
ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প। বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা টেংগারা প্রদেশে রিখটার স্কেলে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল পূর্ব নুসা টেংগারা প্রদেশের রাজধানী কুপাং থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে উপকূলীয় এলাকায় ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৫ কিলোমিটার (১৫.৫ মাইল) গভীরে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানান হয়, এই ভূমিকম্পে পূর্ব নুসা টেংগারা প্রদেশের বেশ কয়েকটি শহরে তীব্রভাবে কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের জেরে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া, সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।
ইন্দোনেশিয়ার ভূতাত্ত্বিক সংস্থা (বিএমকেজি) বৃহস্পতিবারের এই ভূমিকম্পের মাত্রা রিকটার স্কেলে ৬.৩ বলে জানিয়েছে। ভূমিকম্পের ফলে সুনামির আশঙ্কা নেই বলেও জানিয়েছে তারা।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.১।
কুপাংয়ের অ্যাস্টন হোটেলের কর্মচারী স্যামুয়েল মালোহানা বলেন, হোটেলের অতিথিরা ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। পরে প্রায় ১০০ জন অতিথি তাঁদের কক্ষ ছেড়ে হোটেলের সামনে জড়ো হন। তিনি বলেন, অতিথিদের বেশির ভাগই তাঁদের ঘরে ফিরে এসেছেন এবং হোটেলে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
বিএমকেজির ভূমিকম্প ও সুনামি সেন্টারের প্রধান দারিওনো জানান, তিনি কুপাংয়ের আঞ্চলিক প্রধানের অফিসে কিছুটা ক্ষয়ক্ষতির খবর জানতে পেরেছেন। বেশ কয়েকটি শহর ও গ্রামে কম্পনটি তীব্রভাবে অনুভূত হওয়ায় এই ভূমিকম্প অনেকের মধ্যেই আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এ ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান। এখানে একাধিক টেকটোনিক প্লেট অবস্থিত। ভূতাত্ত্বিক অবস্থানের কারণে দেশটিতে ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ও সুনামির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা নিয়মিতই ঘটে থাকে।
এর আগে ২০০৯ সালে পাদাংয়ে শক্তিশালী ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ১ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। তার আগে ২০০৪ সালে সুমাত্রা উপকূলে ৯.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পরপর আঘাত হানে সুনামি। এতে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।

ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প। বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা টেংগারা প্রদেশে রিখটার স্কেলে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল পূর্ব নুসা টেংগারা প্রদেশের রাজধানী কুপাং থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে উপকূলীয় এলাকায় ভূপৃষ্ঠ থেকে ২৫ কিলোমিটার (১৫.৫ মাইল) গভীরে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানান হয়, এই ভূমিকম্পে পূর্ব নুসা টেংগারা প্রদেশের বেশ কয়েকটি শহরে তীব্রভাবে কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের জেরে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া, সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।
ইন্দোনেশিয়ার ভূতাত্ত্বিক সংস্থা (বিএমকেজি) বৃহস্পতিবারের এই ভূমিকম্পের মাত্রা রিকটার স্কেলে ৬.৩ বলে জানিয়েছে। ভূমিকম্পের ফলে সুনামির আশঙ্কা নেই বলেও জানিয়েছে তারা।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.১।
কুপাংয়ের অ্যাস্টন হোটেলের কর্মচারী স্যামুয়েল মালোহানা বলেন, হোটেলের অতিথিরা ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। পরে প্রায় ১০০ জন অতিথি তাঁদের কক্ষ ছেড়ে হোটেলের সামনে জড়ো হন। তিনি বলেন, অতিথিদের বেশির ভাগই তাঁদের ঘরে ফিরে এসেছেন এবং হোটেলে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
বিএমকেজির ভূমিকম্প ও সুনামি সেন্টারের প্রধান দারিওনো জানান, তিনি কুপাংয়ের আঞ্চলিক প্রধানের অফিসে কিছুটা ক্ষয়ক্ষতির খবর জানতে পেরেছেন। বেশ কয়েকটি শহর ও গ্রামে কম্পনটি তীব্রভাবে অনুভূত হওয়ায় এই ভূমিকম্প অনেকের মধ্যেই আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এ ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান। এখানে একাধিক টেকটোনিক প্লেট অবস্থিত। ভূতাত্ত্বিক অবস্থানের কারণে দেশটিতে ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ও সুনামির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা নিয়মিতই ঘটে থাকে।
এর আগে ২০০৯ সালে পাদাংয়ে শক্তিশালী ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ১ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। তার আগে ২০০৪ সালে সুমাত্রা উপকূলে ৯.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পরপর আঘাত হানে সুনামি। এতে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।

সুইজারল্যান্ডের একটি অভিজাত স্কি রিসোর্টে নতুন বছর উদ্যাপনের আনন্দ মুহূর্তেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে রূপ নিয়েছে। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্রাঁস-মঁতানা স্কি রিসোর্টে নববর্ষের রাতে একটি জনাকীর্ণ বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪০ জন মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ১১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়...
৮ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নিজেকে ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বাস্তবতা ভিন্ন ছবি দেখাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, সদ্য শেষ হওয়া বছরটিতে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত সাতটি দেশে সামরিক..
৯ ঘণ্টা আগে
গত দুই দিনে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তিনটি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার রাতে কুহদাশত শহরে দাঙ্গাকারীদের হামলায় ২১ বছর বয়সী আমির হোসাম খোদায়ারি ফার্দ নামের এক বাসিজ সদস্য (আধা সামরিক বাহিনী) নিহত হন। এ ঘটনায় আরও ১৩ পুলিশ ও বাসিজ সদস্য আহত হয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবার নিয়ম অনুযায়ী, মার্কিন নাগরিকের স্বামী বা স্ত্রী ‘ইমিডিয়েট রিলেটিভ’ বা নিকটাত্মীয় ক্যাটাগরিতে পড়েন এবং তাঁরা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনের যোগ্য। তবে ৩০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অভিবাসন আইনজীবী ব্র্যাড বার্নস্টাইন সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাস
১০ ঘণ্টা আগে