
জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে রেকর্ড করেছে চীন। গত জুন মাসে প্রতিদিন ২০ লাখ ব্যারেল তেল রিজার্ভ করে দেশটি নতুন এই রেকর্ড গড়েছে। আর দেশটির এই তেলের মূল উৎসই ছিল রাশিয়া। দেশটি থেকে বেইজিং অনেক সস্তায় তেল কিনে নিজের ভান্ডার পূর্ণ করে রাখছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ক্লাইড রাসেল জানিয়েছেন, বিগত তিন বছরের মধ্যে গত মাসেই চীন সবচেয়ে বেশি পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত করেছে। তাঁর মতে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই জ্বালানি তেল ব্যবহারকারী দেশটি তেল মজুত করার মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতের যেকোনো বিপদ থেকে নিজেদের মুক্ত রাখার উদ্যোগ নিচ্ছে।
চীন এমন সময়ে এই রিজার্ভ বাড়াচ্ছে, যার কয়েক দিন আগেই সৌদি আরব স্বেচ্ছায় প্রতিদিন ১০ লাখ ব্যারেল তেল কম উৎপাদন করার ঘোষণা দিয়েছে। বিপরীতে রাশিয়াও তার ‘উরাল ব্লেন্ড’ জ্বালানি তেল খুব সস্তায় ছেড়ে দিচ্ছে—প্রতি ব্যারেল মাত্র ৬০ ডলারে।
চীনা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যানুসারে, গত মাসে চীনের তেল আমদানি নতুন একটি রেকর্ড করেছে। অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ৩ গুণ বেড়ে জুন মাসে দেশটি প্রতিদিন গড়ে ১ কোটি ২০ লাখ ৬৭ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেল আমদানি করেছে। জুন মাসে সব জ্বালানি চাহিদা মেটানোর পরও দেশটির মোট রিজার্ভ ছিল ৫ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, চীন মূলত এ কাজ করছে দুটি বিবেচনায়। প্রথমটি হলো—যদি কখনো বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ে কিংবা সরবরাহ কমে যায়, তখন ঝুঁকিমুক্ত থাকা এবং দ্বিতীয়ত, প্রয়োজন অনুসারে কখনো কখনো বাজারে মজুতকৃত তেল ছেড়ে দিয়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা।
চীন কেবল জ্বালানি তেল কিনেই ক্ষান্ত হয়নি। দেশটি তাদের জ্বালানি তেল পরিশোধনের ব্যবস্থাকেও শক্তিশালী করেছে। গত জুন মাসে দেশটি ১ কোটি ৪০ লাখ ৮৩ হাজার ব্যারেল তেল পরিশোধন করেছে।

জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে রেকর্ড করেছে চীন। গত জুন মাসে প্রতিদিন ২০ লাখ ব্যারেল তেল রিজার্ভ করে দেশটি নতুন এই রেকর্ড গড়েছে। আর দেশটির এই তেলের মূল উৎসই ছিল রাশিয়া। দেশটি থেকে বেইজিং অনেক সস্তায় তেল কিনে নিজের ভান্ডার পূর্ণ করে রাখছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ক্লাইড রাসেল জানিয়েছেন, বিগত তিন বছরের মধ্যে গত মাসেই চীন সবচেয়ে বেশি পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত করেছে। তাঁর মতে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই জ্বালানি তেল ব্যবহারকারী দেশটি তেল মজুত করার মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতের যেকোনো বিপদ থেকে নিজেদের মুক্ত রাখার উদ্যোগ নিচ্ছে।
চীন এমন সময়ে এই রিজার্ভ বাড়াচ্ছে, যার কয়েক দিন আগেই সৌদি আরব স্বেচ্ছায় প্রতিদিন ১০ লাখ ব্যারেল তেল কম উৎপাদন করার ঘোষণা দিয়েছে। বিপরীতে রাশিয়াও তার ‘উরাল ব্লেন্ড’ জ্বালানি তেল খুব সস্তায় ছেড়ে দিচ্ছে—প্রতি ব্যারেল মাত্র ৬০ ডলারে।
চীনা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যানুসারে, গত মাসে চীনের তেল আমদানি নতুন একটি রেকর্ড করেছে। অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ৩ গুণ বেড়ে জুন মাসে দেশটি প্রতিদিন গড়ে ১ কোটি ২০ লাখ ৬৭ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেল আমদানি করেছে। জুন মাসে সব জ্বালানি চাহিদা মেটানোর পরও দেশটির মোট রিজার্ভ ছিল ৫ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, চীন মূলত এ কাজ করছে দুটি বিবেচনায়। প্রথমটি হলো—যদি কখনো বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ে কিংবা সরবরাহ কমে যায়, তখন ঝুঁকিমুক্ত থাকা এবং দ্বিতীয়ত, প্রয়োজন অনুসারে কখনো কখনো বাজারে মজুতকৃত তেল ছেড়ে দিয়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা।
চীন কেবল জ্বালানি তেল কিনেই ক্ষান্ত হয়নি। দেশটি তাদের জ্বালানি তেল পরিশোধনের ব্যবস্থাকেও শক্তিশালী করেছে। গত জুন মাসে দেশটি ১ কোটি ৪০ লাখ ৮৩ হাজার ব্যারেল তেল পরিশোধন করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি আরও জোরালো করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পথ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পিছু হটার সুযোগ নেই’ এবং ‘গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
২ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) সদর দপ্তর গতকাল মঙ্গলবার ভেঙে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নেতৃত্বে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৭টায় ইসরায়েলি বাহিনী ওই কম্পাউন্ডে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে মূল ভবনের ওপর
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে দেশটির সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এসব মিশন থেকেই কূটনীতিক ও অন্য কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পর্ষদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের আড়ালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং ঘনিষ্ঠ মহলের প্রভাব বিস্তারের...
১২ ঘণ্টা আগে