
ইউক্রেন ও তাইওয়ান ইস্যুতে দ্বিমুখী আচরণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলাকে দেশটির সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলা হলেও অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে তাইওয়ান নিয়ে চীনে নীতিকে চ্যালেঞ্জ করে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিমুখী আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেছে চীন। শুক্রবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেন বিষয়ে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনা উপ–রাষ্ট্রদূত গেং শুয়াং।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে গেং শুয়াং সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করেননি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মধ্যেকার টেলিফোন আলাপে সি বাইডেনকে তাইওয়ান ইস্যুতে সতর্ক করে দেন। সি বলেন, আগুন নিয়ে খেললে পুড়তে হবে। সির সতর্কবার্তার মাত্র একদিন পরেই চীনের উপ–রাষ্ট্রদূতের কাছ থেকে এমন মন্তব্য এল।
গেং শুয়াং বলেন, ‘যদিও কিছু দেশ বারবার ইউক্রেনের ইস্যুতে সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার নীতির ওপর জোর দিয়েছে, তারাই আবার অবিরামভাবে তাইওয়ানের ওপর চীনের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছে এবং এমনকি ইচ্ছাকৃতভাবে তাইওয়ান প্রণালিতে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।’
জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনা উপ–রাষ্ট্রদূত গেং শুয়াং আরও বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো ক্রমাগত তাইওয়ান ইস্যুতে গভীর উদ্বেগ তৈরি করছে। জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় চীনের সংকল্পকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট সব দেশই আমাদের নীতিকে পরিষ্কারভাবে উপলব্ধি করবে এবং আগুন নিয়ে খেলবে বন্ধ করবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির সম্ভাব্য তাইওয়ান সফরের বিষয়ে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে চীন। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য পরিষ্কার করে কিছু জানায়নি। পেলোসিও বলেছেন, তিনি এখনো এই সফরের বিষয়ে কোনো কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাননি।

ইউক্রেন ও তাইওয়ান ইস্যুতে দ্বিমুখী আচরণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলাকে দেশটির সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলা হলেও অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে তাইওয়ান নিয়ে চীনে নীতিকে চ্যালেঞ্জ করে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিমুখী আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেছে চীন। শুক্রবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেন বিষয়ে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনা উপ–রাষ্ট্রদূত গেং শুয়াং।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে গেং শুয়াং সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করেননি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের মধ্যেকার টেলিফোন আলাপে সি বাইডেনকে তাইওয়ান ইস্যুতে সতর্ক করে দেন। সি বলেন, আগুন নিয়ে খেললে পুড়তে হবে। সির সতর্কবার্তার মাত্র একদিন পরেই চীনের উপ–রাষ্ট্রদূতের কাছ থেকে এমন মন্তব্য এল।
গেং শুয়াং বলেন, ‘যদিও কিছু দেশ বারবার ইউক্রেনের ইস্যুতে সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার নীতির ওপর জোর দিয়েছে, তারাই আবার অবিরামভাবে তাইওয়ানের ওপর চীনের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছে এবং এমনকি ইচ্ছাকৃতভাবে তাইওয়ান প্রণালিতে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।’
জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনা উপ–রাষ্ট্রদূত গেং শুয়াং আরও বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো ক্রমাগত তাইওয়ান ইস্যুতে গভীর উদ্বেগ তৈরি করছে। জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় চীনের সংকল্পকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট সব দেশই আমাদের নীতিকে পরিষ্কারভাবে উপলব্ধি করবে এবং আগুন নিয়ে খেলবে বন্ধ করবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির সম্ভাব্য তাইওয়ান সফরের বিষয়ে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে চীন। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য পরিষ্কার করে কিছু জানায়নি। পেলোসিও বলেছেন, তিনি এখনো এই সফরের বিষয়ে কোনো কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাননি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যুদ্ধ পরবর্তী গাজার শাসনব্যবস্থা এবং পুনর্গঠন তদারকি করার জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
৩ মিনিট আগে
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া জাপানের সাগর উপকূলে নিইগাতা প্রিফেকচারের ৪ দশমিক ২ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। সাতটি রিঅ্যাক্টর পুরোপুরি চালু থাকলে কেন্দ্রটি সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ২ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, যা লাখ লাখ পরিবারের বিদ্যুৎ চাহিদা মেট
২৫ মিনিট আগে
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে তাদের তথাকথিত ‘অ্যান্টি-কোয়ারশন ইনস্ট্রুমেন্ট’ সক্রিয় করার আহ্বান জানান। অনানুষ্ঠানিকভাবে একে বলা হয় ‘ট্রেড বাজুকা’। এই ব্যবস্থার আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ সীমিত করতে পারে বা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে...
৩ ঘণ্টা আগে
সিরীয় সরকার এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে এসডিএফ তাদের বাহিনীকে ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর পশ্চিম তীরবর্তী এলাকাগুলো থেকে প্রত্যাহার করে নেবে। গতকাল রোববার এই চুক্তি হয়।
৪ ঘণ্টা আগে