আন্তন সিলুয়ানভ বলেছেন, ‘রাশিয়ার প্রযুক্তি খাতকে সহায়তা দেওয়া আমাদের প্রধান লক্ষ্য। কিন্তু সরকারি খাত থেকে ১ রুবল বিনিয়োগ করা হলে বেসরকারি খাত থেকে করতে হবে অন্তত ৩ রুবল বিনিয়োগ করতে হবে।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে