
রাশিয়া ইউক্রেনে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তবে এ জন্য চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির দিকে বাস্তব অগ্রগতি থাকতে হবে। এমনটাই জানিয়েছেন, মস্কোর অভ্যন্তরীণ নীতি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির আহ্বানে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পক্ষ থেকে এটি প্রথম ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, গত মাসে সৌদি আরবে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠকের সময় এই প্রস্তাব জানানো হয়।
যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার জন্য শান্তি চুক্তির মৌলিক কাঠামো সম্পর্কে স্পষ্ট বোঝাপড়া থাকতে হবে বলে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অবগত আরেক ব্যক্তির মতে, রাশিয়া বিশেষভাবে চূড়ান্ত শান্তিরক্ষী মিশনের সীমা নির্ধারণের ওপর জোর দেবে এবং কোন কোন দেশ এতে অংশ নেবে তা নিয়েও একমত হতে হবে।
এ তথ্য এমন সময়ে প্রকাশ পেল, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন আগামী সপ্তাহে সৌদি আরবে বৈঠক করার পরিকল্পনা করছে। এটি হবে ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে হোয়াইট হাউসে সাম্প্রতিক উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর তাঁদের প্রথম সরাসরি আলোচনা। মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, বৈঠকের লক্ষ্য হলো ‘একটি শান্তি চুক্তির কাঠামো ও প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি’ নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানো।
শুক্রবার পরে ওভাল অফিসে এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তিনি যুদ্ধ বন্ধের একটি চুক্তির জন্য চাপ দিচ্ছেন এবং পুতিনও তা চান বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি তিনি (পুতিন) প্রয়োজনের তুলনায় বেশি উদার হবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে, আমরা রাশিয়ার সঙ্গে খুব ভালো করছি। তবে এখনো তারা ইউক্রেনকে ব্যাপকভাবে বোমাবর্ষণ করছে।’
ট্রাম্প যোগ করেন, ‘আসলে আমি রাশিয়ার চেয়ে ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনাকে বেশি কঠিন বলে মনে করছি।’ এর আগে শুক্রবার সকালে এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, শান্তি চুক্তির ব্যাপারে রাশিয়াকে রাজি করানোর জন্য তিনি নতুন নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপ করতে পারেন।
অন্যদিকে, জেলেনস্কি তাঁর দৈনিক ভিডিও ভাষণে বলেন, ‘আজ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দলের সঙ্গে বিভিন্ন স্তরে সর্বোচ্চ মাত্রার আলোচনা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি স্পষ্ট—যত দ্রুত সম্ভব শান্তি ও যতটা সম্ভব নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা। ইউক্রেন অত্যন্ত গঠনমূলক অবস্থান নিয়েছে।’
এদিকে, রাশিয়া ইউক্রেনের মাটিতে ন্যাটো সেনাদের উপস্থিতি মেনে নেবে না বলে জানিয়েছে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রস্তাবিত ‘আগ্রহী দেশগুলোর জোট’ গঠনের মাধ্যমে কোনো শান্তিচুক্তি পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে সংঘাতে নিরপেক্ষ অবস্থান নেওয়া চীনসহ অন্যান্য দেশের সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে তাদের আপত্তি নেই বলে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন।
গত ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের পর ট্রাম্প ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিষয়ে মার্কিন নীতি বদলে দিয়েছেন এবং তিন বছর ধরে চলা ইউরোপের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন। গত মাসে তিনি পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপ করেন এবং দুজন সম্মেলন করার বিষয়ে একমত হন, যদিও এর এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
ট্রাম্প ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ প্রাপ্তির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন প্রত্যাহার করেছেন এবং তাঁর শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেছেন, ২০১৪ সালের পর থেকে রাশিয়া যে সব ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড দখল করেছে, সেগুলো ফিরে পাওয়ার আশা বাস্তবসম্মত নয়।
হোয়াইট হাউসে জেলেনস্কির সঙ্গে উত্তপ্ত কথোপকথনের পর ট্রাম্প ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা স্থগিত করেছেন এবং কিয়েভের সঙ্গে কিছু গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করা বন্ধ করেছেন। বিষয়টি ইউরোপীয় মিত্রদের বিস্মিত করেছে। তাঁরা মনে করছেন, এটি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া রুশ আগ্রাসনের জন্য রাশিয়াকে পুরস্কৃত করার শামিল।
পুতিন যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ করার ট্রাম্পের প্রচেষ্টা বারবার নাকচ করেছেন। গত ডিসেম্বরে তাঁর বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমাদের কেবল যুদ্ধবিরতি নয়, শান্তি দরকার—দীর্ঘমেয়াদি, স্থায়ী ও রাশিয়ান ফেডারেশন ও তার নাগরিকদের জন্য নিশ্চিত নিরাপত্তার সঙ্গে।’
বৃহস্পতিবার রাশিয়া একটি ফরাসি-ব্রিটিশ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। যেখানে, জল ও আকাশপথে অভিযানসহ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলা এক মাসের জন্য বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

রাশিয়া ইউক্রেনে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তবে এ জন্য চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির দিকে বাস্তব অগ্রগতি থাকতে হবে। এমনটাই জানিয়েছেন, মস্কোর অভ্যন্তরীণ নীতি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির আহ্বানে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পক্ষ থেকে এটি প্রথম ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, গত মাসে সৌদি আরবে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠকের সময় এই প্রস্তাব জানানো হয়।
যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার জন্য শান্তি চুক্তির মৌলিক কাঠামো সম্পর্কে স্পষ্ট বোঝাপড়া থাকতে হবে বলে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে অবগত আরেক ব্যক্তির মতে, রাশিয়া বিশেষভাবে চূড়ান্ত শান্তিরক্ষী মিশনের সীমা নির্ধারণের ওপর জোর দেবে এবং কোন কোন দেশ এতে অংশ নেবে তা নিয়েও একমত হতে হবে।
এ তথ্য এমন সময়ে প্রকাশ পেল, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন আগামী সপ্তাহে সৌদি আরবে বৈঠক করার পরিকল্পনা করছে। এটি হবে ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে হোয়াইট হাউসে সাম্প্রতিক উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর তাঁদের প্রথম সরাসরি আলোচনা। মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, বৈঠকের লক্ষ্য হলো ‘একটি শান্তি চুক্তির কাঠামো ও প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি’ নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানো।
শুক্রবার পরে ওভাল অফিসে এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তিনি যুদ্ধ বন্ধের একটি চুক্তির জন্য চাপ দিচ্ছেন এবং পুতিনও তা চান বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি তিনি (পুতিন) প্রয়োজনের তুলনায় বেশি উদার হবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে, আমরা রাশিয়ার সঙ্গে খুব ভালো করছি। তবে এখনো তারা ইউক্রেনকে ব্যাপকভাবে বোমাবর্ষণ করছে।’
ট্রাম্প যোগ করেন, ‘আসলে আমি রাশিয়ার চেয়ে ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনাকে বেশি কঠিন বলে মনে করছি।’ এর আগে শুক্রবার সকালে এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, শান্তি চুক্তির ব্যাপারে রাশিয়াকে রাজি করানোর জন্য তিনি নতুন নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপ করতে পারেন।
অন্যদিকে, জেলেনস্কি তাঁর দৈনিক ভিডিও ভাষণে বলেন, ‘আজ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দলের সঙ্গে বিভিন্ন স্তরে সর্বোচ্চ মাত্রার আলোচনা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি স্পষ্ট—যত দ্রুত সম্ভব শান্তি ও যতটা সম্ভব নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা। ইউক্রেন অত্যন্ত গঠনমূলক অবস্থান নিয়েছে।’
এদিকে, রাশিয়া ইউক্রেনের মাটিতে ন্যাটো সেনাদের উপস্থিতি মেনে নেবে না বলে জানিয়েছে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রস্তাবিত ‘আগ্রহী দেশগুলোর জোট’ গঠনের মাধ্যমে কোনো শান্তিচুক্তি পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে সংঘাতে নিরপেক্ষ অবস্থান নেওয়া চীনসহ অন্যান্য দেশের সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে তাদের আপত্তি নেই বলে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন।
গত ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের পর ট্রাম্প ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিষয়ে মার্কিন নীতি বদলে দিয়েছেন এবং তিন বছর ধরে চলা ইউরোপের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন। গত মাসে তিনি পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপ করেন এবং দুজন সম্মেলন করার বিষয়ে একমত হন, যদিও এর এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
ট্রাম্প ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ প্রাপ্তির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন প্রত্যাহার করেছেন এবং তাঁর শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেছেন, ২০১৪ সালের পর থেকে রাশিয়া যে সব ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড দখল করেছে, সেগুলো ফিরে পাওয়ার আশা বাস্তবসম্মত নয়।
হোয়াইট হাউসে জেলেনস্কির সঙ্গে উত্তপ্ত কথোপকথনের পর ট্রাম্প ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা স্থগিত করেছেন এবং কিয়েভের সঙ্গে কিছু গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করা বন্ধ করেছেন। বিষয়টি ইউরোপীয় মিত্রদের বিস্মিত করেছে। তাঁরা মনে করছেন, এটি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া রুশ আগ্রাসনের জন্য রাশিয়াকে পুরস্কৃত করার শামিল।
পুতিন যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ করার ট্রাম্পের প্রচেষ্টা বারবার নাকচ করেছেন। গত ডিসেম্বরে তাঁর বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমাদের কেবল যুদ্ধবিরতি নয়, শান্তি দরকার—দীর্ঘমেয়াদি, স্থায়ী ও রাশিয়ান ফেডারেশন ও তার নাগরিকদের জন্য নিশ্চিত নিরাপত্তার সঙ্গে।’
বৃহস্পতিবার রাশিয়া একটি ফরাসি-ব্রিটিশ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। যেখানে, জল ও আকাশপথে অভিযানসহ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলা এক মাসের জন্য বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ এনেছে। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ‘বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন’ এবং তিনি সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
এমিরেটলিকস নামের এক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগর এলাকায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
৩ ঘণ্টা আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর ভিসা নীতি এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নানাবিধ বিধিনিষেধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বেড়েছে। গত শুক্রবার হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে। বাণিজ্য
৩ ঘণ্টা আগে