
গাজায় যুদ্ধের তীব্রতা যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আবেদন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ততই যেন বাড়ছে। এবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সুর নমনীয় করেছেন। তিনি বলেছেন, ফ্রান্স স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টির বিরোধিতা করে না।
বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমন একসময়ে এ কথা বললেন, যখন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক আহ্বানকে থোড়াই কেয়ার করে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ফ্রান্স স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টির বিরোধিতা করে না উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট মাখোঁ বলেছেন, ‘স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি ফ্রান্সের জন্য নিষিদ্ধ কিছু নয়।’
এর আগে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, তারা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করছে। তারও আগে, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন জানিয়েছিলেন, তাঁর দেশ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে।
তবে গতকাল বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া মানে সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করা। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল স্পষ্টভাবে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একটি স্থায়ী বন্দোবস্ত-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আহ্বানকে প্রত্যাখ্যান করে। এ ধরনের ব্যবস্থা কেবল দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে পৌঁছানো সম্ভব হবে এবং তা-ও হবে কোনো ধরনের পূর্বশর্ত ছাড়াই।’
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইসরায়েল ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে একতরফা স্বীকৃতির বিরোধিতা অব্যাহত রাখবে। ৭ অক্টোবরের গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে এই ধরনের স্বীকৃতি নজিরবিহীন সন্ত্রাসবাদের জন্য একটি বিশাল পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ভবিষ্যতে কোনো ধরনের শান্তি বা মীমাংসার বিষয়টি আটকে দেবে।’
এর আগে, সৌদি আরবও জানিয়েছিল—১৯৬৭ সালের সীমানা মেনে ইসরায়েল যদি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি মেনে না নেয়, তবে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়টি এগিয়ে নেবে না রিয়াদ। এ ছাড়া ইরান, সিরিয়া, মিসরসহ অন্য আরব দেশও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

গাজায় যুদ্ধের তীব্রতা যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আবেদন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ততই যেন বাড়ছে। এবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সুর নমনীয় করেছেন। তিনি বলেছেন, ফ্রান্স স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টির বিরোধিতা করে না।
বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমন একসময়ে এ কথা বললেন, যখন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক আহ্বানকে থোড়াই কেয়ার করে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ফ্রান্স স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টির বিরোধিতা করে না উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট মাখোঁ বলেছেন, ‘স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি ফ্রান্সের জন্য নিষিদ্ধ কিছু নয়।’
এর আগে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, তারা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করছে। তারও আগে, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন জানিয়েছিলেন, তাঁর দেশ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে।
তবে গতকাল বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া মানে সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করা। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল স্পষ্টভাবে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একটি স্থায়ী বন্দোবস্ত-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আহ্বানকে প্রত্যাখ্যান করে। এ ধরনের ব্যবস্থা কেবল দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে পৌঁছানো সম্ভব হবে এবং তা-ও হবে কোনো ধরনের পূর্বশর্ত ছাড়াই।’
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইসরায়েল ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে একতরফা স্বীকৃতির বিরোধিতা অব্যাহত রাখবে। ৭ অক্টোবরের গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে এই ধরনের স্বীকৃতি নজিরবিহীন সন্ত্রাসবাদের জন্য একটি বিশাল পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ভবিষ্যতে কোনো ধরনের শান্তি বা মীমাংসার বিষয়টি আটকে দেবে।’
এর আগে, সৌদি আরবও জানিয়েছিল—১৯৬৭ সালের সীমানা মেনে ইসরায়েল যদি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি মেনে না নেয়, তবে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়টি এগিয়ে নেবে না রিয়াদ। এ ছাড়া ইরান, সিরিয়া, মিসরসহ অন্য আরব দেশও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
১৩ মিনিট আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
১০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে