
মধ্যপ্রাচ্যের ওমান উপসাগর ও আরব সাগরে ইরান ও চীনের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে যাচ্ছে রাশিয়ার বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ। ১১ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ওমান উপসাগরের জলসীমায় যৌথ সামরিক মহড়া চালাবে চীন, ইরান ও রাশিয়া। গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দেয় বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতি অনুসারে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা বলয়–২০২৪ নামের যৌথ এ মহড়ায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান অংশ নেবে। মহড়ার ব্যবহারিক অংশগুলো আরব সাগরের ওমান উপসাগরে পরিচালনা করা হবে। এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য সামুদ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ বহরের নেতৃত্ব দিচ্ছে এর প্যাসিফিক ফ্লিটের একটি ক্ষেপণাস্ত্র ক্রুজার ভারিয়াগ। এ মহড়ার পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্বপালন করবে পাকিস্তান, কাজাখস্তান, আজারবাইজান, ওমান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।
চীনা ও রুশ বহরের পাশাপাশি এ মহড়ায় ১০টিরও বেশি ইরানি নৌবাহিনীর জাহাজ এবং তিনটি হেলিকপ্টার অংশ নেবে। গত মাসে, ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি বলেছেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তেহরান মার্চের শেষের দিকে বেইজিং ও মস্কোর সঙ্গে যৌথ মহড়া চালাবে।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাস সশস্ত্র গোষ্ঠীর নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ভারত মহাসাগরে যৌথ মহড়া চালিয়েছে চীন। এর আগে গত নভেম্বরে আরব সাগরে পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় পিএলএ এর গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার জিবোকে মোকাবিলা করে চীন। চীনা জাতীয়তাবাদী ট্যাবলয়েড গ্লোবাল টাইমস বলেছিল, দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত মহড়াটি ছিল এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় মহড়া।
ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতিরা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানাতে লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক ও বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে থাকে। এর জবাবে সশস্ত্র গোষ্ঠীটিকে প্রতিহত করতে হামলা শুরু করে মার্কিন নেতৃত্বে গঠিত আন্তর্জাতিক জোট। লোহিত সাগরে ক্রমবর্ধমান এ সংঘাতের মধ্যেই এই যৌথ মহড়া চালাচ্ছে দেশগুলো।

মধ্যপ্রাচ্যের ওমান উপসাগর ও আরব সাগরে ইরান ও চীনের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে যাচ্ছে রাশিয়ার বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ। ১১ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ওমান উপসাগরের জলসীমায় যৌথ সামরিক মহড়া চালাবে চীন, ইরান ও রাশিয়া। গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দেয় বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতি অনুসারে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা বলয়–২০২৪ নামের যৌথ এ মহড়ায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান অংশ নেবে। মহড়ার ব্যবহারিক অংশগুলো আরব সাগরের ওমান উপসাগরে পরিচালনা করা হবে। এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য সামুদ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজ বহরের নেতৃত্ব দিচ্ছে এর প্যাসিফিক ফ্লিটের একটি ক্ষেপণাস্ত্র ক্রুজার ভারিয়াগ। এ মহড়ার পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্বপালন করবে পাকিস্তান, কাজাখস্তান, আজারবাইজান, ওমান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।
চীনা ও রুশ বহরের পাশাপাশি এ মহড়ায় ১০টিরও বেশি ইরানি নৌবাহিনীর জাহাজ এবং তিনটি হেলিকপ্টার অংশ নেবে। গত মাসে, ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি বলেছেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তেহরান মার্চের শেষের দিকে বেইজিং ও মস্কোর সঙ্গে যৌথ মহড়া চালাবে।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাস সশস্ত্র গোষ্ঠীর নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ভারত মহাসাগরে যৌথ মহড়া চালিয়েছে চীন। এর আগে গত নভেম্বরে আরব সাগরে পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় পিএলএ এর গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার জিবোকে মোকাবিলা করে চীন। চীনা জাতীয়তাবাদী ট্যাবলয়েড গ্লোবাল টাইমস বলেছিল, দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত মহড়াটি ছিল এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় মহড়া।
ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতিরা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানাতে লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক ও বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে থাকে। এর জবাবে সশস্ত্র গোষ্ঠীটিকে প্রতিহত করতে হামলা শুরু করে মার্কিন নেতৃত্বে গঠিত আন্তর্জাতিক জোট। লোহিত সাগরে ক্রমবর্ধমান এ সংঘাতের মধ্যেই এই যৌথ মহড়া চালাচ্ছে দেশগুলো।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে