আজকের পত্রিকা ডেস্ক

আগামী ১৪ অক্টোবর ইতালির শহর উদিনের একটি ফুটবল মাঠে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে মুখোমুখি হবে ইতালি ও ইসরায়েল। কিন্তু ম্যাচটিকে ঘিরে এখন নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। মাত্র ৬ হাজার আসনের ওই মাঠটিতে টিকিটধারী দর্শকের চেয়ে মাঠের বাইরে বিক্ষোভকারীর সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) আল-জাজিরা জানিয়েছে, গত সপ্তাহে ফ্লোরেন্স শহরে ইতালির একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাইরে বিক্ষোভকারীরা সমবেত হয়ে ম্যাচ বাতিলের দাবি জানান। গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে ইতালিতে হওয়া একদিনের ধর্মঘটের অংশ হিসেবে তাঁরা এই অবস্থান নেন। ইতালির কোচ জেনারো গাত্তুসো বলেন, ‘মাঠের ভেতরে থাকবেন পাঁচ-ছয় হাজার দর্শক, আর বাইরে প্রতিবাদ করবে প্রায় দশ হাজার মানুষ।’
এ অবস্থায় সোমবার (৬ অক্টোবর) পর্যন্ত ম্যাচের মাত্র চার হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা ইসরায়েলকে সাময়িকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বরখাস্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। উদিনে শহরের মেয়রও ম্যাচ স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ইতালি পরপর তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূলপর্বে না ওঠার ঝুঁকি নিতে চায় না। গাত্তুসো বলেন, ‘খেলা না খেললে আমরা ৩–০ ব্যবধানে হেরে যাব। তাই মাঠে নামতেই হবে।’
এর আগে গত মাসে একটি নিরপেক্ষ মাঠে (হাঙ্গেরিতে) ইসরায়েলকে ইতালি ৫–৪ গোলে হারিয়ে দিলেও খেলা শেষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে গাজায় মানবিক সহায়তা অবরুদ্ধ করায় বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভ চলছে, যা ইতালিতেও প্রভাব ফেলেছে। গাত্তুসো বলেন, ‘নিরপরাধ মানুষ ও শিশুদের কষ্ট দেখা সত্যিই হৃদয়বিদারক।’
বর্তমানে ইতালি ও ইসরায়েল উভয় দলই গ্রুপের শীর্ষ দল নরওয়ের চেয়ে ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে আছে। শীর্ষ দল সরাসরি ২০২৬ সালে উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে উঠবে, আর দ্বিতীয় দলকে প্লে-অফে খেলতে হবে। এই প্লে-অফে হেরেই আগের দুই বিশ্বকাপে ইতালি বাদ পড়েছিল।
অন্যদিকে, নরওয়ে সফরেও ইসরায়েল দলকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হতে পারে। তবে নরওয়ের ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, ম্যাচের আয় থেকে প্রাপ্ত অর্থ গাজার মানবিক সহায়তায় ‘ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস’-কে দেওয়া হবে।

আগামী ১৪ অক্টোবর ইতালির শহর উদিনের একটি ফুটবল মাঠে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে মুখোমুখি হবে ইতালি ও ইসরায়েল। কিন্তু ম্যাচটিকে ঘিরে এখন নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। মাত্র ৬ হাজার আসনের ওই মাঠটিতে টিকিটধারী দর্শকের চেয়ে মাঠের বাইরে বিক্ষোভকারীর সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) আল-জাজিরা জানিয়েছে, গত সপ্তাহে ফ্লোরেন্স শহরে ইতালির একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাইরে বিক্ষোভকারীরা সমবেত হয়ে ম্যাচ বাতিলের দাবি জানান। গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে ইতালিতে হওয়া একদিনের ধর্মঘটের অংশ হিসেবে তাঁরা এই অবস্থান নেন। ইতালির কোচ জেনারো গাত্তুসো বলেন, ‘মাঠের ভেতরে থাকবেন পাঁচ-ছয় হাজার দর্শক, আর বাইরে প্রতিবাদ করবে প্রায় দশ হাজার মানুষ।’
এ অবস্থায় সোমবার (৬ অক্টোবর) পর্যন্ত ম্যাচের মাত্র চার হাজার টিকিট বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা ইসরায়েলকে সাময়িকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বরখাস্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। উদিনে শহরের মেয়রও ম্যাচ স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ইতালি পরপর তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূলপর্বে না ওঠার ঝুঁকি নিতে চায় না। গাত্তুসো বলেন, ‘খেলা না খেললে আমরা ৩–০ ব্যবধানে হেরে যাব। তাই মাঠে নামতেই হবে।’
এর আগে গত মাসে একটি নিরপেক্ষ মাঠে (হাঙ্গেরিতে) ইসরায়েলকে ইতালি ৫–৪ গোলে হারিয়ে দিলেও খেলা শেষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে গাজায় মানবিক সহায়তা অবরুদ্ধ করায় বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভ চলছে, যা ইতালিতেও প্রভাব ফেলেছে। গাত্তুসো বলেন, ‘নিরপরাধ মানুষ ও শিশুদের কষ্ট দেখা সত্যিই হৃদয়বিদারক।’
বর্তমানে ইতালি ও ইসরায়েল উভয় দলই গ্রুপের শীর্ষ দল নরওয়ের চেয়ে ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে আছে। শীর্ষ দল সরাসরি ২০২৬ সালে উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে উঠবে, আর দ্বিতীয় দলকে প্লে-অফে খেলতে হবে। এই প্লে-অফে হেরেই আগের দুই বিশ্বকাপে ইতালি বাদ পড়েছিল।
অন্যদিকে, নরওয়ে সফরেও ইসরায়েল দলকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হতে পারে। তবে নরওয়ের ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, ম্যাচের আয় থেকে প্রাপ্ত অর্থ গাজার মানবিক সহায়তায় ‘ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস’-কে দেওয়া হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৮ মিনিট আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
৪৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে