ইউক্রেনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রাশিয়ার অন্তত ৬ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন। এর মধ্যে রুশ অধিকৃত ক্রিমিয়ার বন্দর শহর সেভাস্টিপোলে ইউক্রেনের ছোড়া পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করে ভূপাতিত করার সময় এগুলোর ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে দুই শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শহরটির গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ।
রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আরআইএ নভোস্তি ১২৪ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছে। বাংলাদেশ সময় রোববার রাতে স্কাই নিউজের এক প্রতিবেদনে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিওতে বিস্ফোরণের মতো শব্দ শোনা ছাড়াও সেভাস্টিপোলের একটি সৈকতে নারী-পুরুষ ও শিশুদের দৌড়াতে দেখা গেছে।
এদিকে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে আরও একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। বেলগোরোদের গ্রেভোরন শহরের আঞ্চলিক গভর্নর ভ্যাচেস্লাভ গ্ল্যাডকভ হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সেভাস্টিপোলে বেসামরিক রুশ নাগরিকদের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ। মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা ভূপাতিত করা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ক্লাস্টার যুদ্ধাস্ত্রে সজ্জিত ছিল। আর ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি দূরপাল্লার অ্যাটাকমস ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সেভাস্টিপোলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সম্পর্কে এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে—অতএব, সেভাস্টিপোলে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইচ্ছাকৃত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায়ভার মূলত ওয়াশিংটনের। ইউক্রেনকে এই অস্ত্রগুলো তারা সরবরাহ করেছে।
ইউক্রেনের কর্মকর্তারা এই হামলা ও হতাহতের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি। সম্প্রতি দেশটিকে আত্মরক্ষার প্রয়োজনে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার অভ্যন্তরে নিক্ষেপ করার অনুমতি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৭ ঘণ্টা আগে