
যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সম্ভাব্য দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বরিস জনসন ও ঋষি সুনাক পরস্পরের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনা করেছেন। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি ও সানডে টাইমস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার এই দুই নেতা বৈঠক করেছেন।
গতকালই ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে অবকাশযাপন শেষে লন্ডনে ফিরেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। লন্ডনে ফেরার কিছু সময় পরেই তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রচেষ্টা শুরু করেন এবং সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ঋষি সুনাকের সঙ্গে বৈঠক করেন। কারণ ঋষি সুনাক ইতিমধ্যে শতাধিক সংসদ সদস্যের সমর্থন পেয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। তবে বরিস জনসন কিংবা ঋষি সুনাক কেউই এখনো প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার কথা ঘোষণা করেননি।
গত বৃহস্পতিবার মাত্র ৪৫ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করেন লিজ ট্রাস। এরপরই শুরু হয় পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার জন্য কমপক্ষে ১০০ জন এমপির সমর্থন প্রয়োজন হয়। যাঁরা প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে অংশ নিতে ইচ্ছুক, তাঁদের আগামীকাল সোমবারের মধ্যে এই সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।
বরিস জনসন ও ঋষি সুনাকের গতকালের বৈঠককে দ্য সান ‘গোপন বৈঠক’ বলে অভিহিত করেছে। সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, গতকাল রাত ১০টার কাছাকাছি সময়ে এই দুই নেতা বৈঠকে বসেছিলেন বলে জানা গেছে। তাঁরা কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে কোন্দল এড়াতে ‘একটি যৌথ টিকিটে’ নির্বাচন করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
এদিকে বিবিসির সাংবাদিক লরা কুয়েনসবার্গ বলেছেন, বরিস জনসন ও ঋষি সুনাক শনিবার সন্ধ্যায় দেখা করেছেন। তবে রাতের মধ্যে তারা কোনো সিদ্ধান্ত জানাবেন কি না, তা নিশ্চিত নয়।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে বলেছে, গত জুলাই মাসে অর্থমন্ত্রী হিসেবে ঋষি সুনাকের পদত্যাগের পর এই প্রথম বরিস ও সুনাক ব্যক্তিগত পর্যায়ে বৈঠক করলেন। সেই সময়ে সুনাকের পদত্যাগ বরিস জনসনকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিদ্রোহকে উসকে দিয়েছিল বলে অনেক বিশ্লেষকের ধারণা।
আল জাজিরা আরও জানিয়েছে, বরিস জনসন মাত্র ৫৩ জন এমপির সমর্থন পেয়েছেন, অন্যদিকে ঋষি সুনাক ১২৮ জন এমপির সমর্থন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। এ ছাড়া সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেনি মরডন্ট ২৩টি সমর্থন পেয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত পেনি মরডন্টই প্রধানমন্ত্রিত্ব হওয়ার নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে আগামীকাল সোমবার এবং চূড়ান্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার। ওই দিনই জানা যাবে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম।

যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সম্ভাব্য দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বরিস জনসন ও ঋষি সুনাক পরস্পরের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনা করেছেন। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি ও সানডে টাইমস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার এই দুই নেতা বৈঠক করেছেন।
গতকালই ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে অবকাশযাপন শেষে লন্ডনে ফিরেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। লন্ডনে ফেরার কিছু সময় পরেই তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রচেষ্টা শুরু করেন এবং সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ঋষি সুনাকের সঙ্গে বৈঠক করেন। কারণ ঋষি সুনাক ইতিমধ্যে শতাধিক সংসদ সদস্যের সমর্থন পেয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। তবে বরিস জনসন কিংবা ঋষি সুনাক কেউই এখনো প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার কথা ঘোষণা করেননি।
গত বৃহস্পতিবার মাত্র ৪৫ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করেন লিজ ট্রাস। এরপরই শুরু হয় পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার জন্য কমপক্ষে ১০০ জন এমপির সমর্থন প্রয়োজন হয়। যাঁরা প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে অংশ নিতে ইচ্ছুক, তাঁদের আগামীকাল সোমবারের মধ্যে এই সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।
বরিস জনসন ও ঋষি সুনাকের গতকালের বৈঠককে দ্য সান ‘গোপন বৈঠক’ বলে অভিহিত করেছে। সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, গতকাল রাত ১০টার কাছাকাছি সময়ে এই দুই নেতা বৈঠকে বসেছিলেন বলে জানা গেছে। তাঁরা কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে কোন্দল এড়াতে ‘একটি যৌথ টিকিটে’ নির্বাচন করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
এদিকে বিবিসির সাংবাদিক লরা কুয়েনসবার্গ বলেছেন, বরিস জনসন ও ঋষি সুনাক শনিবার সন্ধ্যায় দেখা করেছেন। তবে রাতের মধ্যে তারা কোনো সিদ্ধান্ত জানাবেন কি না, তা নিশ্চিত নয়।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে বলেছে, গত জুলাই মাসে অর্থমন্ত্রী হিসেবে ঋষি সুনাকের পদত্যাগের পর এই প্রথম বরিস ও সুনাক ব্যক্তিগত পর্যায়ে বৈঠক করলেন। সেই সময়ে সুনাকের পদত্যাগ বরিস জনসনকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিদ্রোহকে উসকে দিয়েছিল বলে অনেক বিশ্লেষকের ধারণা।
আল জাজিরা আরও জানিয়েছে, বরিস জনসন মাত্র ৫৩ জন এমপির সমর্থন পেয়েছেন, অন্যদিকে ঋষি সুনাক ১২৮ জন এমপির সমর্থন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। এ ছাড়া সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেনি মরডন্ট ২৩টি সমর্থন পেয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত পেনি মরডন্টই প্রধানমন্ত্রিত্ব হওয়ার নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে আগামীকাল সোমবার এবং চূড়ান্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার। ওই দিনই জানা যাবে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক জোট ন্যাটোর একাধিক পরামর্শমূলক গ্রুপে অংশগ্রহণ কমানোর পরিকল্পনা করছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক কর্মকর্তার মতে, ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার যে উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসন নিয়েছে, এটি তারই সর্বশেষ ইঙ্গিত।
১৬ মিনিট আগে
এক প্রতিবেদনে দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন আগামী ৫ মার্চের নির্বাচনের জন্য ২০ জানুয়ারিকে প্রার্থী নিবন্ধনের শেষ সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো নির্বাচিত প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইলে তাঁকে অবশ্যই আগে পদত্যাগ করতে হবে।
১৯ মিনিট আগে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঠানো বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ঘোষণায় নেতানিয়াহুর দপ্তর জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে...
১ ঘণ্টা আগে
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আগামী সপ্তাহের চীন সফর করবেন। এই সময়ে ব্রিটেন ও চীন ব্যবসায়িক সংলাপে এক ‘সোনালি যুগ’ পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এ উদ্যোগ সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছে। উভয় দেশের শীর্ষ নির্বাহীরা এতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে