
পূর্ব লাদাখ সীমান্তে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমাতে ভারত ও চীন একসঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল উ কিয়ান এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে উ কিয়ান বলেন, ‘বর্তমানে, চীন ও ভারতীয় সেনাবাহিনী সীমান্ত এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করছে এবং সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রস্তুত।’
গত বছরের শেষের দিকে, ভারত ও চীন ডেপসাং এবং ডেমচক থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এই দুটি স্থান ছিল দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার শেষ কেন্দ্রবিন্দু। এর ফলে চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা অচলাবস্থার অবসান হয়।
চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পর, গত বছরের ২৩ অক্টোবর রাশিয়ার কাজানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং আলোচনা করেন। বৈঠকে, দুই দেশ বিভিন্ন স্তরের আলোচনা প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।
এরপর, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বেইজিংয়ে ২৩তম বিশেষ প্রতিনিধি (এসআর) পর্যায়ে আলোচনায় বসেন। এই ধারাবাহিকতায়, গত ২৬ জানুয়ারি ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি চীনের ভাইস মিনিস্টার সান ওয়েডংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, পরপর কয়েক দফা বৈঠকের পর উভয় দেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এদিকে ভারত বরাবরই বলে আসছে, সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হলে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়।

পূর্ব লাদাখ সীমান্তে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমাতে ভারত ও চীন একসঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল উ কিয়ান এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে উ কিয়ান বলেন, ‘বর্তমানে, চীন ও ভারতীয় সেনাবাহিনী সীমান্ত এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করছে এবং সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রস্তুত।’
গত বছরের শেষের দিকে, ভারত ও চীন ডেপসাং এবং ডেমচক থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এই দুটি স্থান ছিল দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার শেষ কেন্দ্রবিন্দু। এর ফলে চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা অচলাবস্থার অবসান হয়।
চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পর, গত বছরের ২৩ অক্টোবর রাশিয়ার কাজানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং আলোচনা করেন। বৈঠকে, দুই দেশ বিভিন্ন স্তরের আলোচনা প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।
এরপর, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বেইজিংয়ে ২৩তম বিশেষ প্রতিনিধি (এসআর) পর্যায়ে আলোচনায় বসেন। এই ধারাবাহিকতায়, গত ২৬ জানুয়ারি ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি চীনের ভাইস মিনিস্টার সান ওয়েডংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, পরপর কয়েক দফা বৈঠকের পর উভয় দেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এদিকে ভারত বরাবরই বলে আসছে, সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হলে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়।

ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো শিগগির দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করেছেন। নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে দেওয়া
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান চাপ ও শুল্ক হুমকির মধ্যেও রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ভারত এখনো শক্ত অবস্থানে। সাম্প্রতিক ছয় মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও মোট আমদানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ এখনো রুশ তেল থেকেই আসছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর লাতিন আমেরিকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। এক কড়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘এসে ধরুন আমাকে। আমি এখানেই আপনাদের জন্য
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘ভেনেজুয়েলার নিকোলাস মাদুরোর মতো অপহরণ করতে পারেন কি না’—এমন মন্তব্য করে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা পৃথ্বীরাজ চবন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এই মন্তব্যকে অনেকেই ‘অবাস্তব’, ‘হাস্যকর’ ও ‘দেশের জন্য অপমানজনক’ বলে
৭ ঘণ্টা আগে