
অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি জংশন এলাকায় ১৫ বছরের এক কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশি এক শিক্ষার্থী। তাঁর নাম মো. আব্দুল সাদেক পাপন। পুরো ঘটনাটি বন্ডির ওয়েস্টফিল্ডের একটি শপিংমলের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত রোববার পাপনকে গ্রেপ্তার করা হয় বন্ডি জংশন থেকে। স্টুডেন্ট ভিসায় পড়তে যাওয়া এই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারের সময় তিনি একটি কালো টি-শার্ট পরে ছিলেন। এরপর সোমবার তাঁকে স্থানীয় ওয়েভারলি আদালতে তোলা হয়। পড়াশোনার পাশাপাশি পাপন স্থানীয় একটি দোকানেও কাজ করতেন। ম্যাজিস্ট্রেট পাপনের জামিন নাকচ করেছেন।
প্রতিবেদন অনুসারে, ২৭ বছর বয়সী পাপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর কাছে গিয়ে তার প্যান্টের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দেন। সে সময় কিশোরীটি একটি এস্কেলেটরে দাঁড়িয়ে ছিল।
পাপনের বিরুদ্ধে শিশুদের শরীরে ইচ্ছাকৃত যৌন স্পর্শের ছয়টি অভিযোগ এবং সেক্সুয়াল গ্রুমিং বা নাজুক পরিস্থিতিতে থাকা কাউকে মানসিকভাবে হয়রানি করে যৌন সম্পর্কে রাজি করানোর একটি অভিযোগ আনা হয়েছে। সবচেয়ে গুরুতর যে অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে আনা হয়েছে, তা হলো—১৬ বছরের কম বয়সী মেয়েকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
ম্যাজিস্ট্রেট মাইকেল বার্কো আদালতে উত্থাপিত পুলিশের নথিপত্র পড়ে বলেছিলেন, সিসিটিভিতে যা দেখা গেছে তার ভিত্তিতে এই আক্রমণ অপরাধ এবং পুলিশের মামলা শক্তিশালী। তিনি বলেন, ‘তিনি এখানে অস্ট্রেলিয়ার জনগণের সুবিধায় এসেছে—যাকে বাংলাদেশ থেকে স্টুডেন্ট ভিসায় আসা বলা হচ্ছে। তারা হয়তো বাংলাদেশে ভিন্নভাবে কাজ করে, কিন্তু সিডনিতে, অস্ট্রেলিয়ায়...আমরা এমন লোকজন চাই না, যারা আমাদের শপিং সেন্টারে ১৫ বছরের মেয়েদের যৌন নিপীড়ন করবে।’
আদালতের নথি থেকে জানা গেছে, পাপন বিবাহিত এবং তাঁর পরিবারে একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁর স্ত্রীও পড়াশোনা করছেন। অস্ট্রেলিয়ায় তাঁর অপরাধমূলক কোনো রেকর্ড নেই। পাপন মুক্তি চেয়ে আদালতে জানান, যদি তিনি বাড়ি না ফেরেন, তবে তাঁর স্ত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করতে পারেন। তিনি তাঁর আইনজীবীকে এ কথা জানান।
কিন্তু পাপন তাঁর স্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে অস্বীকার করেছেন, অথবা কাউকে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগও করতে বলেননি। তাঁর আইনজীবী আদালতে বিষয়টি জানিয়েছেন। বার্কো বলেন, তিনি বুঝতে পারেন যে, পাপনের স্ত্রীর কিছু সমস্যা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমি নিউ সাউথ ওয়েলসের জনগণ এবং ১৫ বছরের মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা সবাই চাই, আমরা আমাদের শপিং সেন্টারগুলোতে হাঁটতে গিয়ে নিরাপদ অনুভব করি।’
এরপর, বার্কো পাপনের মুক্তির আবেদন নাকচ করেন। পাপন এখন রিমান্ডে রয়েছেন। তাঁকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে আদালতে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি জংশন এলাকায় ১৫ বছরের এক কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশি এক শিক্ষার্থী। তাঁর নাম মো. আব্দুল সাদেক পাপন। পুরো ঘটনাটি বন্ডির ওয়েস্টফিল্ডের একটি শপিংমলের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত রোববার পাপনকে গ্রেপ্তার করা হয় বন্ডি জংশন থেকে। স্টুডেন্ট ভিসায় পড়তে যাওয়া এই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারের সময় তিনি একটি কালো টি-শার্ট পরে ছিলেন। এরপর সোমবার তাঁকে স্থানীয় ওয়েভারলি আদালতে তোলা হয়। পড়াশোনার পাশাপাশি পাপন স্থানীয় একটি দোকানেও কাজ করতেন। ম্যাজিস্ট্রেট পাপনের জামিন নাকচ করেছেন।
প্রতিবেদন অনুসারে, ২৭ বছর বয়সী পাপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর কাছে গিয়ে তার প্যান্টের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দেন। সে সময় কিশোরীটি একটি এস্কেলেটরে দাঁড়িয়ে ছিল।
পাপনের বিরুদ্ধে শিশুদের শরীরে ইচ্ছাকৃত যৌন স্পর্শের ছয়টি অভিযোগ এবং সেক্সুয়াল গ্রুমিং বা নাজুক পরিস্থিতিতে থাকা কাউকে মানসিকভাবে হয়রানি করে যৌন সম্পর্কে রাজি করানোর একটি অভিযোগ আনা হয়েছে। সবচেয়ে গুরুতর যে অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে আনা হয়েছে, তা হলো—১৬ বছরের কম বয়সী মেয়েকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
ম্যাজিস্ট্রেট মাইকেল বার্কো আদালতে উত্থাপিত পুলিশের নথিপত্র পড়ে বলেছিলেন, সিসিটিভিতে যা দেখা গেছে তার ভিত্তিতে এই আক্রমণ অপরাধ এবং পুলিশের মামলা শক্তিশালী। তিনি বলেন, ‘তিনি এখানে অস্ট্রেলিয়ার জনগণের সুবিধায় এসেছে—যাকে বাংলাদেশ থেকে স্টুডেন্ট ভিসায় আসা বলা হচ্ছে। তারা হয়তো বাংলাদেশে ভিন্নভাবে কাজ করে, কিন্তু সিডনিতে, অস্ট্রেলিয়ায়...আমরা এমন লোকজন চাই না, যারা আমাদের শপিং সেন্টারে ১৫ বছরের মেয়েদের যৌন নিপীড়ন করবে।’
আদালতের নথি থেকে জানা গেছে, পাপন বিবাহিত এবং তাঁর পরিবারে একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁর স্ত্রীও পড়াশোনা করছেন। অস্ট্রেলিয়ায় তাঁর অপরাধমূলক কোনো রেকর্ড নেই। পাপন মুক্তি চেয়ে আদালতে জানান, যদি তিনি বাড়ি না ফেরেন, তবে তাঁর স্ত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করতে পারেন। তিনি তাঁর আইনজীবীকে এ কথা জানান।
কিন্তু পাপন তাঁর স্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে অস্বীকার করেছেন, অথবা কাউকে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগও করতে বলেননি। তাঁর আইনজীবী আদালতে বিষয়টি জানিয়েছেন। বার্কো বলেন, তিনি বুঝতে পারেন যে, পাপনের স্ত্রীর কিছু সমস্যা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমি নিউ সাউথ ওয়েলসের জনগণ এবং ১৫ বছরের মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা সবাই চাই, আমরা আমাদের শপিং সেন্টারগুলোতে হাঁটতে গিয়ে নিরাপদ অনুভব করি।’
এরপর, বার্কো পাপনের মুক্তির আবেদন নাকচ করেন। পাপন এখন রিমান্ডে রয়েছেন। তাঁকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে আদালতে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো শিগগির দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করেছেন। নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে দেওয়া
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান চাপ ও শুল্ক হুমকির মধ্যেও রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ভারত এখনো শক্ত অবস্থানে। সাম্প্রতিক ছয় মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও মোট আমদানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ এখনো রুশ তেল থেকেই আসছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর লাতিন আমেরিকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। এক কড়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘এসে ধরুন আমাকে। আমি এখানেই আপনাদের জন্য
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘ভেনেজুয়েলার নিকোলাস মাদুরোর মতো অপহরণ করতে পারেন কি না’—এমন মন্তব্য করে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা পৃথ্বীরাজ চবন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এই মন্তব্যকে অনেকেই ‘অবাস্তব’, ‘হাস্যকর’ ও ‘দেশের জন্য অপমানজনক’ বলে
১০ ঘণ্টা আগে