
দায়িত্ব নিয়েই মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল এনেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস। নিজের প্রধান সহযোগীদের অনেককে রেখেছেন নতুন মন্ত্রিসভায়। তবে দেশটির প্রভাবশালী অনেক নেতাই বাদ পড়েছেন তালিকা থেকে।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) স্কটল্যান্ডের বালমোরাল ক্যাসেলে যুক্তরাজ্যের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করেন ট্রাস। এ সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ট্রাসকে নতুন সরকার গঠনের অনুমোদন দেন রানি। আর ট্রাস প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভার ঘোষণা আসে।
ট্রাসের মন্ত্রিসভায় উপ প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী করা হয়েছে ট্রাসের কাছের বন্ধু থেরেসে কফি। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কয়াসি কয়ার্টেংকে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন জেমস ক্লেভারলি। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুয়েলা ব্রাভারম্যানকে।
নতুন মন্ত্রিসভায় পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রী হয়েছেন রনিল জয়াবর্দেনা। বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ব্রান্ডন লুইসকে। ব্যবসা, জ্বালানি ও শিল্পকৌশল–বিষয়ক মন্ত্রী হয়েছেন জ্যাকব রিস-মগ। আর গতবারের মতো এবারও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন বেন ওয়ালেস।
অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে থাকছেন লর্ড ট্রু। কপ–২৬ এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের পদ ধরে রেখেছেন অলোক শর্মা। এ ছাড়া আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল আনা হয়েছে।
সদ্য ঘোষিত এই মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সময়ের অনেকে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সাবেক বিচারমন্ত্রী ডমিনিক রাব, নতুন মন্ত্রীদের তালিকায় নেই সাবেক পরিবহনমন্ত্রী গ্রান্ট শ্যাপস ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টিভ বার্কলে।
উল্লেখ্য, পার্লামেন্ট সদস্যদের অনাস্থার জেরে বরিস জনসনের বিদায়ের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি নেতৃত্বশূন্য হলে নতুন নেতা নির্বাচন হয়। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা এ নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ঋষি সুনাককে পরাজিত করে বিজয়ী হন লিজ ট্রাস।

দায়িত্ব নিয়েই মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল এনেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস। নিজের প্রধান সহযোগীদের অনেককে রেখেছেন নতুন মন্ত্রিসভায়। তবে দেশটির প্রভাবশালী অনেক নেতাই বাদ পড়েছেন তালিকা থেকে।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) স্কটল্যান্ডের বালমোরাল ক্যাসেলে যুক্তরাজ্যের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করেন ট্রাস। এ সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ট্রাসকে নতুন সরকার গঠনের অনুমোদন দেন রানি। আর ট্রাস প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভার ঘোষণা আসে।
ট্রাসের মন্ত্রিসভায় উপ প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী করা হয়েছে ট্রাসের কাছের বন্ধু থেরেসে কফি। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কয়াসি কয়ার্টেংকে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন জেমস ক্লেভারলি। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুয়েলা ব্রাভারম্যানকে।
নতুন মন্ত্রিসভায় পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রী হয়েছেন রনিল জয়াবর্দেনা। বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ব্রান্ডন লুইসকে। ব্যবসা, জ্বালানি ও শিল্পকৌশল–বিষয়ক মন্ত্রী হয়েছেন জ্যাকব রিস-মগ। আর গতবারের মতো এবারও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন বেন ওয়ালেস।
অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে থাকছেন লর্ড ট্রু। কপ–২৬ এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের পদ ধরে রেখেছেন অলোক শর্মা। এ ছাড়া আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল আনা হয়েছে।
সদ্য ঘোষিত এই মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সময়ের অনেকে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সাবেক বিচারমন্ত্রী ডমিনিক রাব, নতুন মন্ত্রীদের তালিকায় নেই সাবেক পরিবহনমন্ত্রী গ্রান্ট শ্যাপস ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টিভ বার্কলে।
উল্লেখ্য, পার্লামেন্ট সদস্যদের অনাস্থার জেরে বরিস জনসনের বিদায়ের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি নেতৃত্বশূন্য হলে নতুন নেতা নির্বাচন হয়। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা এ নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ঋষি সুনাককে পরাজিত করে বিজয়ী হন লিজ ট্রাস।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি আরও জোরালো করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পথ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পিছু হটার সুযোগ নেই’ এবং ‘গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
১ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) সদর দপ্তর গতকাল মঙ্গলবার ভেঙে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নেতৃত্বে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৭টায় ইসরায়েলি বাহিনী ওই কম্পাউন্ডে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে মূল ভবনের ওপর
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে দেশটির সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এসব মিশন থেকেই কূটনীতিক ও অন্য কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পর্ষদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের আড়ালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং ঘনিষ্ঠ মহলের প্রভাব বিস্তারের...
১১ ঘণ্টা আগে