আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্ৎস জানিয়েছেন, ইউরোপীয় নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আসন্ন বৈঠক যেন ‘সঠিক পথে’ থাকে, তা নিশ্চিত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। আজ বুধবার জার্মানির বার্লিন শহরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মার্ৎস জানান, আগামী শুক্রবার আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজে ট্রাম্প-পুতিন শীর্ষ বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুক্রবারের বৈঠক সফল হোক। তাই আমরা ইউরোপীয়রা সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে এই বৈঠক সঠিক পথে অগ্রসর হয়।’
মার্ৎস স্পষ্ট করে বলেন—পরবর্তী আলোচনায় অবশ্যই ইউক্রেনকে টেবিলে থাকতে হবে এবং যেকোনো চুক্তির আগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই প্রথমেই যুদ্ধবিরতি হোক, তারপর একটি কাঠামোগত চুক্তি তৈরি হোক। ইউক্রেন যদি অঞ্চল ছাড়া-না ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা করতে রাজি হয়, তবে আমরা নিশ্চিত করব, সীমান্তে যেন কোনো অবিচারের পরিবর্তন না ঘটে।’
তিনি আরও যোগ করেন, কিয়েভের জন্য শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রয়োজন, সেখানে ইউক্রেনীয় বাহিনী থাকতে হবে, যাতে তারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারে। এ জন্য পশ্চিমা সহায়তার ওপর তাদের নির্ভর করতে হবে।
মার্ৎস বলেন, আলাস্কার বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউক্রেনের নিরাপত্তা স্বার্থ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি শুক্রবারের আলোচনার জন্য অর্জনযোগ্য লক্ষ্যগুলোতে ট্রাম্পের সঙ্গে সমন্বয় করার চেষ্টা চলছে।

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্ৎস জানিয়েছেন, ইউরোপীয় নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আসন্ন বৈঠক যেন ‘সঠিক পথে’ থাকে, তা নিশ্চিত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। আজ বুধবার জার্মানির বার্লিন শহরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মার্ৎস জানান, আগামী শুক্রবার আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজে ট্রাম্প-পুতিন শীর্ষ বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুক্রবারের বৈঠক সফল হোক। তাই আমরা ইউরোপীয়রা সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে এই বৈঠক সঠিক পথে অগ্রসর হয়।’
মার্ৎস স্পষ্ট করে বলেন—পরবর্তী আলোচনায় অবশ্যই ইউক্রেনকে টেবিলে থাকতে হবে এবং যেকোনো চুক্তির আগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই প্রথমেই যুদ্ধবিরতি হোক, তারপর একটি কাঠামোগত চুক্তি তৈরি হোক। ইউক্রেন যদি অঞ্চল ছাড়া-না ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা করতে রাজি হয়, তবে আমরা নিশ্চিত করব, সীমান্তে যেন কোনো অবিচারের পরিবর্তন না ঘটে।’
তিনি আরও যোগ করেন, কিয়েভের জন্য শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রয়োজন, সেখানে ইউক্রেনীয় বাহিনী থাকতে হবে, যাতে তারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারে। এ জন্য পশ্চিমা সহায়তার ওপর তাদের নির্ভর করতে হবে।
মার্ৎস বলেন, আলাস্কার বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউক্রেনের নিরাপত্তা স্বার্থ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি শুক্রবারের আলোচনার জন্য অর্জনযোগ্য লক্ষ্যগুলোতে ট্রাম্পের সঙ্গে সমন্বয় করার চেষ্টা চলছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে