
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের দুটি উচ্চবিদ্যালয়ে আজ মঙ্গলবার পর পর তিনটি ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয়জন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছে। দেশটির পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান বলেছেন, ‘কাবুলের উচ্চবিদ্যালেয় তিনটি বিস্ফোরণ ঘটেছে। আমাদের শিয়া সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন।’ এদিকে স্থানীয় হাসপাতালের নার্সিং বিভাগের প্রধান (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেছেন, ‘বিস্ফোরণে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছন প্রায় ১৪ জন।’
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকার আবদুল রহিম শহীদ উচ্চবিদ্যালয়ের বাইরে দুটি ইম্প্রোভাইজড বিস্ফোরক ডিভাইস রাখা হয়েছিল। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যখন তাদের সকালের ক্লাস থেকে বের হচ্ছিল, তখন বিস্ফোরণ ঘটে।
এদিকে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কাবুলের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিদ্যালয়টির নাম মুমতাজ স্কুল। প্রথম হামলাটি সেখানেই ঘটে। পরে দাশত-ই-বারচি জেলায় আরেকটি স্কুলের কাছে দ্বিতীয় হামলা ঘটেছে। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, ‘এই হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।’
রয়টার্স জানিয়েছে, বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। এখন পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি। হামলা হওয়া এলাকার পাশেই সংখ্যালঘু শিয়া জনগোষ্ঠী হাজারা সম্প্রদায়ের বহু মানুষ বসবাস করে থাকে।
কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান টুইটারে লিখেছেন, পর পর তিনটি বিস্ফোরণ কাবুলের স্কুল কেঁপে উঠেছে। এটি মূলত শিয়া হাজারা সম্প্রদায় অধ্যুষিত একটি অঞ্চল। এখানে আইএস গোষ্ঠী প্রায়ই হামলা করে থাকে।
আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রতাহারের পর থেকে দেশটিতে প্রায়ই হামলার ঘটনা ঘটছে। তবে তালেবান সরকার দাবি করেছে, গত আগস্টে ক্ষমতাগ্রহণের পর থেকে তারা দেশটির সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদের পুনরুত্থানের ঝুঁকি রয়ে গেছে।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের দুটি উচ্চবিদ্যালয়ে আজ মঙ্গলবার পর পর তিনটি ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয়জন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছে। দেশটির পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান বলেছেন, ‘কাবুলের উচ্চবিদ্যালেয় তিনটি বিস্ফোরণ ঘটেছে। আমাদের শিয়া সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন।’ এদিকে স্থানীয় হাসপাতালের নার্সিং বিভাগের প্রধান (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেছেন, ‘বিস্ফোরণে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছন প্রায় ১৪ জন।’
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকার আবদুল রহিম শহীদ উচ্চবিদ্যালয়ের বাইরে দুটি ইম্প্রোভাইজড বিস্ফোরক ডিভাইস রাখা হয়েছিল। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যখন তাদের সকালের ক্লাস থেকে বের হচ্ছিল, তখন বিস্ফোরণ ঘটে।
এদিকে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কাবুলের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিদ্যালয়টির নাম মুমতাজ স্কুল। প্রথম হামলাটি সেখানেই ঘটে। পরে দাশত-ই-বারচি জেলায় আরেকটি স্কুলের কাছে দ্বিতীয় হামলা ঘটেছে। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, ‘এই হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।’
রয়টার্স জানিয়েছে, বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। এখন পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি। হামলা হওয়া এলাকার পাশেই সংখ্যালঘু শিয়া জনগোষ্ঠী হাজারা সম্প্রদায়ের বহু মানুষ বসবাস করে থাকে।
কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জাদরান টুইটারে লিখেছেন, পর পর তিনটি বিস্ফোরণ কাবুলের স্কুল কেঁপে উঠেছে। এটি মূলত শিয়া হাজারা সম্প্রদায় অধ্যুষিত একটি অঞ্চল। এখানে আইএস গোষ্ঠী প্রায়ই হামলা করে থাকে।
আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রতাহারের পর থেকে দেশটিতে প্রায়ই হামলার ঘটনা ঘটছে। তবে তালেবান সরকার দাবি করেছে, গত আগস্টে ক্ষমতাগ্রহণের পর থেকে তারা দেশটির সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদের পুনরুত্থানের ঝুঁকি রয়ে গেছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৯ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে