
ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জাপানের আকাশসীমায় মার্কিন সামরিক বিমানের অবাধ চলাচল নিয়ে টোকিওর অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রবীণ রাজনীতিক কাজুও শি। জাপানি কমিউনিস্ট পার্টির (জেসিপি) দীর্ঘতম সময়ের এই নেতা অস্ট্রিয়ার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের উদাহরণ টেনে জাপানের বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করেছেন।
সম্প্রতি ইরান যুদ্ধে লিপ্ত মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোকে অস্ট্রিয়া তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় কাজুও শি সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ লেখেন, ‘জাপানের উচিত তার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মৌলিকভাবে নতুন করে ভাবা। এখানে মার্কিন সামরিক বিমানগুলো অত্যন্ত উদ্ধতভাবে এবং দায়হীনতার সঙ্গে চলাচল করে। এমনকি তারা আমাদের অভ্যন্তরীণ আইন উপেক্ষা করে অতি-নিম্ন উচ্চতায় বিমান চালনা করে।’
কাজুও শি ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাপানি কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জেসিপি জাপানের দীর্ঘতম সময়ের সক্রিয় রাজনৈতিক দল হলেও দেশটির মূল ধারার রাজনীতিতে বর্তমানে তাদের প্রভাব সীমিত। জাপানের প্রতিনিধি কক্ষে দলটির বর্তমানে মাত্র চারটি আসন রয়েছে। তবে শির এই মন্তব্য জাপানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিতর্কে নতুন করে হাওয়া দিয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সম্পাদিত প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় জাপান বর্তমানে ওয়াশিংটনের অন্যতম ঘনিষ্ঠ এশীয় মিত্র। দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সৈন্য মোতায়েন রয়েছে। চুক্তির অধীনে মার্কিন বাহিনী জাপানের আকাশসীমা এবং ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা ভোগ করে থাকে। সমালোচকদের মতে, জাপানের সার্বভৌমত্বের স্বার্থে এই সুবিধার সীমারেখা টেনে দেওয়া এখন সময়ের দাবি।
ইরান সংঘাতকে কেন্দ্র করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যখন তাদের আকাশসীমা ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করছে, তখন জাপানের মতো ঘনিষ্ঠ মিত্রের অভ্যন্তরে এ ধরনের দাবি টোকিও এবং ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্কে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা।

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন ফিলিপাইনের হাজার হাজার অভিবাসী শ্রমিক। ইসরায়েল, লেবানন ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজ করতে যাওয়ার কথা থাকলেও প্রায় ৪০ হাজারেরও বেশি ফিলিপিনো কর্মী এখন দেশ ছাড়তে পারছেন না।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানকে ‘পুরো দেশজুড়ে বোমা হামলার’ হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা ব্যয়বহুল এই সংঘাতের জন্য নতুন এক যুক্তিও তুলে ধরছেন। তাঁর দাবি, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যা করছে, তা নাকি স্বয়ং ঈশ্বরই চান। তবে, ঈশ্বর সংঘাত পছন্দ করে না বলেও জানান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর মাধ্যমে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের বিষয়টিকে তিনি কেয়ার করেন না। এই বিষয়ে তিনি ‘একেবারেই’ উদ্বিগ্ন নন।
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষেপণাস্ত্রের গর্জন নয়, প্রতিবাদের ভাষা যখন হয়ে ওঠে সুর ও নীরবতা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানের বেসামরিক জ্বালানি কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলোতে বোমা হামলার হুমকির প্রতিবাদে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন প্রখ্যাত ইরানি সুরকার ও সুরস্রষ্টা আলী ঘামসারি।
৩ ঘণ্টা আগে