
প্রায় ১৫০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে সাগরে কয়েক দিন আগে ডুবে গিয়েছিল একটি কাঠের নৌকা। গত বুধবার ইন্দোনেশিয়া কর্তৃপক্ষ জীবিতদের উদ্ধারে অনুসন্ধান অভিযান বন্ধ ঘোষণা করে। আজ শনিবার স্থানীয় উদ্ধারকারীরা দুই রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করেছেন। আরও কয়েকটি মরদেহ সাগরে ভাসতে দেখেছেন জেলেরা।
বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে। ডুবে যাওয়া নৌকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বড় একটি অংশই নিখোঁজ। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই মৃত।
বেশির ভাগ মুসলিম জাতিগত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ব্যাপক মাত্রার নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। প্রতি বছর হাজার হাজার রোহিঙ্গা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট নৌকায় দীর্ঘ, ব্যয়বহুল এবং ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছানোর চেষ্টা করে।
ইন্দোনেশীয় উদ্ধারকারীরা গতকাল শুক্রবার জীবিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনুসন্ধান অভিযান বন্ধ করে দিয়েছে। বেঁচে যাওয়া কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে খবর পাওয়া গেছে যে, গত বুধবার তাদের নৌকাকে আরেকটি নৌকা সাহায্য করার সময় সাগরে ভেসে গেছে কয়েক ডজন রোহিঙ্গা।
ইন্দোনেশীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, আজ শনিবার সাগরে ৮ থেকে ১০টি মরদেহ ভাসতে দেখেছে জেলেরা। এর মধ্যে দুটি মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
আচেহ জায়া সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ অপারেশনের প্রধান মির্জা সাফরিনাদি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা মাত্র দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। দুজনই নারী। এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, তারা রোহিঙ্গা। জেলেদের তথ্য অনুযায়ী, ডুবে মারা গেছে আরও বেশ কয়েকজন।’
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) সুরক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা ফয়সাল রহমান এএফপিকে বলেন, দুটি মরদেহ ইতিমধ্যেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বাকিগুলো এখনো প্রক্রিয়াধীন।
গত বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশীয় কর্তৃপক্ষ ৬৯ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে। উল্টে যাওয়া জাহাজে অনেককে আটকে থাকতেও দেখা গেছে। গত বুধবার আরও ছয়জন রোহিঙ্গাকে জেলেরা উদ্ধার করেছে।
ইউএনএইচসিআর অনুসারে, গত নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত ১,৭৫২ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী ইন্দোনেশিয়ার আচেহ এবং উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে পৌঁছেছে। এদের বেশির ভাগই নারী এবং শিশু।

প্রায় ১৫০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে সাগরে কয়েক দিন আগে ডুবে গিয়েছিল একটি কাঠের নৌকা। গত বুধবার ইন্দোনেশিয়া কর্তৃপক্ষ জীবিতদের উদ্ধারে অনুসন্ধান অভিযান বন্ধ ঘোষণা করে। আজ শনিবার স্থানীয় উদ্ধারকারীরা দুই রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করেছেন। আরও কয়েকটি মরদেহ সাগরে ভাসতে দেখেছেন জেলেরা।
বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে। ডুবে যাওয়া নৌকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বড় একটি অংশই নিখোঁজ। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই মৃত।
বেশির ভাগ মুসলিম জাতিগত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ব্যাপক মাত্রার নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। প্রতি বছর হাজার হাজার রোহিঙ্গা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট নৌকায় দীর্ঘ, ব্যয়বহুল এবং ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছানোর চেষ্টা করে।
ইন্দোনেশীয় উদ্ধারকারীরা গতকাল শুক্রবার জীবিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনুসন্ধান অভিযান বন্ধ করে দিয়েছে। বেঁচে যাওয়া কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে খবর পাওয়া গেছে যে, গত বুধবার তাদের নৌকাকে আরেকটি নৌকা সাহায্য করার সময় সাগরে ভেসে গেছে কয়েক ডজন রোহিঙ্গা।
ইন্দোনেশীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, আজ শনিবার সাগরে ৮ থেকে ১০টি মরদেহ ভাসতে দেখেছে জেলেরা। এর মধ্যে দুটি মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
আচেহ জায়া সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ অপারেশনের প্রধান মির্জা সাফরিনাদি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা মাত্র দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। দুজনই নারী। এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, তারা রোহিঙ্গা। জেলেদের তথ্য অনুযায়ী, ডুবে মারা গেছে আরও বেশ কয়েকজন।’
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) সুরক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা ফয়সাল রহমান এএফপিকে বলেন, দুটি মরদেহ ইতিমধ্যেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বাকিগুলো এখনো প্রক্রিয়াধীন।
গত বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশীয় কর্তৃপক্ষ ৬৯ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে। উল্টে যাওয়া জাহাজে অনেককে আটকে থাকতেও দেখা গেছে। গত বুধবার আরও ছয়জন রোহিঙ্গাকে জেলেরা উদ্ধার করেছে।
ইউএনএইচসিআর অনুসারে, গত নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত ১,৭৫২ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী ইন্দোনেশিয়ার আচেহ এবং উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে পৌঁছেছে। এদের বেশির ভাগই নারী এবং শিশু।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে