
দক্ষিণ কোরিয়ার বিমানবাহিনীর দুটি প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উড়োজাহাজ দুটি দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটির কাছেই বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত হওয়া দুটি উড়োজাহাজই দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি কেটি-১ সিরিজের প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজ। শুক্রবার সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
দেশটির বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, উড়োজাহাজ দুটি তাঁদের একটি ঘাঁটির কাছে বিধ্বস্ত হয় এবং এতে চারজন নিহত হন। কর্মকর্তারা আরও জানান, উড়োজাহাজ দুটি দক্ষিণ-পূর্ব শহর সাচিওনের একটি বিমানঘাঁটি থেকে একটির পর একটি উড্ডয়ন করে। প্রথম উড়োজাহাজটি উড্ডয়নের প্রায় পাঁচ মিনিট পরে সাচিওন ঘাঁটি থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দক্ষিণে দ্বিতীয় উড়োজাহাজের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
দুই ব্যক্তি—একজন প্রশিক্ষক পাইলট এবং একজন প্রশিক্ষক দুটি কেটি-১ উড়োজাহাজের প্রতিটিতে ছিলেন। বিমানবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চারজনই উড়োজাহাজ থেকে বের হয়ে গেলেও পরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। নিহত চারজনের দুজন ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট এবং তাদের প্রশিক্ষক হিসেবে চিহ্নিত, দুজনেই বিমানবাহিনীর বেসামরিক কর্মচারী।
বিমানবাহিনী বলেছে, তারা সংঘর্ষের কারণ অনুসন্ধান করতে একটি টাস্কফোর্স গঠন করবে। স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ১৩০ জন সৈন্য, ৯৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ৬০ জন ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ও তিনটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান শুরু করেছে।
বিমানবাহিনী জানিয়েছে, বিধ্বস্ত হওয়ার ফলে মাটিতে কোনো বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে কোনো বেসামরিক সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে কি না, তা নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সাচিওনের পুলিশ কর্মকর্তা লি সিওং-গাইয়ং বলেছেন, ‘একটি যাত্রীবাহী গাড়িও উড়োজাহাজ দুটির ধ্বংসস্তূপের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে।’

দক্ষিণ কোরিয়ার বিমানবাহিনীর দুটি প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উড়োজাহাজ দুটি দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটির কাছেই বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত হওয়া দুটি উড়োজাহাজই দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি কেটি-১ সিরিজের প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজ। শুক্রবার সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
দেশটির বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, উড়োজাহাজ দুটি তাঁদের একটি ঘাঁটির কাছে বিধ্বস্ত হয় এবং এতে চারজন নিহত হন। কর্মকর্তারা আরও জানান, উড়োজাহাজ দুটি দক্ষিণ-পূর্ব শহর সাচিওনের একটি বিমানঘাঁটি থেকে একটির পর একটি উড্ডয়ন করে। প্রথম উড়োজাহাজটি উড্ডয়নের প্রায় পাঁচ মিনিট পরে সাচিওন ঘাঁটি থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দক্ষিণে দ্বিতীয় উড়োজাহাজের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
দুই ব্যক্তি—একজন প্রশিক্ষক পাইলট এবং একজন প্রশিক্ষক দুটি কেটি-১ উড়োজাহাজের প্রতিটিতে ছিলেন। বিমানবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চারজনই উড়োজাহাজ থেকে বের হয়ে গেলেও পরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। নিহত চারজনের দুজন ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট এবং তাদের প্রশিক্ষক হিসেবে চিহ্নিত, দুজনেই বিমানবাহিনীর বেসামরিক কর্মচারী।
বিমানবাহিনী বলেছে, তারা সংঘর্ষের কারণ অনুসন্ধান করতে একটি টাস্কফোর্স গঠন করবে। স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ১৩০ জন সৈন্য, ৯৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ৬০ জন ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ও তিনটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান শুরু করেছে।
বিমানবাহিনী জানিয়েছে, বিধ্বস্ত হওয়ার ফলে মাটিতে কোনো বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে কোনো বেসামরিক সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে কি না, তা নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সাচিওনের পুলিশ কর্মকর্তা লি সিওং-গাইয়ং বলেছেন, ‘একটি যাত্রীবাহী গাড়িও উড়োজাহাজ দুটির ধ্বংসস্তূপের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে