
চীনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় সোমবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৬ দশমিক ৬ মাত্রার এই ভূমিকম্প হয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল সিচুয়ান প্রদেশের কাংডিং শহরের প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন জানায়, শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বহু ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। কিছু এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমিকম্পের আঘাত এতটাই ছিল যে সিচুয়ান প্রদেশের রাজধানী চেংডুতেও তা অনুভূত হয়েছে, যেখানে লাখ লাখ মানুষ কোভিড পরিস্থিতির কারণে চলাচলের বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে, সিচুয়ান প্রদেশের বেশ কয়েকটি শহরে ভূমিকম্পে সৃষ্ট পাহাড়ধসের কারণে ঘরবাড়ির গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। কিছু এলাকায় টেলিযোগাযোগ লাইনও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘সিচুয়ান প্রদেশের রাজধানী চেংডু ও চোংকিংয়ে প্রচণ্ড কম্পন অনুভূত হয়েছে।’
চেংডুর এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমি প্রচণ্ড কম্পন অনুভব করেছি। আমার বেশ কয়েকজন প্রতিবেশী জানিয়েছেন, তারাও ভূমিকম্পের সময় কম্পন টের পেয়েছেন।’
অনলাইনে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট পাহাড়ধসের ভয়াবহ দৃশ্য ধরা পড়েছে। চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার প্রকাশিত ওই ভিডিওতে দেখা যায় লুডিং কাউন্টির পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড়ধসে বড় বড় মাটির চাঁই নেমে আসছে। চারপাশ অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। চীনের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মূল ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি কম্পন অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কম মাত্রারটি ছিল ৪ দশমিক ৬। উদ্ধারকাজে এরই মধ্যে ১ হাজারের বেশি সৈনিক মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিচুয়ান প্রদেশ কর্তৃপক্ষ।

চীনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় সোমবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৬ দশমিক ৬ মাত্রার এই ভূমিকম্প হয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল সিচুয়ান প্রদেশের কাংডিং শহরের প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন জানায়, শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বহু ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। কিছু এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমিকম্পের আঘাত এতটাই ছিল যে সিচুয়ান প্রদেশের রাজধানী চেংডুতেও তা অনুভূত হয়েছে, যেখানে লাখ লাখ মানুষ কোভিড পরিস্থিতির কারণে চলাচলের বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে, সিচুয়ান প্রদেশের বেশ কয়েকটি শহরে ভূমিকম্পে সৃষ্ট পাহাড়ধসের কারণে ঘরবাড়ির গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। কিছু এলাকায় টেলিযোগাযোগ লাইনও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘সিচুয়ান প্রদেশের রাজধানী চেংডু ও চোংকিংয়ে প্রচণ্ড কম্পন অনুভূত হয়েছে।’
চেংডুর এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমি প্রচণ্ড কম্পন অনুভব করেছি। আমার বেশ কয়েকজন প্রতিবেশী জানিয়েছেন, তারাও ভূমিকম্পের সময় কম্পন টের পেয়েছেন।’
অনলাইনে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট পাহাড়ধসের ভয়াবহ দৃশ্য ধরা পড়েছে। চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার প্রকাশিত ওই ভিডিওতে দেখা যায় লুডিং কাউন্টির পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড়ধসে বড় বড় মাটির চাঁই নেমে আসছে। চারপাশ অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। চীনের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মূল ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি কম্পন অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কম মাত্রারটি ছিল ৪ দশমিক ৬। উদ্ধারকাজে এরই মধ্যে ১ হাজারের বেশি সৈনিক মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিচুয়ান প্রদেশ কর্তৃপক্ষ।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৮ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৮ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১২ ঘণ্টা আগে