
রাশিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের রাশিয়া ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মস্কোয় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এই নির্দেশ দিয়েছে। দূতাবাস বলেছে, রাশিয়ায় ‘অবস্থানরত কিংবা ভ্রমণরত’ মার্কিন নাগরিকদের জরুরি ভিত্তিতে রাশিয়া ত্যাগ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কোর মার্কিন দূতাবাস রাশিয়ার ‘অবস্থানরত কিংবা ভ্রমণরত’ মার্কিন নাগরিদের জরুরি ভিত্তিতে রাশিয়া ত্যাগ করতে হবে। কারণ, রাশিয়া থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের সংখ্যা ক্রমশ কমে আসছে।
সিএনএন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে একটি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রাশিয়ার সরকার ‘পারশিয়াল মোবিলাইজেশন’ ঘোষণা করা পর ধারণা করা হচ্ছে, যে বা যারা দ্বৈত নাগরিকত্ব ধারণ করেন তাদের বাধ্যতামূলকভাবে রাশিয়ার সশস্ত্রবাহিনীতে যোগদান করানো হতে পারে।
ওই সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, ‘রাশিয়া সম্ভবত মার্কিন নাগরিকদের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি অস্বীকার করতে পারে। তাদের মার্কিন দূতাবাসে তাদের প্রবেশাধিকারও বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের রাশিয়া থেকে বের হওয়াও বাতিল করতে পারে।’ সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, ‘পারশিয়াল মোবিলাইজেশনের প্রতিবাদ করায় বেশ কয়েকজন মার্কিন নাগরিককে আটক করেছে।’
মার্কিন দূতাবাসের ওই সতর্কবার্তায় আরও মার্কিন নাগরিকদের রাশিয়ায় অবস্থানকালে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রতিবাদ–বিক্ষোভে শামিল হওয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে বলেছে, ‘রাশিয়ার নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কোনো ধরনের ছবি তোলা থেকে বিরত থাকুন।’
মার্কিনিদের যত দ্রুত সম্ভব রাশিয়া থেকে চলে যাওয়ার বন্দোবস্ত করার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ‘আপনারা যারা রাশিয়া ত্যাগ করতে চান তাঁরা দ্রুত নিজ নিজ উদ্যোগে ত্যাগের বন্দোবস্ত করুন।’

রাশিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের রাশিয়া ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মস্কোয় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এই নির্দেশ দিয়েছে। দূতাবাস বলেছে, রাশিয়ায় ‘অবস্থানরত কিংবা ভ্রমণরত’ মার্কিন নাগরিকদের জরুরি ভিত্তিতে রাশিয়া ত্যাগ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কোর মার্কিন দূতাবাস রাশিয়ার ‘অবস্থানরত কিংবা ভ্রমণরত’ মার্কিন নাগরিদের জরুরি ভিত্তিতে রাশিয়া ত্যাগ করতে হবে। কারণ, রাশিয়া থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের সংখ্যা ক্রমশ কমে আসছে।
সিএনএন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে একটি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রাশিয়ার সরকার ‘পারশিয়াল মোবিলাইজেশন’ ঘোষণা করা পর ধারণা করা হচ্ছে, যে বা যারা দ্বৈত নাগরিকত্ব ধারণ করেন তাদের বাধ্যতামূলকভাবে রাশিয়ার সশস্ত্রবাহিনীতে যোগদান করানো হতে পারে।
ওই সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, ‘রাশিয়া সম্ভবত মার্কিন নাগরিকদের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি অস্বীকার করতে পারে। তাদের মার্কিন দূতাবাসে তাদের প্রবেশাধিকারও বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের রাশিয়া থেকে বের হওয়াও বাতিল করতে পারে।’ সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, ‘পারশিয়াল মোবিলাইজেশনের প্রতিবাদ করায় বেশ কয়েকজন মার্কিন নাগরিককে আটক করেছে।’
মার্কিন দূতাবাসের ওই সতর্কবার্তায় আরও মার্কিন নাগরিকদের রাশিয়ায় অবস্থানকালে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রতিবাদ–বিক্ষোভে শামিল হওয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে বলেছে, ‘রাশিয়ার নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কোনো ধরনের ছবি তোলা থেকে বিরত থাকুন।’
মার্কিনিদের যত দ্রুত সম্ভব রাশিয়া থেকে চলে যাওয়ার বন্দোবস্ত করার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ‘আপনারা যারা রাশিয়া ত্যাগ করতে চান তাঁরা দ্রুত নিজ নিজ উদ্যোগে ত্যাগের বন্দোবস্ত করুন।’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে